বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সুখি ফ্যামেলি/এস এস সি পরিক্ষা/লবণ পায়েস

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md:Subanur haque (০ পয়েন্ট)

X ফ্যামেলিতে কত ধরনের ভাল-মন্দ গল্প থাকে।তেমনি একটা গল্প, আজ আমি লিখতে বসেছি।আমি মোঃ ছোবানুর হক,ফ্যামেলিতে, আমরা দুই জন, বাবা-মা,দুই ছেলে আর এক মেয়ে।মোট সাত জন।ছেলে এমদাদুল হক ও আজিজুল হক আর মেয়ে সামিহা হক।ফ্যামেলিতে কারো অবদান কম নয়।বাবা হিসাবে আমিও সবাইকে তাই সমানভাবে দেখি।সবাই আমার কাছে প্রিয়।যার গল্প আজকে আপনাদের শুনাব, সে হলো আমার আদরের মেয়ে। সামিহা এবার এস এস সি পরিক্ষা দিয়েছ। নিজের মেয়ে বলে নয়, সামিহা আসলেই ভাল এবং সুন্দরী মেয়ে বটে।সামিহার ব্যবহার দেখে মনে হয়, আল্লাহ আমাকে দুইটা মা দিয়েছে।আমাকে না বলে সে কিছুই করবে না। আসলে আমি সময় সময় বুঝতে পারি না, আমি সামিহার বাবা, নাকি বন্ধু। সময় পেলেই আমরা গল্প শুনতে উঠানে বসতাম।আমার বাবা কুরজত আলি ভাল গল্প বলেন। আমাদের সুখের ফ্যামেলি। সামিহা রান্না করতে ভালবাসে,সেটাও আবার আমার প্রিয় পায়েস। পায়েস রান্না করে আমাকে আগে খাওয়াবে , আমি গুড বলবো, তার পর সবাইকে দিবে। আমার ছোট ছেলে আজিজুল হিংসা করে বলতো,আমিও একদিন আপুর মতো পায়েস রান্না করা শিখব। আমাকে আগে দিলে না তো। মনে থাকবে।আজ সোমবার সামিহার পরিক্ষার রেজাল্ট বেরবে।সামিহা ঘুম থেকে উঠে হাটা হাটি করছে।চোখ দুটি ডলো ডলো করছে।সামিহা মা এদিকে আসতো,কি হয়েছে মন খারাপ কেন,রাতে ভাল ঘুম হয়নি? বাবা আজকে আমাদের রেজাল্ট বের হবে।টেনশন লাগছে। তুমি এখানে বসো,আমি তেল নিয়ে আসি।বাবা!তুমি এখন আমার মাথায় তেল দিবা। দাদা-দাদি হাসবে।আমি মাকে দিয়ে মাথায় তেল দিয়ে নিব।কেন আমি পারি না নাকি, আর" তারা হাসাহাসি করলে আমাদের কি? আচ্ছ ওকে বাবা, নিয়ে আসো । মাথায় তেল দিতে দিতে আমি আমার পরিক্ষা গল্প বলি।বাবা সামিহা কি ফেল করেছে নাকি,মাথায় তুমি তেল দিয়ে দিচ্ছ কেন? বড় ভাই এর কাছে ফেলের কথা শুনে সামিহা কান্না কাটি করতে শুরু করলো।একটা চর মারবো এমদাদুল। সামিহা মা কান্না করিস না। এখন ১০টা বাজে আরো দুই ঘন্টা পর রেজাল্ট পাওয়া যাবে।তোর ভাই মজা করছে।আমি মজা করেছি সামিহা, তুই বরং দুই ঘন্টা পর কান্নাকাটি কর। এমদাদুল তুমি শুনে রাখ,সামিহা তোমার মতো না,তুমি কি পেয়েছিলে ৪.৫০।দেখে নিও, সামিহা তোমার চেয়ে বেশি পাবে।দেখা যাবে বাবা....সামিহার কান্নাকাটি বন্ধ করার চেষ্টা সবাই করলো।কিন্তু কোন লাভ হলো না।এমদাদুল,আজিজুল এবং আমিও আলাদা আলাদা ভাবে চেষ্টা করছি রেজাল্ট দেখার।হঠাৎ চিৎকার,রেজাল্ট পেয়েছি!কিন্তু কেউ বলবে না। আমি তো রেজাল্ট খুজে পাচ্ছি না।এমদাদুল আর আজিজুল বাইনা করেছে।সামিহা পায়েস রান্না করে তাদের না খাওয়ালে রেজাল্ট বলবে না। আজিজুল বাবা আমাকে দেখাও, আমি সামিহা কে বলবো না,প্রমিচ। বাবা কোন লাভ হবে,সামিহা কে পায়েস রান্না করতে বলো।কি আর করার,আমার দুটো ছেলেই খুব জেদি।সামিহার মা আমি পায়েস রান্না করে দেব, এমদাদুল বাবা মজা করিস না রেজাল্ট বলো।মা কোন লাভ নেই। রেজাল্ট শুনতে চাইলে সামিহাকেই পায়েস রান্না করতে হবে। দুই ছেলের ব্যবহারে সবার মন খারাপ। সামিহার মা সামিহাকে বুঝিয়ে রান্না ঘরে নিয়ে যাই। সামিহা পায়েস রান্না করছে আর কান্না করছে।আমরা সবাই খাবার টেবিলে অপেক্ষা করছি।অপেক্ষা শেষ পায়েস এসে গেছে।সামিহা কাকে আগে দিবে ভেবে পাচ্ছে না। তাই আমিই আমার দুই ছেলেকে বেরে দিই।পিলেটে পায়েস পেয়েই.. সামিহা তুই জি পি এ পাইভ পেয়েছিস।সামিহা আমাকে জরিয়ে ধরে সে কি কান্না। এমদাদুল আর আজিজুল ও আমাকে জরিয়ে ধরে কাচ্ছে।এই বেটা তোরা কাদিস কেনো?বাবা সামিহা আজকের পায়েসে চিনি না দিয়ে শুধু লবণ দিয়েছে। সাবাই হাসতে হাসতে কান্না করে দিল।আমার সামিহা মা ভাইদের জন্য লবণ পায়েস রান্না করেছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now