বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রতিদিন সূর্য ডোবার পর রাতের আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।আর আকাশে যদি চাঁদ না থাকে তবে তা আরও অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।তখন আলোর উৎস হল আকাশের লক্ষ তারা।কিন্তু তারার আলোও যদি না থাকত তবে কি হত?তবে কি তখন পৃথিবী পরম অন্ধকারাচ্ছন্ন কালো গ্রহে পরিণত হত?উত্তরটি হলো,না।তখন পৃথিবীকে আলোকিত করার জন্য থাকত রাতঅাভা বা এয়ার গ্লো।কোনো গ্রহের বায়ুমণ্ডল হতে নিঃসৃত আভাকে রাতঅাভা বলে।১৮৬৮ সালে সর্বপ্রথম সুইডিশ সাইন্টিস্ট অ্যান্ডারস অাংস্ত্রম রাতঅাভা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেন।প্রশ্ন হল কেন ঘটে এই রাতঅাভা।আসলে রাতঅাভা কোনো একক ঘটনা না।এটা অনেকগুলো ঘটনার ফলাফল।নিচে দেখা যাক কী কী ভাবে রাতঅাভা ঘটতে পারে।
ফটো অায়নাইজড আয়ন সমূহের মিলনের ফলে:-কোনো ধাতুর উপর উপযুক্ত শক্তির ফোটন পড়লে তা হতে ইলেকট্রন নির্গত হয়।একে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে।কিন্তু আলো ধাতুতে না পড়ে কোনো গ্যাস এ পড়লে তাকে ফটোআয়নাইজেসন বলা হয়।দিনে সূর্যের অালো বায়ুমণ্ডলে আঘাত করলে বায়ুমণ্ডল এ ফটোআয়নাইজেশন এর ফলে আয়ন উৎপন্ন হয়।পরে আয়ন সমূহ যখন মিলিত হয় তখন আলো নির্গত হয় যা রাতের আকাশ আলোকিত করে।
কসমিক রে এর দ্বারা:-উচ্চ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট কোন রশ্মি কোন বস্তুকে আঘাত করে নিম্ন কম্পাঙ্ক এর রশ্মিতে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে লুমিনিসেন্স (ফ্লোরোসেন্স) বলা হয়।কসমিক রে বায়ুমণ্ডলে আঘাত করে তা দৃশ্যমান আলো এ পরিণত হয়।এভাবে আকাশ আলোকিত হয়।
রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলো নির্গমন:-ভূপৃষ্ঠ হতে কয়েকশ কিলোমিটার উপরে বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন হাইড্রোজিল আয়ন এর সাথে বিক্রিয়া করে আলো উৎপন্ন করে।এ দুটি কারণ ছাড়াও অারো অজানা কিছু কারণ থাকলেও থাকতে পারে।
#Collected...
নৌরিন মৌ
CE,BUET
Zero to Infinity
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now