বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্য কেবিন

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান স্নিগ্ধা আফসানা রোশনী (০ পয়েন্ট)

X দ্য কেবিন স্কচভর্তি গ্লাসটা হাতে নিয়ে ফায়ারপ্লেসের সামনে আরাম করে বসল রবিন।কামরা নিরিবিলি।মেয়েরা ঘুমুতে চলে গেছে নিশ্চয়ই।যতক্ষণ জেগে থাকে বাড়ি মাথায় তুলে রাখে তারা।জেনিফার রান্নাঘরে,বাসন-কোসন গুছিয়ে রাখছে।এটা রবিন না দেখেও বলতে পারে।জেনিফারের সামান্য শুচিবায়ুর মতো আছে।সারাক্ষণ কিছু না কিছু ধোয়া-মোছা চলছেই।অবশ্য একটা মানুষ দিনের পর দিন এক জায়গায় থাকলে আর কি-বা করতে পারে।কিছু না কিছু নিয়ে তো তাকে ব্যস্ত থাকতে হবে। কামরার ভেতর আরামদায়ক উষ্ণতা।ইজিচেয়ারে বসে চোখ প্রায় বুজে এসেছে রবিনের।জেনিফার এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে উঠিয়ে দিল।হাত ধরে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বলল, “পোর্চে কিসের যেন শব্দ হচ্ছে।কে কেন ধাক্কা দিচ্ছে”। রবিন স্কচের গ্লাসে চুমুক দিল।বিভিন্ন ধরনের শব্দ এই বাড়িতে প্রায়ই শোনা যায়।ভীতিকর কিছু নয়।অল্পতে অস্থিরতা হল জেনিফারের এক স্বভাব। আরো জোরে হাত ধরে ঝাঁকি দিল জেনিফার।ভীত গলায় বলল, “তুমি কি কিছু শুনতে পাচ্ছো না নাকি?বাচ্চা-কাচ্চার ঘর।উল্টাপাল্টা কিছু হলে?” হাসল রবিন।উল্টাপাল্টা কি আর হবে?এই গভীর বনে কে জ্বালাতে আসবে বল,হানি?খামোখা টেনশন করা বাদ দাও।আমার পাশে তো একটু বসলেও পারো,স্কচ দেব?” জেনিফার মুখ কুঁচকে তাকালো রবিনের দিকে।এইসব ছাইপাঁশে ওর কোন আগ্রহ নেই। শব্দটা রবিনের কানেও এল।সে কান খাড়া করে ফেলল।হ্যা,জেনিফার তো ঠিকই বলেছে।একটা শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।কোন র‍্যাকুন বা নেকড়ে হতে পারে।ফায়ারপ্লেসের পাশ থেকে কুঠারটা তুলে নিল ও।জেনিফারের হাতে লন্ঠন। রবিন র‍্যাকুন ভেবে দরজাটা খুলে ফেলল।দরজায় কোন র‍্যাকুন বা এই ধরনের কিছু নেই। দাঁড়িয়ে আছে দশ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে। রবিনকে দেখে ছেলেটা ছোটখাট একটা চিৎকার দিয়ে বনের দিকে ছুট দিল।রবিন ধাওয়া করল তাকে।একটু পরেই ধরে ফেলল ছেলেটাকে। “কেন আমাদের বাড়িতে ঢুকতে চেষ্টা করছিলে?”রবিন চিৎকার করল। ছেলেটা ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল, “আমাকে আমার চাচারা বলেছে...” রবিন বিস্মিত হল, “কি বলেছে?” ছেলেটা কাঁপতে শুরু করল, “বলেছে,লাশগুলো বের করা দরকার!”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now