বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একের পিঠে এক দিলে

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান FaBiHa (০ পয়েন্ট)

X তার সঙ্গে চৌদ্দ বছর পর দেখা। দৌলতদিয়া পতিতা পুর। বাশের দোচালা ঘর। সে বসে ছিল খাটের উপর। কালো পারের লাল শাড়ি পরা। চুল গুলো পিঠের উপর ছরানো। পাস থেকে দেখতে দেবির মত লাগে। আমি তার মুখ দেখেই পারবিন আপু বলে চিৎকার দিয়ে উঠি। সে আমাকে দেখে হকচকিয়ে যায়। না চেনার ভান করে। আমি আমার পরিচয় দিই। গ্রামের নাম বলি। তার বাবার বলি এই ইত্যাদি ইত্যাদি। বরফ গলতে শুরু করে।দুচোখ বেয়ে পর তে থাকে জল। আমি বিস্মিত হয়ে সেই কান্না পাঠ করি। আমাদের বাড়ির পাসেই আমার ছোট বেলার স্যার সফিকুল উদ্দিন স্যার। । স্যার আগে আগে বলতেন, আমরা পরে বলতাম মিলিয়ে.......একে পিঠে এক দিলে, এগারো হয়। এই স্যারর মেয়ে পারবিন আপু। সেই পারবিন আপু আমার দু ক্লাস উপরে পরতো। পুরো স্কুলের মধ্যে সে অসাধারণ মেধাবী। পায়ে হাটা পথে আমরা দুজন এক সঙ্গে যেতাম। সে আমাকে ডাকতো শালিক বলে। আমি রেগে যেতাম । তখন সে বলতো তুই হোলি ময়না তাই তো শালিক বলে ডাকি। তুই রাগিস কেন রে। আমি তাকে ডাকতাম পরি বিবি বলে। সে এই তুই আমাকে এই নামে ডাকিস কেন রে। তুমি তো পরের হবা সেই জন্য বলতাম আমি। না আমি তোর বিবি হবো সে বলতো। সে যে পরির মত সুন্দর সে কথা লজ্জায় বলা হত না। মিথ্যে অভিমানে কথা বন্ধ করে দিতাম। সে তখন সবার চোখে ফাকি দিয়ে আমার পকেটে সন্দেশ দিত,বলতো জাহাপনা শাস্তি সরুপ এগুলো নিন, আর হে সুনে রাখুন আমি আপনার ছাড়া কারো বিবি হবো না না না। আপুর অনেক ইচ্ছা ছিল বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার হবে। কিন্তু ঝড় এসে সব কিছু লন্ড ভন্ড করে দেয় তার জিবনের। তার কলেজের এক বড় ভাই, ওর সঙ্গে সম্পর্ক করতে চায়। রাজি না হওয়ায় , এক রাতে তাকে তুলে নিয়ে যায়। কোথায় যে নিয়ে যায় আর কোন খোঁজ পাওয়া যায় না। স্যার পাগলের মত হয়ে এ নেতা সে নেতা ধরে, থানা পুলিশ করে। অবশেষে, দুমাস পরে তাকে উদ্ধার করে আনা হয়। তারপর চার মাস পরে জানাজানি হয় আপুর পেটে বাচ্চা। আবার অনেক চেষ্টা করেও বাচ্চার পিতৃপরিচয় পাওয়া যায় না। বরং অনেক লাঞ্ছিত অপমানিত হতে হয়। এক রাতে পারবিন আপু কোথায় যেন চলে যায়। সবাই মনে করেছে সামনের নদিতে ঝাপ দিসে। এ জন্য গায়েবি জানাজা ওপরানো হয়েছিল। উনি স্যারের কথা জিঙ্গাসা করলেন। আমাকে থাকতে বললেন।আমি চলে এলাম। ভূল ক্রটি ক্ষমার দৃষ্টি তে।আল্লাহ হাফেজ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now