বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গ্রহাণু

"বিজ্ঞান " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক: বিজ্ঞান প্রিয় হৃদয়[MH2] মহাকাশে অসংখ্য বস্তু আছে,আছে ছোট তারা থেকে শুরু করে অতিকায় বড় তারা,আছে সাদা বামন থেকে অতিকায় রেড জায়েন্ট,আছে অতিক্ষুদ্র গ্রহ হতে অনেক বড় গ্রহ,আছে উল্কা,ধূমকেতু, নিহারিকা ,গ্যালাক্সি আরও অসংখ্য বস্তু।এদের মধ্যে আন্তরগ্রহ বস্তুও আছে।এরা মহাকাশের তারা,গ্রহ,উপগ্রহ ছাড়াও যেসব বস্তু দেখা যায় তা হলো আন্তরগ্রহ বস্তু।এসব আন্তর গ্রহ বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো গ্রহাণু।চলুন গ্রহাণু সম্পর্কে জানি। ছোট আকারের গ্রহ গুলোকে গ্রহাণু বলা হয়,এসব গ্রহাণুগুলো পরিপূর্ণ বা বড় আাকরের হয়ে গ্রহ হয়ে উঠতে পারে নি। এদের অনেক সময় অণু গ্রহও বলা হয়ে থাকে।ধারণা করা হয়ে থাকে সৌরজগতের সূচনার সময় যে সকল ভ্রূণ গ্রহ সৃষ্টও হয়েছিল,সেগুলোর মাঝে যেসকল ভ্রূণগ্রহ গুলো অন্য ভ্রাণ গ্রহগুলোর সাথে সংযুক্ত হয়ে বড় আকার নিয়ে গ্রহ হয়ে উঠতে পারে নি তারাই গ্রহাণু।গ্রহাণুগুলো পরিপূর্ণ গ্রহ হয়ে উঠতে পারে নি বটে,তবে সৌরজগতেী সূচনার সময় বহু গ্রহাণু একেকটি গ্রহের অংশ হয়ে গেছে।আবার কখনও কখনও গ্রহের সাথে গ্রহাণুর সংঘর্ষ হয়ে যায়,এটা তখনই ঘটে যখনই কোনো গ্রহাণু কোনো একটা গ্রহের কক্ষপথে চলে আসে বা গ্রহের কাছে চলে যায়।সৌরজগতে অনেক গ্রহের মাঝেই এমন সংঘর্ষের চিহ্ন পাওয়া যায়।যেমন বুধ গ্রহ,মঙ্গল, এবং আমাদের চাঁদ।আবার কোনো কোনো বিজ্ঞানী ধারণা করে থাকেন যে পৃথিবীর সাথে মঙ্গলের সমান কোনো গ্রহাণুর আঘাতে চাঁদের সৃষ্টি হয়েছে,আবার অনেকের মতে চাঁদ নিজেও একটা গ্রহাণু ছিল,সৌরজগতের অন্যকোথাও এটার সৃষ্টি,পরবর্তিতে কখনও পৃথিবীর অভিকর্ষের টানে আটকে পৃথিবীর চাঁদ হয়ে গেছে। গ্রহাণু এবং পৃথিবীর সংঘর্ষে পৃথিবী থেকে ডাইনোসর সহ বহু স্থলজ এবং জলজ প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে বলে অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা।শুক্র গ্রহ এবং ইউরেনাস গ্রহ উল্টা দিকে ঘুড়ে,মানে পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তিত হয়,অর্থাৎ এ দুইটা গ্রহে পশ্চিম দিকে সূর্য উঠে এবং পূর্ব দিকে অস্ত যায়।এই দুইটা গ্রহের আবর্তন করার ধরণ অন্যান্য গ্রহ অপেক্ষা আলাদা।এই আলাদা হওয়ার পিছনেও অনেকে গ্রহাণুর সংঘর্ষকে দায়ী করেন। গ্রহাণুগুলো পাথর দিয়ে তৈরী,অর্থাৎ পাথুরে গ্রহাণু। তবে অনেক ক্ষেত্রে অন্যান্য পদার্থে তৈরী গ্রহাণুও দেখা যায়।গ্রহাণুগুলো আকারে অনেক ক্ষুদ্র হয়।এদের ব্যাস কয়েক শো মিটার থেকে ১০০০ কি.মি. পর্যন্ত বড় হতে পারে।অর্থাৎ গ্রহাণুগুলো অনেক ক্ষুদ্র। সর্বপ্রথম ১৮০১ সালে বৃহত্তম গ্রহাণু সেরেস আবিষ্কার হয়,এর আগে কেউ জানত না গ্রহাণু সম্পর্কে।আমাদের সৌরজগতে অনেক গ্রহাণু আছে।আছে গ্রহাণু বলয়,এগুলো মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মাঝে অবস্থিত।এ বলয় ছাড়াও আরও বলয় আছে।সৌরজগতে বেশ কয়েকপ্রকার গ্রহাণু আছে।যেমন: অ্যাপোলো ও ট্রোজান গ্রহাণু।সবচেয়ে দূরে অবস্থিত গ্রহাণু হলো কিরন। কিছু গ্রহাণু হলো : সেরেস,এরেস, অ্যাপোলো, আইকারুস,ইরোস, ট্রোজান, হেকটর,কিরন ইত্যাদি। [ আমার পড়া বিভিন্ন জায়গা থেকে নূন্যতম যতটুকু জ্ঞান লাভ করেছি তা থেকে নিজের মতো করে লিখলাম।গুছিয়ে লিখতে পারি নি তার জন্য দুঃখিত।আর বিজ্ঞান বিষয়ে এটাই আমার প্রথম লেখা।তাই ভুলগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।কেমন লাগল কমেন্টে জানাবেন] বি.দ্র.: এটা আমি নিজের মতো করে লিখেছি।কোনো কপি পোস্ট নয়।তাই ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন। আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now