বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জেনোয়া ইতালির বিখ্যাত সামুদ্রিক বন্দর। ছোট-বড়-মাঝারি কত রকমের জাহাজের সমাবেশ সেখানে। বাণিজ্য জাহাজগুলির মাস্তুল বড় বড়। পাল খাটানো হয় তাতে। যুদ্ধ জাহাজের দু পাশে সারি সারি দাঁড় বসানো। গলুই লোহার পাত দিয়ে মোড়া। লোকজন কাজে ব্যস্ত। তখনো বাষ্পচালিত লোহার জাহাজ তৈরি করতে মানুষ শেখেন। তক্তার তৈরি জাহাজে নানারকমের পাল তুলে নাবিকেরা সমুদ্র পাড়ি দেয়। বন্দরে কত লোকের আনাগোনা। অনেক জাহাজ চলেছে দূরদেশে বাণিজ্য করতে। নাবিকদের আত্মীয়-স্বজন এসেছে বিদায় দিতে। চোখে তাদের জল,মনে অজানা আশঙ্কা। অকূল সমুদ্রে কত বিপদ! কত জাহাজ বন্দর ছেড়ে যায় আর ফিরে আসে না; কূলহীন সাগরে ঝড়ের দাপটে অথবা ডুবো পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে চূরমার হয়। কে ফিরবে আর কে ফিরবে না কে জানে! জাহাজ ধীরে ধীরে তীর ছাড়ে; যতক্ষণ দেখা যায় নাবিকদের প্রিয়জনেরা চেয়ে থাকে তার দিকে। আবার বিদেশ থেকে বাণিজ্য করে জাহাজ যখন ফিরে আসে,উল্লাস ধ্বনিতে বন্দর তখন মুখরিত হয়ে উঠে। একটি বালক প্রায়ই এসে বন্দরের আনন্দ-কোলাহল উপভোগ করত। সুশ্রী ছেলেটি। টিকলো নাক,পাতলা ঠোঁট, নীল চোখের তারায় কৌতুহল। ছেলেটির নাম কলম্বাস। তার ছোট দুই ভাই- বার্থোলোমিউ ও ডিয়েগো। তাদের বাবা ছিলেন তাঁতি। কাপড় বোনার কাজেই তিনি লাগাতে চেয়েছিলেন ছেলেকে। কিন্তু বদ্ধ ঘরে বসে খুট খুট করে মাকু চালিয়ে তাঁত বোনা তার মোটেই পছন্দ নয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now