বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কলম্বাস ছুটে যেতে চাইত দূর অজানা দেশের সন্ধানে, ওই নীল সাগর পাড়ি দিয়ে, ঢেউয়ের মাথায় দুলতে দুলতে। তাই বন্দরে এসে সে জাহাজের যাতায়াত দেখত। নাবিকদের সঙ্গে আলাপ করত বিদেশের খবর জানতে। ছোট একটি বালকের সমুদ্র-যাত্রার আগ্রহ দেখে নাবিকেরাও তাকে দেশ-বিদেশের গল্প শোনাতো। জাহাজ কেমন করে চালাতে হয়, জাহাজের কোন সরঞ্জামের কী নাম, কখন কোন দিক থেকে বাতাস বয়, এই সব নাবিকদের কাছে শুনে শুনে কলম্বাস লিখে নিত। কোনো জাহাজ যখন বন্দর ছেড়ে দূর দেশে রওনা হত, তার বাতাস লাগা পালের দিকে তাকিয়ে তন্ময় হয়ে যেত সে। ভাবত, ওই রকম একটা জাহাজ পেলে কী মজাই না হয়! সাগরের ওপারে কেমন দেশ আছে তা দেখার জন্য তাহলে পাল তুলে জাহাজ চালিয়ে দিতাম, আর থামতাম সোজা নতুন দেশে গিয়ে! সাগর বালককে মুগ্ধ করেছিল। তার কল্পনায় লাগিয়ে দিয়েছিল নীল রঙের ছোপ আর ঢেউয়ের দোলা। তাঁতের কাজ কলম্বাসের পছন্দ নয় দেখে তার বাবা আর জোরাজুরি করলেন না। তাকে স্কুলে ভর্তি করে দিলেন। দক্ষ নাবিক হতে গেলে কাজে লাগবে বলে কলম্বাস গণিত, ইতিহাস, ভূগোল মনোযোগ দিয়ে পড়তে লাগল। রাতে অকূল সমুদ্রে আকাশের তারা দেখে দিক নির্ণয় করতে হয়। তাই নক্ষত্রবিদ্যাও সে শিখতে শুরু করল। এছাড়া নক্সা ও ছবি আঁকতেও তার হাত বেশ পাকা হয়ে উঠল দেখতে দেখতে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now