বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হেরে যাও তবুও হাল ছেড়ো না ব..

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Saif sayed (০ পয়েন্ট)

X নিক ভুজিসিক কে বলা হয় বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম সেরা মোটিবেটর্ . অষ্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহর দুই হাত এবং দুই পা ছাড়া নিক্ যখন জন্ম নেয় তখন তার বাবা মা তাকে সন্তান হিসেবে নিতে অস্বীকার করেন এবং পরবর্তিতে ইশ্বরের দান মনে করে পুনরায় নিককে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করে নেন! . অপমান বুঝতে শিখার পর মাত্র দশ বছর বয়সে নিক আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন! . আমি জানি গল্পটি অনেকেই জানেন কিন্তু জানেন না আজকের নিক্ হওয়ার পিছনে তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন তার হাই স্কুলের এক দারোয়ান! . তার যখন সতের বছর বয়স তখন দারোয়ান সাহেব তাকে অনুপ্রাণিত করতেন জনসম্মুখে বক্তব্য দেওয়ার জন্য, . পাবলিক প্লেসে বক্তব্য দেওয়ার জন্য নিক্ তেপ্পান্ন বার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ার পর যখন একবার সুযোগ পেলেন তখন তাকে দেখে দর্শকরা সব উঠে চলে গিয়েছিলো! . আর সেই নিক্ নিজেকে ক্রমান্বয়ে এমন ভাবে তৈরী করেছিলেন ঘন্টায় সবচেয়ে বেশী মানুষের সাথে কোলাকোলির রেকর্ডটা এখন তার হয়ে আছে . তার একটি জনপ্রিয় উক্তি আছে, "আমি শতবার ব্যর্থ হওয়ার পরও চেষ্টা করবো যদি তারপরও ব্যর্থ হয় সে ব্যর্থতা মেনে নিয়ে হাল ছাড়বো না!" . এগুলো জানা কথা আমি এগুলো বলার জন্য আসিনি বলতে এসেছি যে মানুষটা মঞ্চে উঠার পর দর্শক সারি শূন্য হয়ে গেছিলো সে মানুষটাই বর্তমানে ষাটটি দেশের ত্রিশ লাখ মানুষের কাছে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিয়ে চলেছেন! . এমন একজন মানুষ তৈরীর পিছনের কারিগর একজন সাধারণ স্কুল দারোয়ান! ভাবা যায়! . অথচ কত জ্ঞানী রথি মহারথিরা তাকে বলেছিলো, 'তুমি পারবে না' 'তোমাকে দিয়ে হবে না' 'নিয়তি মেনে নিয়ে বরং তুমি মৃত্যুর প্রহর গুণতে থাকো' . স্যার ট্যাগ থাকলে সবাই স্যার হয়ে যায় না! আমি অন্তত বলার খাতিরে স্যার বললেও মন থেকে স্যার বলতে পারিনা! একজন সাধারণ দারোয়ানও যদি তোমার জীবনের মোড় পাল্টে দিতে পারে আমি তাকে অবশ্যই স্যার বলবো! . চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক স্যারের কথা জানি যে বিশ্ববিদ্যালয় বাসে তার ই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা উঠেছে বলে বাসের সামনে গিয়ে রাস্তায় শুয়ে গেছিলো! . সব স্টুডেন্ট বাস থেকে নামলে সে তারপর বাসে উঠবে এবং রাস্তার মাঝখানে সব স্টুডেন্টদের নামিয়ে 'আমি তো ষাঁড়' ভাব নিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে এসেছিলো! . আমি আমার জীবনের সেরা স্যারদের অনলাইনে পেয়েছিলাম! মুগ্ধ হয়ে আমি ইয়ুটিয়ুবে আবু সায়ীদ স্যারসহ অনেক স্যারকে এতোবার বুকে জড়িয়ে ধরেছিলাম যে তা বাস্তবে হলে নিক ভুজিসিকও হার মানতো! . অনেকে বলে ভাই ফেসবুক তো ভার্চুয়াল! আমি বলতে এসেছি জীবনের সেরা সব মানুষদের ভালবাসা আমি অনলাইন থেকে পেয়েছি! . হাজার মেয়ের ভীড়ে সেরা মেয়েটিকে আমি এখান থেকে পেয়েছি এবং বাবাকে বলেছি, 'স্বপ্নের মেয়েটা আমি পেয়ে গেছি বাবা শুনছো প্রস্তাবটা তুমি এই বার নিয়ে যেতে পারো!' . সেদিকেও যাবো না, . নিকের মতো হাত পা বিহীন একটা মানুষকে প্রস্তাব দিয়েছিলো কানায়ে মিয়াহারা! . তাকেও সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে ছাড়েনি, . জিজ্ঞেস করেছিলো, 'নিকের মতো হাত পা বিহীন একটা সন্তান জন্ম নিলে আপনি কি করবেন?' . স্ত্রী উত্তর দিয়েছিলো, 'আমি তাকে আরেকজন নিক্ ভুজিসিক বানাবো!' . এই সেই নিক্ যার জন্মের পর তার বাবা মা তাকে কোলে নিতে চাইনি সেই নিক নিজেকে পরিশ্রম অধ্যবসায় সাধনা কিংবা একাগ্রতা দিয়ে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছে যখন অনেকেই নিক্ ভুজিসিক হতে আগ্রহী! . হেরে যাও তবুও হাল ছেড়ো না বন্ধু.....!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now