বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রনি ইসরাতের বাড়িতে বাক্যের প্রস্তাব দিলো।ইসরাতের বাবা মার সবাই রনিকে পছন্দ হলো।আবার রনির বাড়ির সবাই ইসরাতকে পছন্দ করলো।কিন্তু এখন যদি হ্যা বলে বিয়ে হবে।ইসরাতের সাথে রনির দেখা হলো।রনি বলল"এই তুমি তো বললে না আমাকে বিয়ে করতে রাজি নাকি না।তোমার বাবা মা পরিবারের সবার রাজি।আমার বাবা মা সবাই রাজি।খালি তুমি হ্যা বলবে আর হয়ে যাবে।"
ইসরাত কিছু বলছে না।রনি বলল,"কি হলো?কিছু তো বলো।"
ইসরাত কিছু না বলে চলে গেলো।
দেখতে দেখতে নীরবের বিয়ের দিন চলে এলো।ইসরাত রিফাহও ছিলো বিয়েতে।ইসরাত ফুল ঝুড়িতে করে ফুলের পাপড়ি নিয়ে যাচ্ছিল।এদিকে রনি ফোন টিপতে টিপতে যাচ্ছে।ইসরাত একটা জিনিস দেখছিল আর যাচ্ছিল।রনির সাথে ধাক্কা লাগলো।ধাক্কা লেগে ইসরাত পড়ে যাচ্ছিল আর রনি ইসরাতকে ধরে ফেললো।তখন রনির হাত থেকে ফোন পড়ে গেলো আর ইসরাতের হাত ফসকে ঝুড়ি উপরে গাছের সাথে আটকে গেলো আর সবগুলো পাপড়ি তাদের ওপর পড়ে গেলো।রনি ইসরাতের দিকে তাকিয়ে আছে আর ইসরাত রনির দিকে।এভাবে এক মিনিট গেলো।ইসরাত বলল"কি হলো?ছেড়ে দাও।রনিইইইই,এই রনি।"
রনির এতক্ষনে খেয়াল আসলো।রনি ইসরাতকে ছেড়ে দিয়ে ফোন তুললো।তারপর চলে গেল।ইসরাত দেখলো সবগুলো ফুল নিচে পড়ে আছে।ওপরে তাকিয়ে দেখে ঝুড়িটা গাছের সাথে আটকে আছে।ইসরাত রিফাহর কাছে গিয়ে বসলো।রিফাহ সবই দেখেছে।রিফাহ বলল,"হুমম কি চলছে হ্যাঁ?"
"কি বলিস কি?"
"ঐযে তুই পড়ে গেলি আর রনি তোকে ধরলো আর সবগুলো ফুলের পাপড়ি তোদের দিকে ।হিহিহিহি কি সুন্দর।"
"তুইইও না।ফুল এখন আবার আনতে হবে।"
কিছুক্ষন পর ইসরাত আর কয়েকটা মেয়ে কানামাছি খেলছে।ইসরাতের চোখ বাঁধা।রনি ফোন টিপতে টিপতে তাদের মাঝে গেলো।রনি খেয়াল করেনি তাদের মাঝে গেছে।এদিকে ইসরাতের চোখ বাঁধা।সে কেমনে দেখবে সামনে কে?ইসরাত মেয়ে ভেবে রনিকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো।কিন্তু ইসরাত ভাবতে লাগলো"একি এটা তো মনে হচ্ছে ছেলেকে ধরেছি।"
রনি ভাবতে লাগলো"কে আমাকে জড়িয়ে ঘরলো?কার এত বড় সাহস আমাকে জড়িয়ে ধরে?"
ইসরাতকে ছেড়ে দিলো।রনি পিছনে তাকিয়ে দেখলো ইসরাত।মনে মনে ভাবল"ওহ ইসরাত।সমস্যা নাই।আমাকে জড়িয়ে ধরার তার অধিকার তো আছেই।"
ইসরাত চোখ খুলে দেখলো রনি।বলল,"ওহ তুমি।"
"হুমম আমি।"
"তাই বলি লোহার মতো গা কার।"
"কি আমার গা লোহার মতো?"
"না মানে ছেলেদের গা একটু শক্ত তো তাই বললাম লোহার মতো।তা তুমি এখানে কেন?দেখছো না আমরা খেলছি?"
"আমি তো দেখিনি।ফোন টিপছিলাম।"
"হ্যা ওই ফোন টিপার জন্যই তখন ধাক্কা লেগেছিল।আর এখন জড়িয়ে ধরেছিলাম।"
"হুমম একেই তো বলে রোমান্টিক মুহূর্ত।"
রনি একরাশ হাসি দিয়ে চলে গেল।ইসরাত আস্তে আস্তে বলল,"হাহ রোমান্টিক মুহূর্ত।"
এবার শান্তর বউয়ের পালা।শান্ত ভাবলো "আমিও যাই রনির মতো।তাহলে আমার বউও আমাকে জড়িয়ে ধরবে।"
শান্তও ফোন টিপতে টিপতে গেলো।কিন্তু একি হলো কোথায় রোমান্টিক ঘটনা ঘটবে তা না শান্তর বউ শান্তর সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেলো।শান্ত তার বউকে ধরে তুলে বলল,"ব্যাথা পেয়েছো?সরি আমি দেখিনি।"
শান্তর বউ চোখ খুলে বলল,"তুমিও রনি ভাইয়ের মতো ফোন টিপছিলে?একটু খেয়াল করতে পারো না?"
"বললাম তো সরি।"
নীরবের বিয়ে হয়ে গেলো।ইসরাত পার্কে বসে আছে।রনি পাশে এসে বসলো।বলল,"এই শোনো।"
"হুমম।"
"তুমি কি সেদিনের জন্য এখনো রাগ করে আছো?"
"না তো।কেন?"
"না এমনি।"
"ওহ।"
"শোনো।"
"হ্যা বলো।"
"সেদিন যে ভাবতে ভাবতে বিছানা থেকে পড়ে গেসিলাম সেদিনই তো তোমার সাথে প্রথম দেখা হয়।তোমাকে সেদিন থেকেই ভালো লাগে।সেদিন তোমার কথা ভাবতে ভাবতে পড়ে গেছিলাম।তারপরেও ভাবনা শেষ হয় আয়নার দিকে তাকিয়ে দেখি রক্ত ঝরছে।তারপর ভাবনার ঘোর কেটে যায়।"
এই কথা ইসরাতের খুব হাসি পেলো।ইসরাত হাসতে লাগলো।রনি বলল"প্লিজ হেসো না।আমি তোমাকে সত্যিই ভালোবাসি।"
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now