বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিকোলা টেসলা

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Robin Mia (০ পয়েন্ট)

X পৃথিবীর ইতিহাসে সব থেকে রহস্যময় ও বিস্ময়কর বিজ্ঞানী ছিলেন Nikola Tesla যিনি সত্যি বলতে পুরো আধুনিক পৃথিবীরটা আমাদের দিয়ে গেছেন । আপনি হয়তো অনেক কিছু জানেন না তাঁর আবিষ্কার সম্পর্কে । যার ছিল ৩০০ টির বেশি আবিষ্কারের প্যাটেন্ট এবং তাঁর আবিষ্কার গুলো ছিল সময়কে ছাপিয়ে গিয়ে সে সময় থেকেও অনেক অনেক আধুনিক যা বর্তমান যুগেও আধুনিক হিসাবে বিবেচিত হয় । তাঁর এমনও আবিষ্কার ছিল পৃথিবী ধ্বংস করার ক্ষমতা ছিল কিন্তু মানব কল্যাণের জন্য তিনি সেই আবিষ্কার গুলোকে নষ্ট করে দেন । জানিনা মিডিয়া কোন তাঁকে নিয়ে খুব একটা লেখে না । কিন্তু তাঁর সম্পর্কে জানার পর তাঁকে সমস্ত বিজ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে হয়েছে । কারন Nikola Tesla ই একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি যা চিন্তা করতেন তাই ই তৈরি করে দেখাতে পারতেন, এই জন্য অন্যান্য বিজ্ঞানীরা তাঁকে ইতিহাসের সবথেকে পাগলাটে বিজ্ঞানী বলে আখ্যা দিয়েছিলো । জন্ম, শৈশব এবং শিক্ষা Nikola Tesla জন্মই ছিল রহস্যময় । প্রচণ্ড প্রতিকূল আবহাওয়া ও বজ্রপাতের রাতে ১৮৫৬ সালে ৯ জুলাই এবং ১০ জুলাইয়ের মাঝে রহস্যময়ভাবে ঠিক রাত ১২ঃ০০ টাতে তাঁর জন্ম হয় ক্রয়োশিয়াতে। তাই তাঁর জন্ম তারিখ ২ টি বলা হয়ে থাকে । তবে Wikipedia তে কনফিউশন এড়াতে ৯ ও ১০ জুলাই ই এর পরিবর্তে ১০ জুলাই লেখা হয়েছে । খারাপ আর ভয়ঙ্কার আবহাওয়াতে জন্ম বলে মানুষ তাঁকে "Child of Darkness" বলেছিল । কিন্তু তাঁর মা বলেছিলেন সে একদিন পৃথিবীকে আলোকিত করবে , তাই তাঁকে তাঁর মা "Child of Light বলতেন ।" বাস্তবেও কিন্তু তাই হয়েছিল । তাঁর আবিষ্কৃত AC বিদ্যুৎ পুরা পৃথিবীকেই আলোকিত করেছে , এবং আমাদের আধুনিক একটা পৃথিবী দিয়েছে । Nikola Tesla এর পিতা তাঁকে ধর্ম যাজক বানাতে চেয়েছিলেন এবং পাঠিয়েও দিয়েছিলেন ধর্মযাজক দের কাছে । কিছুদিন পর কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু পথ থেকে বেঁছে আসেন । এবং পারিবারিক ভাবে তাঁকে ইঞ্জিনিয়ার বানানোর পরিকল্পনা করা হয় । স্কুলে / কলেজে সে তাঁর প্রতিভার বিস্ময় দেখাতে শুরু করলেন । বড় বড় ত্রিকোনামিতিক ক্যালকুলাস তিনি খাতা কলম ছাড়াই ব্রেইনে চিন্তা করেই উত্তর বলে দিতেন । সে এতোটাই মেধাবি ছিলেন যে কলেজের শিক্ষকরা তাঁর বিস্ময়কর মেধা দেখে তাঁর বাবাকে চিঠি দিত । Engineering পড়ার সময়ে এক শিক্ষকের সাথে তাঁর কোন একটা বিষয় নিয়ে দ্বিমত হয় । পরে সে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা lab এ কাজ করে প্রমান করেন যে তাঁর ধারনাই সঠিক । এই ঘটনা কলেজে ছড়িয়ে পড়লে তিনি সকলের কাছেই আরও বেশি বিস্ময়কর ছাত্র হয়ে ওঠেন । তখন ও তাঁর বিস্ময়কর আবিস্কার শুরু হয়নি । 1884 সালে Nikola Tesla আমেরিকা পারি জমান । সাথে ছিল ৪ টি কাপর আর শুধু পরিচয় পত্র আর সাথে Thomas Edison কে লিখা একজনের একটা চিঠি যেটা নিকলা টেসলাকে বলা হয়েছিল Thomas Edison কে পৌঁছে দিতে । সেই চিঠিটাতে লিখা ছিল আমি পৃথিবীতে দুইজন জ্ঞানী লোকে চিনি, একটা তুমি (Edison) এবং অপরটি তোমার সামনে দারিয়ে Nikola Tesla AC-DC War (Tesla vs Edison) Edison তাঁর কোম্পানিতে Nikola Tesla কে নিয়োগ করেন এবং ডিসি জেনারেটর পুনরায় ডিজাইন করার জন্য তাঁকে $50000 দেবেন বলে ঘোষণা দেন । Nikola Tesla প্রচণ্ড পরিশ্রম করে সফল হন । কিন্তু Edison, Nikola Tesla কে কোন টাকাই দেননি এবং বলেন "It's a Joke" এর মাঝেই Nikola Tesla আবিস্কার করেন সব থেকে বিস্ময়কর আবিষ্কার যা সারা পৃথিবীকে বদলে দিয়েছিল । আর সেটি হল AC বিদ্যুৎ বা Alternating Current . Edison এর DC বিদ্যুৎ দিয়ে মানুষ শুধু আলো পাবার চিন্তা করত । কিন্তু Nikola Tesla এর আবিষ্কৃত AC দিয়ে সব কিছু করা সম্ভব এটা মানুষ বুঝতে পারে । Nikola Tesla এডিসনকে DC এর পরিবর্তে AC ব্যবহার করতে বলেন । এতে এডিসন ক্রিপ্ত হন । এবং টেসলা তাঁর কোম্পানি থেকে আলাদা হয়ে Tesla Electric Company নামে নতুন একটি Company প্রতিষ্ঠা করেন । এসি বিদ্যুতের খুব শিগ্রই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে । কারন এসি ছিল অত্যন্ত পাওয়ারফুল এবং কম খরচে পাওয়া যেত । এবং শিল্প কারখানার কাজেও একমাত্র ব্যবহার উপযোগী । এদিকে Edison এর ডিসি বিদ্যুতে বাবসা প্রায় শেষ । এডিসন নিকোলা টেসলাকে থামাতে স্থায়ীয়ও বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে কুকুর, বিড়াল চুরি করে রাস্তায় রাস্তায় ক্যাম্প বানিয়ে সেগুলো কে AC বিদ্যুতে শক দিয়ে জন সম্মুখে হত্যা করে মানুষের মনে ভয় সৃষ্টি করতে লাগলেন । একজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকেও AC দিয়ে হত্যা করার জন্য প্রশাসনকে বোঝান । এই ঘটনা গুলো ঘটিয়ে মানুষের মনে ত্রাস সৃষ্টি করে এডিসন নিকোলা টেসলার কোম্পানিকে চরমভাবে আর্থিক বিপর্যয়ে ফেলে এবং একসময় নিকোলা টেসলা এসি বিদ্যুতের প্যাটেন্ট বিক্রি করে দেন । প্যাটেন্ট বিক্রির $60000 দিয়ে তিনি নতুন নতুন আবিস্কারের পেছনে কাজে লাগান । কিন্তু মানুষ পরবর্তীতে ঠিকই এসি বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারে । এবং পুরা শহরে AC বিদ্যুতের জন্য একটি কোম্পানি এডিসনের বিদ্যুৎ কোম্পানিকে বরাদ্দ করে । এটি ছিল এডিসনের জন্য চরম লজ্জাজনক । তিনি করবেন না বলে জানিয়ে দেন । সেই জন্য এডিসনের কোম্পানির অন্যান্য শেয়ার হোল্ডাররা এডিসনের কোম্পানি থেকে এডিসনকেই বের করে দেয়। মানব কল্যাণে Nikola Tesla এর যুগান্তরকারী আবিষ্কার গুলো : 300 এর বেশি আবিস্কারের প্যাটেন্ট ছিল এই মহান বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার । এছাড়াও অনেক আবিস্কারের প্যাটেন্টই গ্রহন করেননি । আর অনেক আবিষ্কারের আইডিয়া চুরি করে অনান্য বিজ্ঞানীরা নিজের বলে চালিয়েছিল । নিকোলা টেসলার একমাত্র বিজ্ঞানী ছিলেন যিনি যা চিন্তা করতে তাই ই তৈরি করে দেখাতেন । আবিষ্কারই ছিল তাঁর নেশা । 1. AC Electricity : এই সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে । এসি বিদ্যুৎ আবিষ্কার না হলে আমরা অন্ধকার পৃথিবীতেই থাকতাম । আর পৃথিবীতে এত শিল্প বিপ্লব হত না । 2.Radio : মারকনির রেডিও আবিস্কারের কয়েক বছর আগেই নিকোলা টেসলা রেডিও আবিষ্কার করেছিলেন । এবং রেডিও তরঙ্গও তাঁর গবেষণার কাজেও ব্যবহার করেছিলেন । 1943 সালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট সত্যটা জানার পরে মারকনির রেডিও প্যাটেন্ট বাতিল ঘোষণা করে নিকলা টেসলাকে রেডিও আবিষ্কারক হিসাবে ঘোষণা করে । কিন্তু একবছর পর প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় মারকনি প্যাটেন্টটি নিজের নামে বহাল রাখতে সক্ষম হয়েছিল । 3. Remote, Robot and Guided Missile System : নিকোলা টেসলা রিমোটে প্রযুক্তি এর জনক ছিলেন । তিনি একটি খেলনা নৌকাকে দুর নিয়ন্ত্রিত ভাবে চালাতে গিয়ে একসাথে ৩ টি আবিষ্কার করে ফেলেন । ১. পৃথিবীর সর্বপ্রথম রিমোট , ২.পৃথিবীর সর্বপ্রথম রোবট ৩.পৃথিবীর সর্বপ্রথম গাইডেড মিসাইল সিস্টেম । 4. Wireless Electricity : নিকোলা টেসলা এমন একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন , কোন তাঁর ছাড়াই বিদ্যুৎ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে পাঠাতে যেত । তিনি তখনকর সময়ে একজন নামকরা বাবসায়ীর থেকে ফান্ড নিয়ে তৈরি করে 187 ফুট উঁচু একটি Tesla Tower যেখান থেকে তাঁর ছাড়াই বিদ্যুৎ পাঠানো যাবে । এবং তিনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে সারা পৃথিবীকে বিদ্যুৎ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন । তিনি পুরা পৃথিবীকেই একটা conductor হিসাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন । এবং সার্থকও হয়েছিলেন । কিন্তু প্রোজেক্টির কাজ শেষ হবার আগেই বিনিয়োগ কারীরা হঠাৎ করেই টাকার জোগান দেয়া বন্ধ করে দেয় । কারন বিদ্যুৎ কোম্পানি গুলো ভয়ে ছিল যদি সারা পৃথিবীতে ফ্রিতে বিদ্যুৎ দেয়া হত অনেক কোম্পানিই দেউলিয়া হয়ে যেত । আবিষ্কারটি হারিয়ে গেছে । না হলে আজ আমরা তাঁর ছাড়াই ফ্রিতে বিদ্যুৎ পেতাম । 5.Induction Motor : শিল্প ক্ষেত্রে Induction Motor এর ভুমিকা কেমন সেটা আর নতুন করে বলার কিছু নাই । 6.Tesla Coil : বর্তমান যুগের Wifi technology মূলত টেসলার এসব আবিষ্কার থেকেই বিবর্তিত হয়ে এসেছে । তাঁর আবিষ্কার সম্পর্কে লিখে শেষ করতে পারব না । আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার যেমন : 7.Violet Ray 8.TeleForce 9.Neon Lamp 10. Wireless Telegraphy 11. Three phase Electric power 12.Tesla Turbine 13.Tesla valve 14.Vacume Variable Capacitor 15.shadowgraph 16. Free Energy *** 17. Tesla Experimental 18. Tesla's Columbus 19. Resonant inductive coupling 20 .Polyphase system 21. Rotating magnetic field 22. Radio control 23. Plasma globe 30. Violet rayp 25. Carbon button lamp 26. Telegeodynamics 27.Teleoperation 28. Torpedo 29. Vacuum variable capacitor 30. VTOL আরও অনেক অনেক আবিষ্কার ...... যা এই পোস্টে বলে শেষ করা যাবে না । কিছু জিনিসের আবিষ্কার মূলত Nikola Tesla ই করেছিলেন । কিন্তু আবিস্কারক হিসাবে তাঁর ক্রেডিট নাই এবং কিছু আবিষ্কার নাক্কার জনক ভাবে কিছু বিজ্ঞানী চুরি করে নিজের নামে করেছিলেন । 1.Radio 2. X-ray 3.Hidro Electric Power 4.Rader System ইতাদি ইতাদি ...... এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিস্কারের অনেক আগেই নাকি নিকোলা টেসলা ল্যাবে বাল্ব জালিয়ে কাজ করতেন । Nikola Tesla এর কয়টি অতি বিস্ময়কর এবং ভয়ঙ্কার আবিষ্কার Nikola Tesla এর কিছু আবিষ্কার ছিল যে গুলো পৃথিবী ধংসের ক্ষমতা রাখতে পারতো । কিন্তু মানব কল্যাণের স্বার্থে তিনি নিজের হাতেই তৈরি করেই টা নষ্ট করেছিলেন । আর কয়টি আবিষ্কার তিনি অর্থাভাবে করতে পারেন নি । 1. Earthquake Machine : 1893 সালে নিকোলা টেসলা এমন একটি মেশিন তৈরি করেন যা দিয়ে বড় মাত্রার ভুমিকম্প তৈরি করে ফেলেছিলেন । এটি মূলত ছিল একটি Oscillator । যার নাম দিয়েছিলেন Tesla Oscillator. এবং তিনি অনুভব করেছিলেন তাঁর যন্ত্রটিকে যদি খুব বড় পরিসরে তৈরি করা হয় পুরা পৃথিবীতে ভুমিকম্প সৃষ্টি করা যেতে পারে । মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে তিনি নিজের হাতে হাতুরি দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছিলেন । এবং আবিষ্কারটিও হারিয়ে যায় । 2.Artificial Tidal Wave : সমুদ্রে বিশাল ক্রিত্তিম ঢেউ তৈরির প্রযুক্তি আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন যা সুনামি তৈরি করতে সক্ষম ছিল এবং যা দিয়ে শত্রু পক্ষের জাহাজকে সেই ঢেউতে ডুবিয়ে দিতে পারতো । 3. Thought Camera : নিকোলা টেসলা সেই সময়েই এমন একটি ক্যামেরা তৈরির কথা বলেছিলেন যা মানুষের চিন্তা শক্তি থেকে ডাটাতে কনভার্ট করে সেই গুলোকে দেখা যাবে একটি স্ক্রিনে, এমন একটি প্রোজেক্ট । কিন্তু তিনি আর্থিক কারনে প্রোজেক্ট করতে পারেননি । সম্ভব হলে মানুষের কোন কিছুই আর গোপন থাকতো না । 4.Electric-Powered Supersonic Airship : তিনি এমন একটি Airship এর কথা বলেন যার গতি হবে এতই বেশি মাত্র ৩ ঘণ্টায় New York City এ যেতে London পারবে । কিন্তু এই আবিষ্কারটির সমস্ত মডেল , ডকুমেন্ট মৃত্যুর পরে হারিয়ে যায় । 5.Philadelphia Experiment / Project Rainbow / teleportation এটি ছিল Warld War 2 এর সময়ের একটি প্রোজেক্ট । আমেরিকার নৌবাহিনী জাহাজ অদৃশ্য করে শত্রু বাহিনীর চোখ ফাকি দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই প্রোজেক্ট এর দায়িক্ত দেয়া হয়েছিলো নিকোলা টেসলাকে । সেই প্রোজেক্ট এ নিকোলা টেসলার অধীনে আলবার্ট আইন স্টাইনকেও টিম মেম্বার করা । নিকোলা টেসলা ছোট একটি boat এর ক্ষেত্রে সার্থক হয়েছিলেন । নিকোলা পুরোপুরি অদৃশ্য করে ফেলেন সেটিকে । কিন্তু এই পরীক্ষাটি করে সফল হওয়ার পর কিছু ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর নিকোলা টেসলা প্রোজেক্ট থেকে অব্যাহতি নেন এনং তিনি নিষেধ করেছিলেন আইনস্টাইন সহ বাকি যে মেম্বরদেরকে যাতে এই বড় জাহাজ এর ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাটি না করা হয় । কিন্তু তাঁর পরেও পরীক্ষাটি করা হয়েছিলো জাহাজে কয়েকজন স্ক্রুসহ । পরে জাহাজটি অদৃশ্য হয়েছিল ঠিকই কিন্তু জাহাজে অবস্থিত স্ক্রুদের বিগলিত লাশ, কেউ কেউ মানুষিক ভারসাম্যহীন , এবং কাউকে জাহাজের দেয়ালে অর্ধেক শরীর ঢুকে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায় । নিকোলা টেসলা কিন্তু আগে থেকেই এর ভয়াবহতা কল্পনা করেছিলেন । 6.Anti Gravity Flying Matching : ১৯১১ সালে New York এর একটি মাগাজিনকে বলেন নিকোলা টেসলা আরও একটি Flying Matching নিয়ে কাজ করছিলেন যেটি দেখতে (UFO) এর মত হবে এবং যেকোন দিকে যেকোন গতিতে ছুটতে পারবে ।এটি আকাশে ওড়ার সময় গ্রাভিটি শুন্য হয়ে পড়বে । এবং বাতাসে স্থির অবস্থায় রাখা যাবে । কিন্তু এই মেশিনটিতে না থাকবে কোন পাখা না থাকবে কোন উইংস । 7.Time Matchine : নিকোলা টেসলা একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি time machine নিয়ে কাজ করেছিলেন সবার প্রথম । অনেকেই মনে করেন তিনি টাইম মেশিন তৈরি করে ফেলেছিলেন ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ⭐সাড়া জাগানো যুগান্তকারী আবিষ্কারের জনক নিকোলা টেসলা⭐
→ পৃথিবীর অন্যতম সেরা ইঞ্জিনিয়ার “নিকোলা টেসলা”.

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now