বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার স্বপ্নের গল্পে তুমি(পর্ব১)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Ifat Eva (০ পয়েন্ট)

X ইসরাত ফোন টিপছে।তার রুমমেট রেডি হচ্ছে কোথাও যাবে। "এই রিফাহ কোথায় যাচ্ছিস?" "তোর শুশুরবাড়ি হিহিহিহ।" "এমনি একটা বলিস নাতো।কোথায় যাচ্ছিস?" "একটা ভাইয়ার সাথে দেখা করতে।আমার খালাতো ভাই।" "ওহ।" "এই শোন ইসরাত তুই চল।" ইসরাত রিফাহর দিকে তাকিয়ে বলল"নারে।" "তোর কোনো কাজ আছে নাকি নাকি কোথাও যাবি।" "না সেসব কিছু না।" "তাহলে চল প্লিজ প্লিজ।না করিস না।" "ঠিক আছে তাহলে আমিও রেডি হই।" ইসরাত ফোন রেখে দিল। "এই ইসরাত" "হুমম তোর ওই সুন্দর নীল জামা পড়বি।" "ঠিক আছে।" "শোন ওড়না সুন্দরভাবে নিবি।আর শোন চুরি পড়বি।" ইসরাত কাপড় বের করতে করতে বলল"ঠিক আছে।" "এই শোন তোর যে এত্ত বড় আর এত্ত লম্বা চুল তাতে চুল না বেঁধে ছেড়ে দিয়ে যাস।ভালো লাগবে।" "এই আমি কি স্বামীর কাছে যাচ্ছি যে এত কিছু করতে বলিস।" "বাহরে এসব করলে কি হবে?সুন্দর লাগবে খুব।স্নো পাউডার মেকাব করবি?" "স্নো তো দেই না সেটা তুই জানিস না?আর পাউডার মেকাব এসব করে প্লাসিক সুন্দরী হবার ইচ্ছা নাই।ভালো লাগে না ওসব।" "হিহিহি প্লাসিক সুন্দরী হাহাহা।" "হাসিছ কেন?ওসব প্লাসিক সুন্দরী হওয়া একদম পছন্দ না।" "হুমম ইসরাত যে আসলেই সুন্দর সে এমনিতেই সুন্দর।তাকে সাজতে হয় না।" কথা বলতে বলতে ইসরাত রেডি হয়ে গেল।তারা বের হয়ে গেলো।রিকশায় করে যাচ্ছে। "এই রিফাহ তোর ওই ভাই কি তোর ছোট?" 'আরে নাহ আমার চেয়ে তিন বছরের বড়।" "ওহ নাম কি তার?" "রনি।" "রনি!!" "হুমম তোর অতি প্রিয় নাম।" "হুমম।" কিছুক্ষন পর তারা পৌঁছে গেলো।বাড়ির সামনে গেটে দাঁড়িয়ে।গেট খুলছে না কেউ।একটু পর রনি গেট খুললো।রনি গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই চোখের সামনে মেয়েটিকে দেখে অবাক হয়ে গেল।অবাক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে তো তাকিয়ে আছে।যেন অন্যদিকে চোখ ফেরাতে পারছে।রিফাহ মনে মনে ভাবলো,"কাজ মনে হয় হয়ে গেছে।রনি ভাইয়া ইসরাতের দিকে যেভাবে তাকিয়ে আছে তাতে মনে হয় প্রেমে পড়ে গেলো হিহিহিহি।খুব ভালো এই ঘটনার ঘটার জন্য তো এতকিছু করে ইসরাতকে নিয়ে এলাম এখানে।" রিফাহ বলল,"ভাইয়া তুমি কি এভাবে বাইরে আমাদের দাঁড়িয়ে রাখবে নাকি ভেতরে নিয়ে যাবে?" রনি বাস্তবে ফিরে এলো।রিফাহর দিকে তাকিয়ে বলল"হ্যা ভিতরে আয়।" রনি তাদের ভেতরে নিয়ে গেল। "তোরা বস।" রিফাহ বলল"ভাইয়া এ হলো ইসরাত।আমার বান্ধবী আবার রুমমেট।আমরা একই ভার্সিটিতে পড়ি।" "ওহ।" "ইসরাত ভাইয়া কিন্তু সুন্দর চা কফি বানাতে পারে।" ইসরাত বলল,"ওহ।" রিফাহ বলাল,"ভাইয়া ইসরাত কিন্তু চা কফি ভীষন পছন্দ করে।কিন্তু কফির চেয়ে চা বেশি পছন্দ করে।তুমি চা করে আনো।" কিছুক্ষন পর রনি চা নিয়ে এলো।ইসরাত চায়ে চুমুক দিয়ে বলল,"বাহ আপনি তো খুব সুন্দর চা বানাতে পারেন।খুব টেস্টি হয়েছে।" রিফাহ বলল,"ভাইয়া ইসরাতও কিন্তু সুন্দর চা বানাতে পারে।তুমি তার হাতের চা খেলে প্রেমে পড়ে যাবে।" রনি মনে মনে ভাবলো"চা খেয়ে পড়বো?খাওয়ার আগেই মনে হয় ক্রাস খেলাম।এত সুন্দর মুখ।মায়াবিনী চোখ।আর এত্ত লম্বা এত্ত বড় সুন্দর চুল এসব দেখে তো কি যে বলবো।" ইসরাত বলল"না এমন কিছু না।প্রেমে পড়ার মতো না।" রনি বলল,"ওহ।" রিফাহ রনির দিকে তাকিয়ে বলল,"ভাইয়া তোমার সাথে এমনি দেখা করতে এসেছিলাম।চলে যাবো।" "এত তাড়াতাড়ি চলে যাবি!!" "হ্যা ভাইয়া অন্যদিন আবার আসবো।" ইসরাত আর রিফাহ চলে গেল।রনি ভাবতে লাগলো কাকে দেখলাম যে আমি।ভাবতে ভাবতে বিছানায় শুয়ে পড়লো।ভাবতে ভাবতে রনি বিছানা থেকে পড়ে গেল।মাথায় খুব বেশি আঘাত পেলো।কিন্তু তবুও ভাবনা শেষ হয় না।ভাবতে ভাবতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকাতে চিৎকার দিয়ে উঠলো।তার মাথা থেকে রক্ত ঝরছে।রক্তাক্ত মাথা দেখেই চিৎকার দিলো।তার চিৎকারে মা বাবা সবাই এ রুমে আসলো।রনিকে দেখে তার মা বলল,"কিরে রনি তোর মাথা ফেটে গেলো কেমন করে?মাথা থেকে তো রক্ত বের হচ্ছে।"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now