বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আসসালামু আলাইকুম।
গল্প:- জিজেতে আমার প্রিয় কয়েকজন।
জিজেতে আসার পর আমি অনেক বড় ছোট আপু ভাইয়াদের পেয়েছি। পেয়েছি অনেক সমবয়সীদেরও। এর ভিতর থেকে আমার প্রিয় কয়েকজনকে উল্লেখ করবো।
১/ সাবিরা:- ওর আমার জিজেতে আসার তফাৎ এক সপ্তাহ। এই মেয়েটি ভারী মিশুক এবং শান্তিপ্রিয়। ও আমাকে বলে ছোট ভাইয়া। বড় ভাইয়া বলে হৃদয় ভাইকে। ও আমার সাথে অনেক সময় অনেক কথাও শেয়ার করে। এককথায় নিজের বড় ভাইয়ের মতোই দেখে☺। আমিও ওকে ছোট বোনের মতোই দেখি।
২/ তানজিন/তাসমিহা:- জিজেতে আসার পর ওর সাথেই প্রথম পরিচয় হয়। মেয়েটা একটা অভিমানের ডিব্বা। খালি অভিমান করে। বিশেষ করে সাবিরার উপরে।। কিন্তু পরে ঠিকও হয়ে যায়। আর এই ঠিক করার কাজটা আমাকেই করতে হয়ওর কাছে আমি মশাখোর, সাদাবাঘ,বাবামানুষ বলে পরিচিতো। অবশ্য আমিও মুড়িখোর বলি। সমবয়সীর ভিতর ওর সাথেই প্রথম পরিচয় হয় আমার।
৩/ সামির:- জিজেতে আসার পর প্রথম ছেলেদের ভিতর ক্লাসমেট যতো আছে তাদের ভিতর সর্বপ্রথম পরিচয় হয় সামিরের সাথে। ছেলেটা মোটামোটি ভালোই মিশুক। ওর সাথে প্রথমে কথা বলতেও তেমন দ্বিধাবোধ করিনি। এক কথায় ও জিজেতে যারা প্রথম আসে তাদের জিজের সাথে মানিয়ে নিতে পারে।
৪/ নূরনবি ভাই:- তানজিনের গল্প থেকে এই ভাইয়ের কথা স্বরন হয়েছে। আমার জিজেতে আসার পর বড় ভাইয়া হিসেবে নুরনবি ভাইয়ের সাথেই প্রথম ফ্রিলি কথা বলতে পেরেছি। ওনি বেশ মিশুক।আর ছোটদের সাথে অনায়াসে মিশতে পারেন। নুর ভাই এখন আসছে না। কিন্তু আশা করি তিনি শীঘ্রই ফিরে আসবেন✊
৫/ তুবা/টুবা আপু:- আমার কাছে উনি টুবা আপু বলে পরিচিত☺। খুব সুন্দর গল্প লেখেন। টুবা আপুও ভালোই মিশুকে। কিন্ত কোন কিছু জিজ্ঞেস করলে অনেক পরে উত্তর পাওয়া যায় । আর হ্যা উনি আমাদের এলাকার(বরিশাল জেলার) মানুষ। তাই টুবা আপুর সাথে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
৬/ আনিছুর লিখন ভাই:- এই ভাই আমার কাছে অত্যন্ত বিনয়ী, ধৈর্যশীল হিসেবে গন্য। ওনি এবং ওনার পরিবাররা আর্থিক ভাবে ক্ষতির মুখে পড়েও যেভাবে ভাগ্যকে(তকদিরকে) মেনে নিয়ে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন সেটা অবশ্যই অনুকরনীয়। এই মাসে তাকে তেমন একটা দেখিনি। হয়তোবা ব্যস্ত আছেন। আশা করি শীঘ্রই ফিরে আসবেন আর হ্যা ওনার একটা কল্পনার(মনে হয়) প্রেমিকা আছে নাম অপরাজিতা☀।
৭/রনি ভাই:- রনি ভাইকে দাদু, মানবতার দাদা বলে। কিন্তু কেন বলে সেটা জানি না। কেউ জানলে জানিয়ে দেবেন। রনি ভাই খুব বিনয়ী। তার ইসলামিক তর্ক বিতর্ক নিয়ে লেখা গল্প গুলো অসাধারন লাগে। তিনি এককথায় অলরাউন্ডার। মানে তিনি গল্প লেখেন, গল্প পড়েন,আবার আড্ডাও দেন। সবচেয়ে পছন্দের ইমুজি হলো ⬅ আর এইটা➡
৮/ মফিজুল:- জিজেতে আমার ছোট দের ভিতর বেশি প্রিয় মফি। ছেলেটা খুব মিশুক, রসিক, এবং সাহায্যকারি। মানে ও নতুন জিজেস দের সাহায্য করে।। এর একটা বন্ধু আছে যার সাথে দিনে একবার ঝগড়া হবেই ফরজ। সেভেনে পড়া এই ছেলেটি আমাকে খালু বলে।কিন্তু কোন দিক দিয়ে যে আমি ওর খালু সেটা রহস্য। আমি ওকে মফি ডাকিlove:
৯/সুস্মিতা:- এই বালিকার সাথে আমার পরিচয় জিজেতে আসার পরই। কিন্তু ওকে প্রথমে আমি বড় ভাবতাম আমার চেয়ে। কেন জানিনা। ভালো গল্প লিখে কিন্তু সব ডিলিট করে দিছে। আমি ওকে সুস্মি ডাকি। ও আমাকে ডাকে মাঝেমাঝে মশাখোর ভাইয়া। আবার মাঝে মাঝে সিয়াম ভাইয়া। ওর একটা বন্ধু আছে যার সাথে ঝগড়া হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। ও হচ্ছে মফি। আর হ্যা এই দুজন সেভেনে পড়ে।
১০/ সাইম ভাই:- পড়াশোনায় হরফৌন মৌলা। কোন বিষয়ে পড়াশোনা করেননি ইনি। ফিজিক্স থেকে শুরু করে সাইকোলজি, যুক্তিবিদ্যা, অমুক তমুক সব বিষয়েই তিনি জ্ঞান রাখেন। তার ইসলামি তর্ক বিতর্ক নিয়ে লেখা গল্প গুলো খুব ভালো লাগে। হুমায়ন আহমেদের তুখোড় ফ্যান সাইম ভাই। তাছাড়া আরও কতশত কবির বই যে পড়েন তার ঠিক নাই। আমি যদি ঢাকায় থাকতাম । তাহলে ওনার কাছে টিউশন করতে যেতাম। কিন্তু ঢাকায় নেই তাই পারবো না।
মাঝেমাঝে আড্ডায়ও আসেন। নিজেকে হিমু দাবি করলেও তিনি রেগে যান আবার খুশি হন।
১১/ শুভ দা:- এনাকে প্রিয় আমার গল্প পাঠক হিসেবে। যে গল্পই পড়ুন না কেনো অত্যন্ত একটা কমেন্ট তিনি করবেনই। ১ ঘন্টা করে আড্ডা দেন। কেউ কোন ভুল কথা বললে তাকে ভালো ভাবে বুঝিয়ে শুধরে দেন। তেমন রেগে যান না। ও হ্যা ওনি খুব ভালো গল্পও লিখেন
১২/ পুস্পিতা:- এই বালিকা পড়ে ক্লাস এইটে। খুব সুইট। এবং খুব বাচ্চা পছন্দ করে। এই বালিকারও চিরকুমার থাকার ইচ্ছা। ও বেশ মিশুক ওর জন্যই মনে হয় অল্প গল্প দিয়েও ২৯ ফলোয়ার। ওর ঝগড়া করে বেশি ফারহানের সাথে। আমাকে ও মোআ, ম্যাগনেসিয়াম ভাই বলে ডাকে। আমি ডাকি পুসি, পুসিক্যাট বলে।
১৩/ইসরাত/ইভা আপু:- চাখোর বললেও কেউ আমাকে মারতে পারবে না। ইভা আপু খুবই চা প্রিয়। ছোটদের তিনি ডাকেন গুলুমুলু বলে। জিজের অনেককেই তিনি চা ওয়ালা বানিয়ে ছাড়ছেন। এমনিতে ওনি ছোটদের স্নেহ করেন। কিন্তু বড়দের জালিয়ে মারেন আসলে ইভা আপু হলো ডাকাত। মেয়ে ডাকাতি করেন
১৪/ফারহান:- বয়সে ছোট হওয়া সত্বেও ওর অনেকের চেয়ে ভালো বুদ্ধি। প্রচুর বই পড়ে। বিশেষ করে গোয়েন্দা ভিত্তিক বই। তাই ওকে মনে হয় জিজের ডিটেকটিভ বলা হয়
১৫/ হার্ট ভাই:- জিজেতে জনপ্রিয় ব্যক্তি। এখনকার সময়ে। হার্ট ভাই নাকি রহস্যময় কিন্তু ওনার পুরো নাম আমি জানি ওনার অভিযানমূলক গল্প গুলো দারুন লাগে। এবার এসএসসিতে A+ পেয়েছেন। ওনি বেশ বিনয়ী ও মিশুক। কিন্তু তিনি দাবি করেন তিনি মিশুক না। আর একটা কথা ইনার শখ চিরকুমার থাকা।
যাদের যাদের উল্লেখ করেছি। তাদের সবাইকে ভালবাসা➡ ^15
যারা যারা গল্প পড়েছেন তাদের জন্য আইসক্রিম। ইমুজিকে দিচ্ছি কেড়ে খান। ^478
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now