বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

~জিজে এক অন্যরকম ডায়েরী~

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)

X জিজে হচ্ছে ভিন্ন ধরনের ডায়েরীর সমাহার। আমরা অনেকেই লেখক হতে চাই কিন্তু নিজের প্রতিভা উন্মোচন করার মাধ্যম খুজে পাই না। জিজেতে আসার আগে অনেকেই নিজের গল্প লেখার ডায়েরীতে লেখার মনোভাবগুলো প্রকাশ করত কিন্তু উন্মোচন করতে পাড়ত না ডায়েরীর পাঁতাগুলো। জিজেতে স্মৃতির পাঁতা, জীবনের গল্প, ও সত্য ঘটনার মতো জীবনের সব মুহূর্তগুলো আমরা জিজের ডায়েরীতে লিখে রাখতে পারি। আমরা অনেকেই জীবনের সব শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলো একটি ডায়েরীতে লিখে রাখি। সেটি অনেক সময় ভিন্ন কারনে হেরে যেতে পারে। কিন্তু জিজের ডায়েরীতে সংরক্ষন করে রাখলে সেটা হারানোর কোনো সংঙ্কা নেই। শুধু কি তাই! তাই নয়, তোমার জীবনের সব শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলো সেটা হতে পারে দুঃখের অথবা সুখের তোমি নিজের ডায়েরীতে এগুলো লিখে রাখলে সেটা প্রকাশ পাবে সল্প পরিসরে। কিন্তু যদি সেটি আমরা জিজের ডায়েরীতে লিখে রাখি তাহলে সেটি অনেকেই জানতে পারবে। সেটি প্রকাশের মাধ্যমে তোমি তোমার সুখ দুঃখের কারনও জানতে পারবে কমেন্টের মাধ্যমে। আমি যখন ক্লাস ষষ্ট শ্রেনিতে পড়ি তখন আমার দুইটি ডায়েরী কিনেছিলাম । একটি ছিল গল্প লিখা ও কবিতা লেখার আর অন্যটি আমার জীবনের সব শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলির অনুলিখন। একটিতে আমি গল্প ও কবিতা লিখা শুরু করি এবং অন্যটিতে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলো। এভাবে আমি যখন দশম শ্রেনিতে পড়ি তখন অনেকগুলো কবিতা ও গল্প লিখা হয় এবং তার পাশাপাশি অনেকগুলো স্মৃতি। আমি একদিন আমার স্কুলের বন্ধুদের ডায়েরীগুলো দেখাতে নিয়ে গেছিলাম এবং আসার সময় একটি হোটেলে ঠুকি নাস্তা করার জন্য কিন্তু আসার সময় মন ভুলে পেলে আসি ডায়েরীগুলো। সেই ডায়েরীতে আমার অনেককিছু ছিল যা আমি হারিয়েছি। জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতিগুলো ফিরে পাওয়া যায় না কিন্তু ডায়েরী দেখে তো অনুভব করা যায়! কিন্তু আমি সেই অনুভবটাকে হারিয়েছি। আমি এখনও ডায়েরীর কথা ভুলতে পারি না। যখনই মনে পড়ে তখনই খুব কষ্ট লাগে। প্রায় দেড়বছর পর আমি জিজের লিংক পাই এবং জিজেকেই আমি আমার ডায়েরীর অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকি। আমি মনে করি জিজেতে আসার পর আমি এক অন্যরকম ডায়েরীর সন্ধান পেয়েছি। সবার নিজস্ব ডায়েরী থাকতে পারে তবে সেই ডায়েরীর শ্রেষ্ঠ অংশগুলো জিজেতে সংরক্ষন করে রাখ নয়তোবা আমার মতো হতে পারে। জিজের ডায়েরীতে সংরক্ষন করে রাখলে তা কখনো হারাবে না। তাই আমি মনে করি জিজে শুধু গল্প লেখা ও পড়ার সাইট নয়। জিজে জীবনের শ্রেষ্ঠ ডায়েরীও বটে। [আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now