বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

লেখক বিভ্রাট

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)

X - কিঙ্কর ভাইয়ের একটি কথা আমার খুব ভালো লাগে।তিনি বলেন, লেখকরা পাঠকদের সাথে মিশবে,নিজেকে পাঠক মহলে পরিষ্কার করে মেলে রাখার চেস্টা করবে।তাহলেই না পাঠক তাকে ভালোবাসবে,তার বইগুলো পড়তে ইচ্ছে পোষণ করবে। আমাদের সমাজে মানুষ মনে করে একজন লেখক তার ব্যক্তি জীবনে খুব কম কথা বলবে।তাদের মাথা ভর্তি চুল আর গায়ে জামা থাকবে অতি অল্প মূল্যের।অনেকেই মনে করেন লেখকদের টাকা পয়সা থাকতে নেই,তারা সারাজীবন একবেলা খাওয়ার পর আরেক বেলা না খেয়ে থাকবে।এরা কখনও টাকার চিন্তা করবে না। এটা আসলেই একটি মিথ্যা কথা। আজকাল নবীন লেখকদের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি।এক দুই লাইন যাই লিখুক,দিনশেষে সেও একজন লেখক।লেখক হতে পারাটা সবাই ভীষণ পূণ্যের কাজ মনে করে। তবে আসলেই একজন লেখক পূণ্যের জন্যই লড়াই করেন, সাথেসাথে তিনি একজন বড় মর্যদাবান মানুষ। কিন্তু আমরা সবাই যে লেখক হয়ে যাওয়ার জন্য এক প্রতিযোগিতায় নেমেছি, এর উদ্দিষ্ট লক্ষ্য কোনটা? অল্পতেই মর্যদার আসন, নাকি আসলেই পূণ্যের কিছু করে মর্যাদা অর্জন? চারমাস আগেও যার লেখাগুলো ছাইপাঁশ ছিলো, সেও আজকাল নিজের কয়েকজন পাঠক পেয়ে বড় বড় লেখকদের সাথে পাল্লা দিতে চায়।তাদের কথায় ভুল বের করে নিজের যোগ্যতা প্রকাশ করতে চায়।এটা দেখে আসলেই আমার কষ্ট লাগে। তুমি তোমার যোগ্যতা আর শ্রম দিয়ে উপরে উঠো।আশপাশের সবাইকে নিয়েই উঠো আর একাই উঠো,কিন্তু অন্যদের তুচ্ছ করছো কেনো? বর্তমান জাত লেখকদের মধ্যে যারা শীর্ষে -আরিফ আজাদ, কিঙ্কর আহসান, আব্দুল্লাহ আল ইমরান,নিজাম নূর সহ আরও যে কয়জন মানুষ দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষের মন জয় করেছে,পাঠক মহলে এমন কিছু ছুঁড়ে দিয়েছে, যেগুলো পড়ার পর একজন পাঠক বলবে, আলহামদুলিল্লাহ আমার টাকাটা বৃথা যায়নি।এই মানুষগুলোর বিরোধিতা কারা করে জানেন?পাঠক মহলে তাদের যতটুকু না বিরোধিতা চলে তারচেয়ে বেশি বিরোধিতা চলে সেই মহলে, যারা মনে করেন একদিন তারা নিজেরাও জাত লেখক হতে যাচ্ছেন।যদিও বিরোধিতা করে তাদের কোন লাভ হয় কি না আমি জানি না। সম্প্রতি কিছু নবীন লেখক,কিছু না প্রায়ই আছে।এরা হচ্ছে বাচ্চাওয়ালা মুরগির মতো।এরা ভাবে, আমার লেখাগুলো ছেড়ে যদি অন্য কারও লেখায় একটা লাইকও দিতে যাই তবে হয়তো আমার লেখাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে অথবা কেউ নিয়ে যাবে।পড়াটা তো অনেক দূরের কথা। এদের ভিতরে মুরগির মতো একটা জিনিসই খেলা করে,সেটা হলো 'আমিই তো এখন লেখক, অন্যের লেখা কেনো পড়বো। এইসব দুষ্ট লেখকরা ভাবে তারা যদি পাঠক বা সাধারণ মানুষের পোস্ট পড়ে,লাইক দেয়,কমেন্ট করে তাহলে তার জাত যাবে।নিজের মান অনেক নিচে নেমে যাবে। কিন্তু এর দ্বারা হচ্ছে কি? লেখক পাঠকের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।শুধু পাঠকের থেকেই না, বর্তমানে নবীন লেখকরা একে অপরের সাথে হিংসা নিয়ে পরে আছে।তারা একসাথে মিলে কাজ করতে নারাজ।একে অপরকে ডিঙানোর চেষ্টায় লিপ্ত। তবে হ্যাঁ, আপনার যদি নিজের পোস্টের কমেন্ট পড়ার সময়ই না হয়, তাহলে অন্যের পোস্ট পড়বেন কি করে।এটা সমাজ অবশ্যই বুঝতে পারবে।কারণ তখন আপনি সাধারণ থাকবেন না।শ্রম আর যোগ্যতা দিয়ে মর্যাদার আসন অর্জন করে ফেলবেন। পুনশ্চ: আমি কোন জাত লেখকও নই, নবীন লেখকও নই।তবে নবীনদের তালিকাভুক্ত হতে চাই না এমনটাও নয়। আর উপর্যুক্ত অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে ভালো একজন লেখক হওয়ার দরকার নেই, একজন সত্যিকার পাঠকের চোখেই এগুলো ধরা পরে। আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে 'আপনার লেখা দিয়ে আপনি সামনে আগাতে পারবেন, কারও ব্যাপারে সমালোচনা করে নয়।সবাই একসাথে মিলে কাজ করতে শিখুন। একজন মানুষ সব দিক থেকেই পরিপূর্ণ হতে পারে না,সে যতো বড় মস্ত লেখকই হোকনা কেন। (ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়) #লেখক_বিভ্রাট মুহাম্মদ নাজমুল


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now