বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সম্ভবত এটাই পৃথিবীর শেষ শতক! আপনি প্রস্তুত তো!√

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তানিইইইইইম (০ পয়েন্ট)

X সর্বাগ্রে মনে রাখবেন যে, মানুষ যেদিন মারা যাবে তার জন্য সেদিনই কেয়ামত,সেদিনটিই তার জন্য মহাপ্রলয়। সে অর্থে কেয়ামত কিন্তু আমাদের একেবারে নাকের ডগায়। ♥ এইবার আসি আক্ষরিক কেয়ামত প্রসঙ্গে।এসব নিয়ে যুগে যুগে অনেক ইসলামিক চিন্তাবিদ ব্যাপক গবেষনা করেছেন,এখনো থেমে নেই তাদের সেই গবেষনা। জ্ঞান বিজ্ঞানের এই চরম উৎকর্ষতার যুগে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হাজার হাজার ইনফরমেশনকে এখন খুব সহজেই এক জায়গায় এনে বিচার বিশ্লেষন করা যায়।যে কোন সিদ্ধান্তে অনেক নিখুত ভাবে পৌছানো, আগের যে কোন সময়ের চেয়ে এখন অনেক সহজ। কেয়ামত নিয়ে যত হাদীস আছে সেগুলোকে বিশ্লেষন করে বর্তমান বিশ্ব ব্যাবস্থার সাথে মিলালে এবং দৃষ্টিকে যদি কোরান হাদীসের চোখ দিয়ে ১০০ বছর দূরে নিক্ষেপ করতে পারা যায়, তাহলে দেখব পৃথিবী আর নাই। #(আল্লাহু আলম)জংগে সিফফিন,,হেজাজের আগুন সহ এই রকম বেশ কিছু আলামত শত শত বছর আগেই প্রকাশ পেয়ে গেছে।♠ বর্তমান যুগে আমরা সম্ভবত কেয়ামতের ২য় স্থরের সিমটম গুলোর একদম শেষ পর্যায়ে আছি।আর এটা শেষ হলেই শুরু হয়ে যাবে কেয়ামতের সবচেয়ে বড় বড় আলামত গুলো। আমরা যদি হাদীস বর্ণিত এ ধরনের কিছু সিমটমগুলোর দিকে একটু দৃষ্টি দেই তাহলে ব্যাপারটা আরো সহযেই বুঝতে পারব। ♣ সিমটমগুলো হলো—— × √দীনের উপর অটল থাকা হাতে জলন্ত কয়লা রাখার মত কষ্টকর হবে।/ ইতরশ্রেনীর লোকেরাই (যার বাবাও ইতর ছিল) দুনিয়াতে ভাগ্যবান হবে। গোত্র ও জাতীয় লিডার হবে মুনাফিক, ফাসিক ও নিচু শ্রেনীর লোক। ♠ গান বাদ্য বেড়ে যাবে,মিউজিক সরঞ্জাম মানুষের কানে চলে আসবে((আশ্চর্য!!হেড ফোনে গান শুনা কমন ব্যাপার),পুলিশ অধিক হারে বৃদ্ধি পাবে। যারা জালিমের হাতকে শক্তিশালী করবে। ♠অযোগ্যরা বড় বড় পদ পদবীর অধিকারী হবে।অল্প বয়সী ধনকুবের দেখা যাবে, ( মার্ক জুকার বার্গ ২৬বছরে বিলিওনারী) / লেখা লেখির প্রচলন বেড়ে যাবে ব্যাপক হারে। তবে তা হবে দুনিয়ার উদ্দেশ্যে। ♠ মা-বাবার সাথে নাফরমানী করবে করে স্ত্রীর আনুগত্য করবে। / ব্যপক হারে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনা গঠবে। রিয়া(লোক দেখানো) ও গৌরবের বশবর্তী হয়ে প্রতিযোগিতা মূলক বড় বড় অট্রালিকা নির্মান করবে। ♣ / সুদের নাম ক্রয় বিক্রয়, মুনাফা, ঘুষের নাম উপহার উপটোকন ইত্যাদি রেখে এগুলোকে হালাল মনে করা হবে। ♣ জারজ সন্তান বৃদ্ধি পাবে। ♣হঠাৎ মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাবে। ♣ নারীরা কাপড় পরবে। কিন্তু পাতলা ও অতি আট-সাঁট হওয়ার দরুন মনে হবে উলঙ্গ। ♣ সমকামিতা বেড়ে যাবে/আত্নহত্যা বাড়বে। রাসুলুল্লাহ (সা) এ গুলোর সংবাদ এমন সময় দিয়েছিলেন যখন এগুলোর কল্পনাও অসম্ভব ছিল। বলা হচ্ছে যখন এসব লক্ষনগুলো প্রতিফলিত হবে তখনই শুরু হবে কিয়ামতের বড় বড় আলামত।আর তা একের পর প্রকাশ হতে থাকবে। আমরা কেয়ামতের ২য় স্থরের শেষ ভাগে আছি,,,এ কথা কেন বলছি?–তার অন্যতম কারণ হল উপরের সকল সিমটম বর্তমানে প্রকট ভাবে দেখা যাচ্ছে এবং বিশ্বপরিস্থিতি ঠিক যেন ইমাম মেহেদী আসার আগমুহূর্তে এসে ঠেকেছে।ইমাম মেহেদী আসার আগে হাদীস বর্ণিত গাজওয়ায়ে হিন্দ অর্থাৎ হিন্দুত্ত্ববাদী ভারতের সাথে ভারতের নির্যাতিত মুসলিম বাংলাদেশ এবং পাকিস্থানের মুসলিমদের প্রচন্ড এক যুদ্ধ হবে, যে যুদ্ধে মুসলিমরা বিজয় লাভ করবে এবং ভারতে খন্ড বিখন্ড হয়ে মুসলিমদের পদানত হবে।ভারতে এখন হিন্দুত্ত্ববাদী শক্তি প্রচন্ড উগ্রতা নিয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।কাশ্মিরে এদের নির্যাতন সকল লিমিট ক্রস করেছে।বাংলাদেশের মানুষও ভারতের আগ্রাসী মনোভাবে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে। অপর দিকে হাদীস বর্ণিত, সিরিয়াতেও ৩য় বিশ্বযুদ্ধের প্লট তৈরী হয়ে আছে।শ্যাম বা সিরিয়া হল হাশরের ময়দান নশরেরও ময়দান।রাশিয়া,চীন,ইরান,ইসরাইল,সিরিয়ার বাশার আল আসাদ এক পক্ষ।আমেরিকা,ইউরোপ,সৌদি আরব সহ বাদবাকী মুসলিম জাহান আরেক পক্ষ।সম্ভবত এটাকেই সহীহ মুসলিমের হাদীস অনুসারে বলা হচ্ছে রুম অর্থাৎ শেতাংগ অর্থাৎ ইউরোপ-আমেরিকা এই দুই মহাদেশের তোমরা মুসলিমরা একটা নিরাপদ সন্ধি চুক্তি করবা,তোমরা এই ত্রিশক্তি মিলে অন্য এক শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবা।আল্লাহই ভাল জানেন তবে অবস্থা বলছে এটাই সেই মহা যুদ্ধের কথা।এটা সত্য হয়ে গেলে হয়ত আগামী ১৫/২০ বছরের মধ্যেই ইমাম মেহেদী চলে আসবেন আর তারও ৭/৮বছরের মাথায় ঈসা(আ)এসে যাবেন। লক্ষ করুন বেশ কয়েক বছর ধরেই আমরা একটা কথা বলে আসছি বছরটা কেমনে কেমনে যেন চলে গেল।এই সেদিন যেন রোজা গেল এখন কাল থেকে আবার শুরু হবে।কেয়ামতের আগে এমনটাই হবে বছর যাবে মাসের মত,মাস মনে হবে সপ্তাহের মত চলে গেছে,সপ্তাহ যেতে মনে হবে ১দিনের মত, ((দিন মনে হবে মুহুর্তের মধ্যে চলে গেছে।দিন কি কিভাবে মুহুর্তের ভেতর চলে যায়,ফেসবুক যারা চালান, তারা ভাল বলতে পারবেন।)) ১বছর যেতে যদি ১ মাস মনে হয় তাহলে ১০০ বছর যেতে ১০০ মাস। ১০০মাসকে বছরের কনভার্ট করলে ৮ বছর অর্থাৎ আমরা ধরে নিতে পারি এখন সব কিছুই এত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে যে আগামী ৮/১০ বছরে পৃথিবীতে ১০০ বছরের পরিবর্তন হয়ে যাবে।আমরা দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে। অনেকে হয়ত তথ্যটা জানেন না কিন্তু জেনে অবাক হবেন যে, আমরা এখন যে পৃথিবীতে বাস করিছি,তার শেষ ঘন্টা কিন্তু শুরু হয়ে গেছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই। রাসুল(সা)বলেছেন”শেষ মুহুর্ত অর্থাৎ কেয়াময়ের মৃদু বাতাস যখন শুরু হয়েছে, তখন আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে”।তার মানে আমরা পৃথিবীর একদম শেষমুহুর্তের বাসিন্দা।পৃথিবীর বয়স ৪৩০কোটি বছর। এতদিন ধরে টিকে থাকা একটা জগত ধংস হতে মিনিমাম হাজার বছরতো সময় লাগবে।সেটিই এখন আমরা অতিক্রান্ত করছি।পৃথিবীতে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ভুমিকম্প হচ্ছে।এমনটা কেয়ামতের আগেই ঘটার কথা বলা হয়েছে।আরব ভুমিতে এখন সবুজ শ্যামল,উচু উচু ভবনের অসাধারন সব নগর সেখানে গড়ে উঠেছে।১৪০০আগে এসব চিন্তার বাইরে থাকলেও হাদীসে বলা আছে কেয়ামতের আগে এমন চিত্রই হবে।কেয়ামতের আগে বিশ্বের যে ভৌগলিক পরিবর্তনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তার শতভাগ এখন বর্তমান।পৃথিবীতে অনেকগুলো স্ট্ররয়েড হিট জোন আছে যা দিয়ে অনায়াসেই শনি আর মংগল গ্রহের বেল্টে যে পাহাড় সম পাথর গুলো ভেসে বেরাচ্ছে তা যে কোন পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পাড়ে।কেয়ামতের আগে পৃথিবীতে অনাচার বেড়ে গেলে এভাবেই পাথর মেরে অনেক জনপদ ধংস করে দেয়ার বর্ণনা আছে।পৃথিবীর আহ্নিক গতি কমে যাচ্ছে।নাসা বলছে হঠাত করে পৃথিবীর আহ্নিক গতি উলটা ঘুরান দিতে পারে,আর উলটা ঘুরলেই সুর্য্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে। নাসার গোপন তথ্যে উন্নত বিশ্বে ওড়াইন মহাকাশ যান তৈরীর জোড়তোড় শুরু হয়ে গেছে।পার সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কি:মি:গতিতে ছুটতে পারবে এমন যানের নকশা তৈরী হয়ে আছে।২০৫০ সালের ভিতরে এ মহাকাশে স্যাটেলাইট বিশ্ব তৈরীর কাজও পুর্ণদমে এগিয়ে যাচ্ছে।পৃথিবী ধংস হওয়া শুরু করলে মানুষ কি করবে তা নিয়ে হলিউডে সিনেমাও নির্মিত হয়ে গেছে।উন্নত বিশ্ব গুলো লাখ লাখ সিলেক্টেড লোক নিয়ে পৃথিবী ছেড়ে পালাবার বহু ছক কষে রাখছে।নিউ ওয়াল্ড ওয়ার্ডার নিয়ে গোপনে অনেক কাজ হচ্ছে।আর এই সবগুলো নিদর্শনই বলছে,,,পৃথিবীকে এখন আমাদের গুড বাই জানাবার সময় হয়ে গেছে।সারা জীবিন ধরে যে আখেরাতের কথা আমরা শুনে আসছি, তা এখন আমাদের একদম কাছাকাছি চলে এসছে। আমাদেরকে প্রস্তুতি নিতে হবে! আমরা যদি আটলান্টিক মহা সাগরের সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও যদি বলি,, –কই সাগর তো দেখছি না?তাহলে ব্যাপারটা সত্যিই খুব দু:খ জনক হবে।আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্যকে উপলব্ধি করার তৌফিক দান করুন। WRITER: Zakir Bin Abdul Malek! #COLLECTED


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now