বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
WRITER::TANEEM RABBYযারা প্রথম অংশ পড়েন নি। তারা হয়তো মজা পাবেন নাহ!!!
প্রথম অংশের পর..........
রুবাইয়া--চলো আমরা ট্রুথ অর ডেয়ার খেলি!
সিয়াম--এটা অনেক মজার একটা গেম!
তুবা--আমি খেলবো নাহ,এইটা হচ্ছে মানুষের প্রাইভেসি ব্লাস্ট করার ফন্দি!!
রনি ভাই--নাহহহ,আমি ট্রুথ অর ডেয়ার খেলপো,,আমি খেলপোই খেলপো!
মেহা--ঠিক আছে রনি ভাই,আপনারে দিয়ে ই শুরু করি,যেহেতু আপনার এতো আগ্রহ!
রনি ভাই--আমি রেডি!!
মেহা ভাই-- ট্রুথ অর ডেয়ার???
রনি ভাই--ট্রুথ, কজ আই এ্যাম অনেস্ট,যাহা বলিব সত্য বলিবো,সত্য বৈ মিথ্যা বলিবো নাহ!
মেহা ভাই--এইত্তো গুড বয়!
মেহা ভাই--জীবনে কয়টা মেয়ের সাথে প্রেম করছেন!(চকলেট চিবুতে চিবুতে)
রনি-- একটাও নাহ!!!
হ্নদয়--ইন্নালিল্লাহ.........ইন্না ইলাহি রাজিউন!ভাই,এইটা কেমন মিথ্যা কথা!!
রনি ভাই--কিসের মিথ্যা কথা,আই এ্যাম অনেস্ট!
হ্নদয়-- রাখেন আপনার অনেস্ট!! সাতক্ষীরা গিয়ে আপনি কাগজ কুড়ানি ওয়ালীর প্রেমে মজেছেন এবং রমনার পারুল ভিখারিনীকে আপনি আচার কিনে দিয়েছেন!তাদের সাথে আপনি লাভিং লাভিং করেন নাই/???
রনি ভাই-- ভাইরে ভাই,আমার মান ইজ্জত কে পুরো ফুচকা বানিয়ে দিলা!!এই নি মানবতা!!!
হ্নদয়--এদের সাথে লাভিং লাভিং করার পর আপনি অ্যামাজন এ গিয়ে আকিতা ভাবীর সাথে ইইই!!
রনি ভাই--ভাই, ট্রুথ অর ডেয়ার খেলে আমার আক্কেল হইছে,আমার কি আমার জাতের আক্কেল হইছে!!
মেহা আর শুভা ভাই এতোক্ষন এদের তামাশা দেখছিলেন আর ফাঁস হওয়া গোপন তথ্য শুনে চোখ আর মুখ হা করে আছেন!! আর এদিকে চকলেট নিধন চলছে জোড়ো গতিতে!!!
মেহা ভাই-- ওরেহ শামসু,এ দেখি কেঁচো খুড়তে সাপ ফুরুত ফুরুত করে বের হয়ে এলো!!
রনি ভাই--তবে যাই বলো না কেন!আমার একটা সপ্ন আছে!!.
সিয়াম-- কী এমন সপ্ন?
রনি ভাই--জীবনে একবার হলেও আঞ্জেলিনা জোলির সাথে পিরিত করুম!(লাজুক হয়ে)
মফি--বাঁদরের আবার চাঁন্দে যাওয়ার শখ হইছে!
সুস্মিতা--দেখেন,রনি ভাইয়ু,আঞ্জেলিনা জোলি আপনার দাদীর বয়সি!!
রনি ভাই--দেখো এভাবে বলো নাহ,,ভালোবাসা কোন বয়স মানে নাহ!!
প্রভা--রনি ভাই, প্রেম করেন,হুলস্থুল প্রেম করেন,করতে করতে সব তামা তামা কইরে ফেলান!আপনি অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, অ্যানাটনি কেলি,আনার কলি, ফুলের কলি , যা আছে বেজ্ঞুনতার লগে পিরিত করেন, আঁই আছি আন্নের লগে!!
হ্নদয়--মানুষকে তো মোটিভ করতে ভালোই পারো!
প্রভা--আবার জিগায়?(ফোকলা হাসি দিয়ে)
শুভ সুত্রধর ভাইয়ু--প্রভা ও তো সেই কিছিমের ম আকার ল।সারাদিন ছকিনা আর জরিনারে লইয়া হুক্কুর হুক্কুর করো!
প্রভা--দেখেন,সুত্রধর সাহেব,ছকিনা আমার বাগদত্তা,আমার প্রানের পরান,কইলজা,আমার পাখি, আমার সন্টু মন্টু,তাকে নিয়া চুদুরবুদুর একদম বরদাশত করবো নাহ,,,হুহ!
সাবিরা*-ওলে বাবালে,এতু ভালুপাসা,,কুথায় থেকে আসে!
হ্নদয়--হ্যা,তুমিও তো সেই কিছিমের ম আকার ল!
প্রভা--কি,ম আকার ল!মানে মল!এই মিয়া আমি মল!আমারে দেইখা কি মল মনে হয়??
মফি-- ম আকার ল , মানে মাল,টেংগু ব্যাক্তি বিশেষ এ এই শব্দ ইউজ করা হয়!! হা হা!
এইভাবে ঘন্টাখানেক পঁচানি আর আদুরে ঝগড়া হলো!!আস্তে আস্তে জিজেসরা চকলেট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে!!
মিঃ ফাইটোপ্লাংকটন বিষয়টা আঁচ করতে পেরে সবাইর উদ্দেশ্য বললেন!
ফাইটো--কি ব্যাপার,সবাইর পাকস্থলীর ইঞ্জিন কি ড্যাম হয়ে গেলো!!!
তুবা--না মিঃ ফাইটো, আর লোড নিতে পারছি নাহ!!
ফাহাদ--এই বিপুল পরিমাণ চকলেট কে খেয়ে শেষ করবে!!
শুভ্র--বিকল্প ব্যাবস্থা করতে হবে!
হ্নদয়--হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে,এখন আর কেউ খাবে নাহ,আপনি যা আছে,সব গুলোকে সমানে ভাগে ভাগ করে প্যাকেট করে দিন,সবাইকে সেই প্যাকেট দিয়ে দেবেন!
মেহা-- হ্নদয়,ইউ আর সো ব্রিলিয়ান্ট!!
হ্নদয়-ইয়াহ ,, আই নো!!
মিঃফাইটোপ্লাংক্টোন সব চকলেট গুলো নিয়ে নিচে চলে গেলেন!আর আমরা সবাই মিলে রুফটপে আড্ডা মারতে লাগলাম!আড্ডার টপিক যেন শেষ হতেই চায় নাহ,একবার এক প্রসঙ্গ নিয়ে দফারফা হচ্ছে!!সবাই তাদের হাতে থাকা চকলেট গুলো খেতে শেষ করতে লাগলো!এদিকে সিয়াম বেচারা দুই হাতের দুই আঙুল দিয়ে, মুখের দুই পাশ দিয়ে ঢুকিয়ে, দাঁতের আশেপাশে, মুখের ছিপায় ছাপায় আটকে থাকা চকলেট এর অবশিষ্ট অংশ গুলো টেনে বের করে পাকস্থলীর অভিমুখে পাঠাতে লাগলো!!
আর মফি তার হাতে চকলেট এর একটু অংশ ভেঙে সুস্মিতার গায়ে ছুড়ে মারলো,..........
সুস্মিতা--কে মেরেছে,এই চকলেট এর অংশটুকু??
মফি--(নীরবতায় মগ্ন)................!!!
সুস্মিতা-- কে মেরেছে!(জোর গলায়)
মফি--(লাফিয়ে উঠে) হ্যা,কি হয়েছে, কে মারা গেছে,কখন মারা গেছে,আয় নায়,না জানি তার ফ্যামিলির কতো কষ্ট!!! আহারে......
সুস্মিতা--কেউ মারা যায়নি,কে মেরেছে এই চকলেট আমাকে!!
মফি--ও আচ্ছা,মনে হয়, এই খোলা আকাশের থেকে কোন জ্বীন -পরী তোর রূপে মুগ্ধ হয়ে তোকে চকলেট গিফট করেছে!!!
সুস্মিতা-- ফাজলামো হচ্ছে আমার সাথে, জ্বীন পরী আমাকে চকলেট মারবে,ফাজিল!নিশ্চয়ই তুই মেরেছিস,যেহেতু তুই বকবক করছিস!!
মফি--আমারতো ঠেকা পড়ছে,হুদাই মৌমাছির চাকে ঢিল মেরে কামড় খাওয়া!!আরে আমি মারি নাই!!
সুস্মিতা--আমি শিওর, তুই মেরেছিস,মফির বাচ্চা তোকে একবারে কফি বানিয়ে চুড়ূৎ চুড়ুৎ করে খেয়ে ফেলবো!চিনিস!!
মফি-- দেখ, গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসবি নাহ!
সুস্মিতা--আমি ঝগড়া করি,নাকি তুই আমার সাথে ঝগড়া করিস!!
মফি--সকালে কি কচু খেয়ে এসেছিস,এভাবে চিল্লাচিস যে!,
সুস্মিতা- হ্যা,আমি তো কচু খেয়ে এসেছি,তুই কি খালি পেটে এসেছিস!!একেবারে চিবিয়ে খাবো!!
ওরেহ ভাই,,এভাবে ইন্ডিয়া পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু!!
তাহিরা আপু--এক্সকিউজ মি!পিলিজ! আল্লাহর ওয়াস্তে থামুন!বাচ্চাদের মতো আচরণ করলে হয়??
ফাহাদ, তার নিজ কানের মধ্যে কয়েকটি গুতা দিয়ে বলে,আপারা আমি এখন ডান কানে একটু কম শুনী,যেই ঝড় তুফান হলো!!
সিয়াম--আচ্ছা,আবার গানের আড্ডা হয়ে যাক!
প্রভা--হ্যা,একদম,, কে কে গান পারো, হাত পা দুইটাই তোলোহহহ!
নাইরা--প্রভা,তুমি যে সবাইকে গান গাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছো? তুমি কয়টা পারো গান,বলোতো!!
এবার, সবাই ধরলো প্রভাকে, গান গাইতেই হবে,
প্রভা--কি আর করা,গান তো গাইতেই হবে,নাইলে তো বেজ্ঞুন আঁর প্যান্ট খুলে রাই দিবি!তার চেয়ে বরং গান ই গাই!!!হেইডাই বেটার!
তাই,প্রভা তার ফাডাবাশ মার্কা কন্ঠ দিয়ে গাইতে শুরু করলো!!
গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া!
দরজা জানালা কিছুই নাই!
কেমনে তোমায় দেখতে পাই!
গুরু ঘর..........
হে গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া!!
সবাই বাহবা দিতে লাগলো!প্রভা তো প্রশংসায় পঞ্চমুখ!!
এইবার, পুস্পিতার পালা!
তুবা--পুসি ক্যাট, এইবার তোমার পালা,অনেক্ষণ যাবত লুকিয়ে ছিলা,এইবার গান গাও!
পুস্পিতা--গুরুজন দয়া করো মোরে,,আমি আর গান গাইবো নাহ,একবার গেয়ে আমার আক্কেল হইছে!!
কিন্তু,সবাইর কাছে পুস্পিতা হার মানলো,গান গাইতে রাজি হলো অবশেষে!!
পুস্পিতার গান!
স্বাদের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগি!
লাউয়ের আগা খাইলাম,ডগা গো খাইলাম,
লাউ দিয়া বানাইলাম,ডুগডুগি!
স্বাদের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগিহহহহ!!
সাবিরা-- কেয়া বাত মেরে বেহেন!!
ফাহাদ--রানু মন্ডল ফেইল, তোমার কাছে!
রনি ভাই,তখন সবার কাছে পুস্পিতার গান সম্পর্কে জানতে চাইলেন,যে গানটা কেমন হয়েছে!
প্রভা--ভাভাগো ভাভা,সেতি যেই কিসিমের গান গেয়ে আংগোরে অত্যাচার কইল্লো কি আর কমু!!
রামিশ--হার্ট অ্যাটাক মানুষের জন্য ভয়ংকর মারনাস্ত্র!
তুবা--না বেশ ভালোই,অত্যাচারের শিকার হলাম আর কি, এর বেশি কিছু নাহ!!
সিয়াম--ওর গান শুনে,আমাদের এলাকায় যত কুকুর আছে,সব কুকুর আত্নহত্যার জন্য নদীতে ঝাপ দিবে!!!
আমি--না ভালো,ওর কন্ঠটা খুব সুরেলা। আমি মনে করি,ওর জন্য একটা গানের কনসার্ট করা উচিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশেপাশে!!যেমন,উখিয়া বা কুতুপালং বা রামু শরনার্থী শিবিরের আশেপাশে! যেখানে পুস্পিতা গান গাইবে!আর তার গানের ঠেলায় রোহিঙ্গারা অন্তত সাঁতরে হলেও নাফ নদী পাড়ি দিয়ে মিয়ানমারে ফিরে যাবে!!
তাহিরাপি-- বেশ ভালোই, আরো ডেভেলপ করতে হবে!!
নাইরা-- বিধাতা,এই কেমন নিপীড়ন!!!
এভাবে, সময় কেটে যায়, হৈ হুল্লোড় আর আনন্দের অন্তরালে!ঘড়ির কাটাও ডিনার আওয়ারে দিকে ছুটে চলছে!!!
মিঃফাইটোপ্লাংক্টোন ডিনারের জন্য সবাই কে ডাকলেন!
সবাই আস্তে আস্তে যেতে লাগলো!
প্রভা তখন ছাদের রেলিং ধরে 'ছকিনা' বলে জোরে একটা চিৎকার দেয়,এবং সেই শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য ব্যার্থ চেষ্টা করে!!!!!
সবাই এখন ডিনার টেবিলে!!
আস্তে আস্তে সবাই নিজেদের প্রয়োজন মতো খাবার অর্ডার দিলো!
কেউ জুস,কেউবা হালকা খাবার,কেউ বা মিডিয়াম ভারী খাবার!
কারনটা হচ্ছে,সবাই সন্ধার নাস্তায় খাওয়ায় এখনো সেগুলা হজম হয় নি!!!তাই কেউ অতোবেশি খাবার অর্ডার দিলো নাহ!!
আমি,হ্নদয়,শুভ্র,রনি ভাই,প্রভা!
আমরা বিরিয়ানি লাভার রা অন্য একটা টেবিলে গিয়ে বসলাম!
প্রয়োজন মতো মাটন কাচ্চি বিরিয়ানি, চিকেন রোস্ট,চিকেন বড়া,সালাদ,চিকেন গ্রিল,বীফ ফ্রাই এবংং জর্দা, পেস্তাবাদাম শরবত নিলাম!!!
অবশেষে সব এসে হাজির!! সবাই সানন্দে খেতে লাগলাম!!তুবা আমাদের দিকে ঈঙিত করে বল্লো!
তুবা--আহারে,,হাজার বছর ধরে না খাওয়া বাচ্চারা!
সাবিরা--বেশি খাইয়েন নাহ,তানিম মামা,স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর!
প্রভা আমার পক্ষ নিয়ে বল্লো!
প্রভা-- খানা নিয়ে চুদুরবুদুর চইল তো ন!
পথিমধ্যে, ফাহাদ এসে আমাদের কাছে চেয়ার টেনে বসলো!
রনি ভাই-- কি ফাহাদ,তুমি ও আমাদের সাথে খাবা,অর্ডার দেই???
ফাহাদ--না ভাই,আমি আপনাদের খাওয়া দেখতে এসেছি!!
প্রভা-- আংগো খানার ভিতরে নজর দিবা??
আমি-- ফাহাদ, নজর দেও ভালো কথা,কিন্তু আমাদের কারো পেটে যদি ট্রাবল হয়,তবে তোমার একদিন কি আমাদের একদিন!!
প্রভা--হ্যা,ঠিকই,তোমার নজর লেগে যদি আমাদের পেট ডাইরেক্ট হয়ে যায়,তবে দেউখা ছাড়মু!!
তুবা--ফাহাদ, চলে এসো,তোমার নজর লেগে ভাইয়াদের পেট খারাপ হবে,পরে আবার লিকুইড পটি হবে,তুমি চলে এসো,হা হা হা!
রনি-- তুবা৷ আমরা খেতে বসছি!
তুবা- সরি ভাইয়া!!
ফাহাদ বেচারা এতো অপমান না নিতে পেরে ঊঠে চলে গেলো!!!
আমরা সবাই আবার খেতে শুরু করলাম!! প্রভা তখন এক টুকরা বীফ নিয়ে চিবুতে লাগলো!!
প্রভা--ভাই,এইডা কি রাবার,সেই এক ঘন্টা ধরে চাবাইতে আছি,কিন্তু শেষ ই হচ্ছে নাহ,!
শুভ্র-- তুমি চাবাইতেই থাকো!!!
হ্নদয়-- সব সালাদ দেখি,রনি ভাই শেষ করে দিলেন,আয় হায়!!
রনি-চুপচাপ খাও!যত্তসব!!
সো লোকসকল, আজ এই পর্যন্তই!
আগামী পর্ব আগামী দিনে!
আসছে কিন্তু, শীগ্রই!!
ভালো থাকুন,নিরাপদ থাকুন!
ঘুম দেবী আমাকে হাতছানি দিয়ে ঢাকছে!ঢলে পড়বো এখন,টাটা বাইই!
আলাবু গায়েজ!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now