বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মধ্যবিত্ত
Writer-- Md. Omar
Part---01
---আব্বু ১০০ টা টাকা দাও,,
আব্বু--এত টাকা দিয়ে কি করবি,,,?
----লাগবে,,
আব্বু ---এখন টাকা নাই,,
--আব্বু,,
আব্বু পড়ার টেবিল থেকে বই এনে আমার হাতে দিলো,,
---যা এগুলো বিক্রি করে দে,,তুর আর পড়তে হবে না,,বিক্রি করে টাকা পাবি,,,
বই গুলো আবার পড়ার টেবিলে রেখে দিয়ে মন খারাপ করে বেরিয়ে গেলাম,,
স্কুলের দিকে হাঁটা ধরলাম,,
যেতে যেতে আপনাদের পরিচয় টা দিয়ে দিই,,,
((++((-আমি ওমর,, (গল্পের ক্ষেত্রে)একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান,,নবম শ্রেনীতে পড়ি,, এতক্ষণ যার থেকে টাকা খুঁজলাম সে হচ্ছে আমার বাবা,,আপনারা হয়তো ভাবছেন বাবা এমন করলো কেন,,,বাবা অনেক কষ্টে আমার লেখাপড়ার খরচ চালাই,,, বাবার কাছে কোন টাকা ছিলো না তাই,,এমন করলো,,
হঠাৎ এত টাকা কেন খুজলাম,,, মধ্যবিত্ত দের তো এত টাকা হাত খরচ মানাই না,,
টাকা খুঁজছিলাম,, আমার জানপাখি টাকে ফুচকা খাওয়ানোর জন্য,,,ওর নাম হচ্ছে আদিবা,,
এলাকার চেয়ারম্যান এর মেয়ে,, আমাদের চেয়ে অনেক বড়লোক,, তবুও মেয়েটার মধ্যে কোন অহংকার নেই,,আমাকে অনেক ভালোবাসে,,,আমার সাথেই পড়ে,,ও কোন দিন মুখ ফুটে বলেনাই আজ আমাকে এটা খাওয়াও ওটা খাওয়াও,, উল্টো ও সবসময় খাইয়েছে,,,তাই আজকে ওকে ফুচকা খাওয়াতে চেয়েছিলাম,,
কিন্তু তাও পারলাম না,,,))))
আপনাদের বলতে বলতে স্কুলে এসে গেছি,,,
সুজা ক্লাসে চলে গেলাম,,,
আদিবার পাশাপাশি বেঞ্চে বসে পড়লাম,,
আদিবা---আসতে এতক্ষণ লাগে,,
আমি--একটু দেরি হল,,সরি,,
আদিবা--হুম,
কিছুক্ষণ পর স্যার আসলো,,
সবার উপস্থিতি নিয়ে ক্লাস শুরু করলো,,
ক্লাস শেষ হলে স্যার চলে গেল,,
তারপর আরেকটা স্যার আসলো,, ।
এভাবে চারটা ক্লাস করার পর টিপিন ছুটি দিলো,,
আমি গিয়ে মাঠের এক কোনে বসে আছি,,,টিপিন আনিনাই,,
কিছুক্ষণ পর আদিবা ইশারা দিয়ে আমাকে ওর কাছে যেতে বলল,,
((স্কুল জীবনের প্রেম মানে লুকিয়ে প্রেম করা,, আমাদের ও সেইম,,কারণ আদিবার বাবা যদি একবার জানতে পারে তাহলে জানে শেষ করে দিবে,,,মেনে নিবেই বা কেন,,ওয়া কোথায় আমরা কোথায়,, ভবিষ্যত কি হবে সেটা চিন্তা করে আমি সম্পর্কে জড়াতে চাইনি,, কিন্তু মেয়েটার ভালোবাসায় ওকে ছাড়তে পারিনি,, ভবিষ্যতে কি হয় সেটা তখন দেখা যাবে,,))
আস্তে আস্তে ওর কাছে গেলাম,,
যাওয়ার সাথে সাথে আমার হাতে টিফিনের বাক্স দিয়ে তাড়াতাড়ি ওখান থেকে সরে গেল,,কেউ না দেখে মত,,
((ও জানে আমি টিফিন আনি না,তাই ও আমার জন্য প্রতিদিন টিফিন নিয়ে আসে,,))
আমি টিফিন টা নিয়ে এক কোনায় গিয়ে খেতে লাগলাম,,
খাওয়া শেষ করে ক্লাসে গিয়ে সিটে বসে একটা কাগজে((খাবার টা সেই হয়েছে,, তোমার সাথে কথা বলতে খুব ইচ্ছে হচ্ছে,,)) লিখে টিফিনের বাক্স টা ওর সিটে আস্তে করে রেখে দিলাম,,
কিছুক্ষণ পর ও ক্লাসে আসলো,,
এসে বাক্স টা খুললো,,
((ও জানে আমি প্রতিদিন কিছু না কিছু লিখে দিই,,))
লিখা টা পড়ে,, তার উল্টো দিকে কিছু লিখে আস্তে করে আমাকে পাশ করে দিলো,,,(ছুড়ে মেরে,,)
আমি কাগজে টা খুলে পড়তে লাগলাম,,
---যাওয়ার সময় বলবো,,আই লাভ ইউ,,
আমি--আমি ওর দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিলাম,,
এমন সময় হারামি গুলো আসলো,,
রিমন--মামা ইশারাই ইশারাই প্রেম দারুন হচ্ছে,,
((আমার বন্ধুরা আর আদিবার কয়েকজন বান্ধবী আমাদের প্রেমের ব্যাপারে জানে,,,))
রাফি--আরে ইশারাই না,, কাগজে প্রেম হচ্ছে যে,,
সবাই হাসতে লাগলো,,
আদিবা লজ্জা পেয়ে ক্লাস থেকে চলে গেল,,
আমি--দুর হালা,,আর আসার টাইম পেলি না,,
রিমন--তা কিছু খেয়েছিস,,?
রাকিব--ভাবি থাকতে ও না খেয়ে থাকবে,,?
রাফি--হুম,,
ওদের সাথে আড্ডা দিতে কখন যে টিফিন পিরিয়ড শেষ হয়ে গেছে টেরই পেলাম না
আস্তে আস্তে ক্লাসে সবাই চলে আসলো,,
আবার ক্লাস শুরু হলো,,
এভাবে ক্লাস করতে করতে ৪টা বেঝে গেল,,
ছুটির ঘন্টাও পড়ে গেল,,
সবাই আস্তে আস্তে বাড়িতে চলে যাচ্ছে,,
আমি এবং বন্ধুরা দাঁড়িয়ে আছি,,
আদিবার জন্য,,
কিছুক্ষণ পর আদিবা এবং তার বান্ধবী রা বেড়োলো,,
আদিবা আমাদের সামনে হাঁটতেছে,,,
আমরা ওর থেকে কিছু টা দুরে,,
বাজার পেলে কিছুটা এগুনোর পর আদিবা,,থেমে গেল,,আদিবার বান্ধবীরা আস্তে আস্তে হাটেতে লাগলো,
আমি একটু তাড়াতাড়ি হেটে আদিবার কাছে গেলাম,,।এটাই কথা বলার সুযোগ,,
আমার বন্ধুরা আমার পিছন পিছন আসতেছে,,
আদিবার সাথে কথা বলে দুজনে দুই দিকে হাঁটা ধরলাম,,
তারপর আমি বাসায় চলে আসলাম,,
এসে,,
আমি-আম্মু খেতে দাও,,
আম্মু--হাত মুখ ধুয়ে আই,,
তারপর আমি হাত মুখ ধুয়ে খেয়ে নিলাম,,
খাওয়া শেষ করে রুমে গিয়ে শুয়ে পরলাম,,
সন্ধ্যা হলে পড়তে বসলাম,,
পড়া শেষ করে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম,,
পরদিন,,
স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছি,,
এমন সময় আব্বুর ডাক,,,
আমি--জি আব্বু,,
আব্বু--নে ধর,,(একটা ১০০ টাকার নোট দিয়ে)
আমি--কেন,,?
আব্বু--তুই কালকে চেয়েছিলি না,,কালকে হাতে একটা টাকাও ছিলোনা তাই দিতে পারি নাই,,
আমি--না আব্বু লাগবে না,,, তুমার কাছে রেকে দাও,,
আব্বু--আরে নে তো,,তুর দরকার হতে পারে,,
আমি--আব্বু এখন লাগবে না,, দরকার হলে চেয়ে নিবো,,
আমি--আচ্ছা আমি গেলাম,,,
তারপর হেঁটে হেঁটে স্কুলে চলে আসলাম,,
আজকে একটু তাড়াতাড়ি এসেছি,,,
আমি ক্লাসে চলে গেলাম,,
কিন্তূ আদিবা এখনো আসেনি,,
তাই ব্যাগ রেখে বন্ধুদের কাছে চলে গেলাম,,
আমি--কি খবর তুদের,,?
---ভালো,,আই বোস,,,
তারপর ওদের সাথে আড্ডা দিতে লাগলাম,,
কিন্তু আমার চোখ গেইট এর দিকে,,আদিবা কখন আসবে,,
রিমন--কিরে হালা,, তুই শুধু ওইদিকে কি,,
রাফি--আরে বুঝিস না,,আদিবার পথ চেয়ে বসে আছে,,
আমি--হ চুলের কইছে,,
রাকিব--ওই আজকে বিকেলে উত্তর পাড়ার সাথে ম্যাচ আছে,,,তুরা সবাই থাকবি,,
রিমন--কি ম্যাচ,,?
রাকিব--ক্রিকেট,,
রাফি--থাকবো মানে,,চল এক্ষুনি চল,,
আমি--আমি কিন্তু টাকা দিতে পারবো না,, আগেই বলে দিচ্ছি,,
রিমন--তুর টাকা দিতে হবে না,,
গেইট এর দিকে চোখ যেতেই দেখলাম আদিবা আসতেছে,,
তাই উঠে গিয়ে ওর থেকে দূরে গিয়ে দাঁড়ালাম,,
ও ক্লাসে ব্যাগ রেখে এসে বারান্দায় দাঁড়ালো,,
দুজনে চোখে চোখে কথা বলতে লাগলাম,,
তারপর ক্লাসের টাইম হলে,,
সবাই ক্লাসে চলে গেলাম,,
৪টা বাজে স্কুল ছুটি হলে,, তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসলাম,,
এসে খাওয়া দাওয়া করে বেড়িয়ে পড়লাম ম্যাচ খেলার জন্য,,
রাস্তায় এসে অপেক্ষা করতে লাগলাম,, ওদের জন্য,,
ওরা আসলে,,
সবাই মাটে চলে গেলাম,,
যথা সময়ে খেলা শুরু হলো,,
প্রথমে ওয়া বেটিং করে টার্গেট দিলো,, তারপর আমাদের বেটিং নামলো,,
প্রথমে রিমন আর আসিফ (পাড়ার ছেলে) নামলো,,,
আসিফ কয়েক ওভার পর আউট হয়ে গেল,,
তারপর আমি নামলাম,,
দুজনে খুব ভালো করে বেটিং করতে লাগলাম,,
হঠাৎ---------
চলবে---------------
প্রথম পর্ব তাই তেমন বড় করতে পারি নাই,, আপনাদের মতামত এর উপর ভিত্তি করে দিতীয় পর্ব লিখবো,,
সাথে থাকুন,, আমার সেরা টা দেওয়ার চেষ্টা করবো,,
ধন্যবাদ সবাইকে,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now