বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার বাড়ি ভোলা।এ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আমি যাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি গর্ব করি, তিনি হলেন বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল।। অকুতোভয় বীরের মতো মুক্তিযুদ্ধে মৃত্যুবরণ করায়, বাংলাদেশ সরকার তাকে সর্বোচ্চ উপাধি 'বীরশ্রেষ্ঠ ' খেতাবে ভূষিত করেন। অজ তার যুদ্ধের গল্প:- দিনটি ছিল ১৯৭১ সাল ১৮ই এপ্রিল।সকালেই প্রচন্ড বৃষ্টি।পাকিস্তানিদের গোলাবর্ষণও অনাবরত চলছে।ধীরে ধীরে তারা এগিয়ে যাচ্ছে।দুপুর ১২ট।মুক্তিযোদ্ধাদের পাল্টা গুলিতেও পাকিস্তানিরা নির্ভয়।মেশিনগান চালানোকালীন অবস্থায় একজনে শরীরে গুলি লাগে।মোস্তফা কামল পাশে থাকায়, তক্ষুণি মেশিনগান চালাতে শুরু করেন।পাকিস্তানিরা সংখ্যালঘিষ্ট, মুক্তিযোদ্ধারা সংখ্যাগরিষ্ট।এই মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের ২টি পথ: ১.সরাসরি যুদ্ধ করা; ২.পিছু হটা।এমতাবস্থায় আরেকজন ঢলে পড়ায় শহিদদের সংখ্যা ৯ এ দাঁড়াল।মোস্তফা কামাল সবাইকে সরতে বলেন।তিনি পরিখায় সোজা হয়ে অনাবরত গুলি ছুড়ছেন।তিনি যেন একাই মুক্তিবাহীনির দুর্গ।হঠাৎ গুলি শেষ হওয়ায় ১টা গোলা পরিখার মধ্যে পড়ে।গোলার আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে গেলেন!মাটি রক্তরঞ্জিত হলো।তারপর মৃত্যুবরণ করেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now