বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইসরাত হাসতে হাসতে বলল,"আমার যে হাসি পাচ্ছে।"
"আচ্ছা তুমি হাসতে থাকো আমি তোমাকে দেখতে থাকি।"
ইসরাত হাসি থামালো।রনি বলল,"তুমি ল নিয়ে পড়ো না?"
"হুমম।ক্লাস এইটে টেস্ট পরীক্ষার আগে হঠাৎ করে কি যেন মনে হলো আমি ল নিয়ে পড়বো।তারপর মনের মধ্যে গেধে নিয়েছিলাম ল নিয়ে পড়েই বড় কিছু হবো।আমি লোয়ার হবো।"
"হুমম।আমি যদি আসামি হয় তখন আমার পক্ষ নিয়ে কথা বলবে?"
"তুমি কেন আসামি হবে রনি?"
"হিহিহি যদি খুন করি।"
"রসিকতা করছো আমার সাথে?"
"চুরি যদি করি।"
"তাহলে জেলে যেও।"
"আমাকে তুমি তখন ছাড়িয়ে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনবে না?"
"না।কারন তুমি অপরাধী হিহিহিহ।"
রনি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,"দেখো রাত আকাশ মেঘে ঢেকে গেছে।বৃস্টি আসবে।"
"হুমম তাই তো।"
একটু পর বৃষ্টি আসলো।ইসরাত বলল,"দেখো রনি ভিজে গেলাম।"
"হিহিহি তুমি আর একসাথে বৃষ্টিতে ভিজছি।"
"আমি এখন চলে যাবো।"
ইসরাত চলে গেল।
নীরবের বিয়ের তিনদিন চলছে।নতুন বউয়ের সাথে গল্প করতে ভালো লাগে।ইসরাত,রিফাহ,আয়শা গেলো নীরবের বাড়িতে।সেদিন যে গাছে ফুল ঝুড়ি আটকে গিয়েছিল সেখানে এখনো আটকে আছে।সবাই সেই গাছের নিচে গল্প করছে।ঝুড়ি সেখানে ঠিক সেটার নিচেই আয়শা দাঁড়িয়ে আছে।হঠাৎ করে একটা জোরে বাতাস আসলো।আর ঝুড়িটা বাতাসে পড়ে গেলো আয়শার মাথার ওপর পড়লো।আয়শা মাথায় ব্যাথা পেলো।ইসরাত বলল,"ইস ঝুড়িটা তোমার মাথার ওপর পড়ে গেলো।"
আয়শা বলল,"সেদিন ঝুড়ি ওপরে তুললেন নিচে নামালেন না সেটা আবার আমার মাথা ওপর পড়লো।ব্যাথা পেয়েছি।"
"মাথায় পানি দাও।"
ইসরাত আর রিফাহ এক ঘন্টা পর নীরবের বাড়ি থেকে চলে গেল।
রাতে ইসরাত বই নিয়ে বসে আছে।রিফাহ তাকে বারান্দায় নিয়ে গেল।ইসরাত বলল,"কি হয়েছে এভাবে বারান্দায় কেন নিয়ে আসলি?"
"নিচে তাকিয়ে দেখ।"
ইসরাত নিচে তাকিয়ে দেখে রনি বাইক নিয়ে বসে আছে।ফোন টিপছে।ইসরাত বলল,"এই রাত ১২ টায় রনি এখানে কি করছে?"
"কি করছে বুঝিস না?তোর জন্য এসেছে।"
"তোর ভাই এসব কি পাগলামি শুরু করেছে?"
"কি পাগলামি জানি না?আমার ভাইকে তুই পাগল বানিয়েছিস।ভাইয়া প্রথম দিন দেখেই পাগল হয়ে যায়।"
"তাতো বুঝলাম।তাকে ভেতরে আসতে বল।"
ইসরাত ভেতরে চলে গেলো।রিফাহ বলল,"ভাইয়া এই ভাইয়া।"
রনি রিফাহর দিকে তাকিয়ে বলল,"ইসরাত।"
"ভাইয়া তুমি ভেতরে আসো।ইসরাত আসতে বলেছে।"
রনি ভেতরে এলো।রনিকে বসতে বলল।ইসরাত বলল,"এত রাতে এখানে কি করছিলে?"
"তোমাকে খুব দেখতে মন চাচ্ছিল তাই এলাম।"
"কি খাবে চা না কফি।"
"চা খাবো।"
ইসরাত চা বানিয়ে আনলো।রনি চা মুখে দিয়ে বলল,"বাহ অনেক সুন্দর তো চা বানাতে পারো তুমি।আমার খুব ভালো লেগেছে রাত।"
"তুমিও কিন্তু সুন্দর চা বানাতে পারো।"
"রাত শুনেছি তুমি নাকি সুন্দর আর্ট করতে পারো।"
ইসরাত খাতা বের করে দেখালো তার আকানো ছবিগুলো।সবগুলো দেখে রনি বলল,"বাহ অনেক সুন্দর!!আমার ছবি আঁকিয়ে দিবে?প্লিজ প্লিজ রাত।"
"ঠিক আছে।তোমার একটা ফটো আমাকে দিও আমি আকিয়ে দিবো।"
"সত্যি আকিয়ে দিবে?"
"হুমম।আমি অন্যদেরও ছবি আকিয়ে দেই।তোমাকেও দিবো।"
ছবি আকানোর জন্য রনি তার একটা পিক ইসরাতের কাছে পাঠালো।ইসরাত বলল,"ঠিক আছে আমি আকিয়ে দিবো।তুমি এসে নিয়ে যেও।"
রনির মা রনিকে খুঁজছেন।আয়শাকে বললেন ,"রনি কোথায়?গেটও খোলা।কোথায় গেছে রনি?"
জানি না আম্মু।মনে হয় বাইরে গেছে।"
"এই রাতে বাইরে!!আগে বাড়ি আসুক মজা দেখাবো এত রাতে বাইরে থাকে।"
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now