বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার বলা শেষ হতেই....
মামা:-কি বললে! তোমরা ওই জমিদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেছো।আমি তোমদের মানা করে দিয়েছিলাম সব জায়গায় যাও কিন্তু ওখানে যাইও না।তোমরা গুরুজন এর কথা শোন না কেনো।আমিতো তোমাদের ভালর জন্যই বলেছিলাম।আজ যদি তোমাদের কারো আরো খারাপ কিছু হতো তাইলে তোমাদের বাবা মায়ের কাছে আমি কিভাবে মুখ দেখাতাম।
আমি:-মামা দু:খিত।সত্যি আপনার কথা অমান্য করা উচিত হয় নি আমাদের।মাফ করে দিন আমাদের মামা।
মামা:-করিম তোমাদের চাবি এনে দিয়েছে না।ওই করিম এদিকে আসো।
মামার ডাকে কেয়ারটেকার করিম এসে বললো কি হয়েছে সাহেব?
মামা:- তুমি ওদের চাবি বানিয়ে এনে দিয়েছো কেন।আর এই বিষয়ে আমাক তো কিছু বলো নাই।আজকাল আমাকে দেখি তুমি মানছোই না।
করিম আংকেল:-সাহেব আমি চাবি বানিয়ে এনে দিতে চাই নি।আবির বাবাজি এমন ভাবে ধরলো তাই আর না করি নি চাবি এনে দিয়েছি।
আমি:-মামা করিম আংকেল এর কোনো দোষ নাই।আমি তাকে চাবি বানিয়ে নিয়ে আসতে বলছিলাম।আর আমার জন্যই আজ আমাদের সবার এই অবস্থা।আমি জোর করে সবাইকে জমিদার বাড়ির ভিতরে নিয়ে গেছিলাম।আজ আমার জন্যই মামা আপনাদের ও অনেক ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।
হুজুর:-তোমরা সবাই থামো।যা হওয়ার হইছে।তোমাদের জমিদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করা উচিত হয় নি কিন্তু যেহুতু প্রবেশ করে ফেলছো তাই এখন এই সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হবে তোমাদের।
আমি:-কেন জমিদার বাসার ভিতরে প্রবেশ করার জন্য আমাদের সাথে এমন হলো হুজুর?কি রহস্য আছে ওখানে।আমাদের বলেন হুজুর।আমরা জনাতে চাই।মামাকে প্রথমেই জিজ্ঞেস করছিলাম একদিন কিন্তু মামা কিছু বলে নাই আমাদের।
আমার বাকি বন্ধুরাও বললো যে জমিদার বাড়ির রহস্য টা তারাও জানতে চায়।
মামা:-আর রহস্য জেনে কি করবে।যা ভুল করার করছো।এখন হুজুর তাবিজ দিবে তোমাদের সবাইকে।তারপর আমি ব্যাবস্থা করে দিচ্ছি তোমরা বাসায় চলে যাও।
হুজুর:-ওদের বলা দরকার রহমান।তোমার ওদের আগেই বলা উচিত ছিল সব।যাই হোক আমি যেটুকু জানি তাই বলছি তোমদের।
তোমরা যেই জমিদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করছো তাহ প্রায় আজ থেকে আড়াইশো-তিনশো বছর আগে পুরোদমে সচল ছিল।জমিদার বাড়িটি অনেক সুন্দর ছিল।তখন সেখানকার জমিদার ছিলেন জাফরউল্লাহ।জমিদার জাফরউল্লাহর একটি কন্যা ছিল।তার নাম ছিল সায়েদা।সে অনেক সুন্দরি ছিল।জমিদার তার কন্যার বিবাহের জন্য পাশের রাজ্যের জমিদার এর ছেলেদের খুজতে লাগলেন।সাহেদা তার বাবার পছন্দ করা কোনো ছেলের সাথেই বিয়ে করতে চাইতো না।কারণ সাহেদা তার ওই একই রাজ্যেওর একজন রাখাল বালকে কে অনেক ভালোবাসতো।তার নাম ছিল হাশেম।সে এতিম ছিল তার বাবা মা ছিল না।সে মাঠে মাঠে মহিষ চড়াতো।আর বাশি বাজাতো।তার সেই বাশির সুরই জমিদার কন্যা সাহেদাকে তার প্রতি আক্রষ্ট করে।হাশেমও সায়েদা কে অনেক ভাল বাসতো।কিন্তু সায়েদার বাবা জমিদার জাফরউল্লাহ তাহ মেনে নিচ্ছিল না।তিনি একজন রাখাল বালকের সাথে কখনই মেয়ের বিয়ে দিবেন না বলে মনস্থির করেছেন।তিনি রাখাল বালককে ধরে এনে অনেক নির্যাতন করেছেন তাও সেই রাখাল বালক তার মেয়ের পিছু ছাড়ে নি।একদিন রাখাল বালককে জমিদার কন্যা সাহেদার সাথে বাইরে একসাথে দেখে ফেলায় জমিদারের প্রহরীরা রাখাল বালক কে ধরে জমিদার বাড়ি নিয়ে যায়।জমিদার জাফরুউল্লাহ তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার নির্দেশ দেয়।তারপর তাকে একটি ঘরে আটকে দিয়ে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।সেই আগুনে পুড়ে মারা যায় রাখাল বালকটি।তারপর সাহেদা ভালবাসার মানুষ মারা যাওয়ার কষ্টে সেও ওই দিন রাতে নিজেও তার ঘরে নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আত্মহত্তা করে।তোমরা যেই সাদা শাড়ি পরা মহিলাকে দেখছো এতদিন সে হচ্ছে জমিদার কন্যা সাহেদার আত্মা।
রায়হান:-হজুর আয়নার ব্যাপারটা বলবেন?
হুজুর:-তোমরা যেই আয়না দেখেছো।সেই আয়না রাখাল বালককে মেরে ফেলার একদিন আগে রাখাল বালক সাহেদা কে দিয়েছিল।সাহেদা খুব আয়না পছন্দ করতো।হাশেম এর দেওয়া আয়না লুকিয়ে কোনোভাবে সে তার ঘরে নিয়ে আসে।আবির তোমরা যে আয়না দেখছো তাহ এখনকার মত টেবিলের সাথে লাগানো অবস্থায় ছিল না তাই না?
আমি:-হ্যা ঠিক তেমন ছিল না।খালি মাঝারি আকারের একটি আয়না ছিল এবং ঘরের একটা টেবিল এর উপরে রাখা ছিল।
হুজুর:-সেই আয়নাই হাশেম দিয়েছিল সায়েদা কে।সায়েদা মৃত্যুর আগে চিঠিতে লিখেছিল যে তার মৃত্যুর পরে তার ঘরে যে ঢুকবে এবং তার আয়না দেখবে তার সে ক্ষতি করবে।কারণ এই আয়না তার ভালঅবাসার মানুষের দেওয়া একটা শ্রেষ্ঠ উপহার।কিন্তু চিঠিটা সবাইকে দেখানোর উদ্দেশ্যে লিখলেও আগুনে সেটাও পুরে যায়।চিঠিটা সে ঘরের মধ্যে রাখছিল।আর তার আগুনে সে নিজে মরে নি তার সাথে পুরো ঘর পুরে যায়।এখন কিছু অবশিষ্ট নাই আর সেই ঘরে।চিঠিটাও পুরে যায় তখন।তারপর তার ঘরে যেই প্রবেশ করছিল।তাকে সে শাস্তি দিয়েছিল।যারা তার ভালবাসার মানুষকে খুন করেছে তাদের সে হত্যা করেছে মৃত্যুর পর আত্মা হয়ে।এমনকি নিজের বাবা কেও সে হত্যা করেছিল।আর বাকি যারা প্রবেশ করেছিল সেই ঘরে যারা তার ভালবাসার মানুষকে হত্যা করে নি তাদেরও সে শাস্তি দিয়েছে।যেমন তোমদের সাথে করেছে।
আমি:-হুজুর আপনি বললেন ওই ঘরে কিছু নাই আর।কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব আমরা যে দেখলাম ওই ঘরে সব ছিল।খাট,দোলনা,ধাড়বাতি,আর সেই আয়না।সব কিছু তো ঠিক ছিল।আর নতুন ছিল সব।
রোদেলা:-হ্যা হুজুর আমরা পাঁচজনই তাহ দেখেছি।
হুজুর:-তোমরা যা দেখেছো সেটা পুরো মায়া ছিল।তোমরাই ভেবে দেখো তিনশো বছরের পুরাতন জমিদার বাড়ি।আর সেই জমিদার বাড়ির একটি ঘর এখনো একেবারে নতুন থাকবে।এটা কি করে সম্ভব।
হুজুর এর কথা শুনে আমরা সবাই অবাক হলাম।আমরা নিজে চোঁখে সব দেখলাম ওই ঘরে আর হুজুর বলছে সেই ঘরে কিছুই নাই আর।
হুজুর:-আমার কথা বিশ্বাস না হলে আরেকবার আমার সাথে ওই ঘরে গিয়ে চলো দেখো কিছু দেখতে পাও কি না।
মামি:-আবার যাওয়া কি ঠিক হবে?
মামা:-হুজুর আর যাওয়া লাগবে না ওই জমিদার বাড়িতে।।আপনি এদের এই বিপদ থেকে রক্ষা করার ব্যাবস্থা করে দিন।
হুজুর:-আমি ওদের সবাইকে তাবিজ পরিয়ে দিচ্ছি পানি পড়া দিচ্ছি আশা করি ওদের আর সমস্যা হবে না।আর আবির জমিদার কন্যা সাহেদা বলছে তোমাকে স্বপ্নে বলেছে এখান থেকে চলে যেতে বাচতে চাইলে।তাই তোমরা যত দ্রুত সম্ভব এখান থেকে চলে যাও।তারপর হুজুর আমাদের পাঁচ বন্ধুকে তাবিজ পরিয়ে দিলেন,আয়তুল কুরসি সহ আরো কিছু দোয়া পড়ে গায়ে ফু দিলেন,তারপর পানি পড়া দিলেন।
আমি:-হুজুর আমরা আরেকবার যেতে চাই।আমাদের এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না যে ঘরের ভিতরে কিছু নাই।বাকিরাও যেতে চাইলো।
মামা:- আবির কি দরকার আবার যাওয়ার।
হুজুর:-রহমান ওকে চলো সবাই যাই একবার।আর বেশি দেরি না করে এখনই যাওয়া যাক।তুমিও চলো রহমান আমাদের সাথে।ওদের সত্যটা দেখিয়ে আসি।নইলে ওদের মনে একটি দোটানা থেকেই যাবে সারাজীবন।তাছাড়া জমিদার বাড়িটা আবার ভালভাবে বন্ধ করে দিতে তো আমাকে যেতেই হবে।নইলে সমস্যা হতে পারে আরো।আর এখন আমি আছি ওদের তাবিজ পড়িয়ে দিয়েছি তাই কোনো সমস্যা হবে না।আর আমরা তো যাবো দিনে তাই কোনো ভয় নাই।আমার কাছে চাবি আছে ওই জমিদার বাসায় প্রবেশ করার।আবির তোমাদের কাছে যে চাবি আছে সেটা আমাক দিয়ে দাও।আমি সেটা মাটিতে পুতে ফেলবো।তারপর চাবিটি দিয়ে দিলাম হুজুর কে।চাবি দেওয়ার পর সবাই গেলাম হুজুর এর সাথে সেই জমিদার বাড়িতে।হুজুর চাবি দিয়ে দরজা খুলে জমিদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলেন।তার সাথে আমরাও প্রবেশ করলাম।
হুজুর:-যেই ঘরে প্রবেশ করছিলে তোমরা আমাকে সেই ঘরে নিয়ে চলো।
আমরা হুজুর কে সেই ঘরের কাছে নিয়ে গেলাম।মামা মামিও চললেন আমাদের সাথে।ঘরের কাছে গিয়ে আমরা খুব অবাক হলাম।আমরা যখন আসছিলাম তখন তো ঘরের দরজায় তালা ছিল না।এখন তালা দিলো কে।হুজুর তারপর চাবি দিয়ে দরজা খুললেন।তারপর কাউকে আর ভিতরে প্রবেশ করতে মানা করলেন।তিনি নিজেও ভিতরে প্রবেশ করলেন না।দরজার কাছে থেকেই লাইট মেরে আমাদের দেখালেন ভিতরে অবস্থা।আমরা দেখলাম ভিতরে মাকড়সার জাল শুধু আর কিছু নাই ভিতরে।যেই আয়না দেখছি সেই আয়নাও নাই।পুরো ঘর ফাকা।
হুজুর:-কিহ বিশ্বাস হলো তোমাদের এবার।
আমাদের পাঁচ বন্ধুর কারো মুখে কথা নাই আর।আমরা এত অবাক হয়েছি।ভাবছি এটা কিভাবে সম্ভব।তারপর হুজুর সেই ঘরে দরজায় ভাল করে আবার তালা মেরে দিলেন।তার সাথে দুয়া পড়ে ফু দিলেন এবং একটা তাবিজ লাগিয়ে দিলেন দরজার সাথে।জমিদার বাড়ি থেকে বের হয়ে বাইরের প্রধান দরজা যেটা দিয়ে আমরা ভিতরে প্রবেশ করেছি সেই দরজাতেও ভালভাবে তালা মেরে, দুয়া পড়ে ফু দিয়ে, তাবিজ লাগিয়ে দিলেন।
তারপর বাসায় এসে হজুর আবার আমাদের যত দ্রুত সম্ভব এখান থেকে চলে যেতে বললেন।আমাদের হাতের তাবিজ অন্ততো পাঁচ মাস হাতে রাখতে বললেন।তারপর আমাদের জন্য দুয়া করে তিনি চলে গেলেন।তারপর সেইদিন রাতটুকু মামার বাসায় থেকে পরেরদিন চলে যাওয়ার জন্য রেডি হলাম।মামা আমাদের যাওয়ার সব ব্যাবস্থা করেই রেখেছিলেন।আর হাতে তাবিজ থাকার কারণে গত রাতে আর কোনো সমস্যা হয় নি আমাদের।বিদায় নেওয়ার সময় মামা মামি অনেক কান্না করছিল।আমরাও কান্না করে দিয়েছিলাম।১০ দিন এর মতো আমরা এখানে ছিলাম।মামা মামি অনেক খাতির কঅরেছিলেন আমাদের।আবার হুজুর এনে আমাদের এই বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন।
মামা:-আবির আমাদের ক্ষমা করে দিও।আমাদের এখানে এসে তোমাদের এই বিপদে পড়তে হলো।
সজিব:-মামা কি বলছো এসব।এখানে তোমদের কি দোষ।
আমি:-মামা এখানে তোমদের কোনো দোষ নাই।আমার অতি চালাকির জন্যই এসব হইছে।তোমরা আমাদের অনেক সাহায্য করেছো।অনেক খাতির যত্ন করেছো আমাদের।আমরা সারাজীবন তোমদের কাছে ঋণি থাকবো।তারপর মামা মামির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মামার গাড়ি করে হবিগজ্ঞ বাস স্ট্যাণ্ড এর দিকে রওনা দিলাম।যেই আনন্দ মন নিয়ে গ্রামে আসছিলাম আর আজ সেই গ্রাম থেকে বিদায় নিচ্ছি পুরো ক্লান্ত বিধস্ত মন নিয়ে।ঢাকায় পৌছানোর পর সন্ধ্যা হয়ে যায়।একদিন ঢাকায় থেকে তারপর যে যার বাসায় চলে যাই।
আজ এক বছর হয়ে গেছে আমাদের সিলেট যাওয়ার।মামার বাসা থেকে আসার পর সবাই এতটাই মন থেকে ভেঙ্গে পড়েছিলাম যে আমাদের স্বাভাবিক হতে প্রায় চার পাঁচ মাস সময় লেগে গিয়েছিল।প্রথম তিন মাস আমরা পাঁচ বন্ধু কেউ কারো সাথে কথা বলি নাই দেখাও করি নাই।এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে বাসায়ও কিছু বলি নাই আমরা।বাসায় সন্দেহের খাতিরে কিছু জিজ্ঞেস করলেও এড়িয়ে গেছি কৌশলে।তারপর আস্তে আস্তে আমরা স্বাভাবিক হতে থাকি।পড়াশোনার চাপ,দৈনন্দিন গতিময় জীবনযাত্রা ইত্যাদি কারণে আমরা আমাদের সাথে ঘটে যাওয়া সেই লোমহর্ষক ঘটনা প্রায় ভূলেই গেছি।এর মধ্যে আমাদের হাতের তাবিজ টাও আর নাই কারো কাছে।সবাইকে জিজ্ঞেস করছিলাম একবআর যে তাদের তাবিজ কবে খুলছে।তখন কেউ বললো তার হারিয়ে গেছে,কারো ভূলে পড়ে গেছে,আবার কেউ খুলে ফেলছে যেমন আমারই হাত থেকে খুলে যায় কোনভাবে।যা বুঝতেও পারি নি।আর খুজেও পাই নই আর কোনোদিন।কিন্তু আমাদের আর সমস্যা হয় নি কোনো।আমার বাকি বন্ধুরা সেই ঘটনা আদো আজ আর মনে রাখছে কি না জানি না বাহ জানার চেষ্টাও করি নি কোনোদিন।কিন্তু আমার কাছে সেই ঘটনা এখনো মনে পড়ে।সাদা শাড়ি পড়া সেই মেয়ের হাতে আমাদের পাঁচ বন্ধুর কাটা মাথা।ঘটনাটি মনে পড়লেই আমার গায়ে কাটা দেয় এখনো।আর সেই আয়না কিভাবে উধাও হয়ে গেল সেই ঘর থেকে। হুজুরের সাথে গিয়ে আমরা যার কোনো অস্তিত্বই পাই নি আর।সেটা কি সত্যি কোনো মায়া ছিল?আজও সেই রহস্যটা আমার কাছে রহস্যই থেকে গেলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now