বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
নিকৃষ্ট মানুষ
"ক্রাইম" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Niloy (০ পয়েন্ট)
X
স্কুল থেকে বাসায় ফিরছে আবির।
কোনো গাড়ি না পাওয়ায় রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
দুপুরের কড়া রোদে শরীরটা পুড়ে যাওয়ার মতো
হয়েছে তার।
ছায়ায় বসার মতো জায়গা নেই কোথাও।
এমন সময় পিছন থেকে একটা মাইক্রো আসলো।
সে পিছনে তাকিয়েছে মাত্র।
যেই তাকিয়েছে সাথে সাথে তিনটা লোক মাইক্রো
থেকে বেরিয়ে তার
নাকে রুমাল দিয়ে অজ্ঞান করে নিয়ে গাড়িতে উঠল।
তারপরে তার আর কিছু মনে নাই।
চোখ খুলতে দেখে,
সে একটা বদ্ধ ঘরে আটকা।
মুখটা বেধেঁ রেখেছে, যারা তাকে কিডনাপ করেছিল।
সে অস্ফুট আকারে শব্দ করতে থাকলো।
সাথে সাথে ঐ সেই লোকগুলা দরজা খুলে তার সামনে
আসলো।
আবির চিনতে পারছে না তাদের।
কারণ,তাদের মুখ মুখশে আটকানো।
ওদের একজন এগিয়ে এসে ওর মুখের বাধঁনটা খুলে
দিল।
আর বলতে লাগলো,
তোকে আমরা কিডনাপ করেছি।
তোর বাবার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য।
তোর বাবার নাম্বারটা দে।
আবির এবার ভয়ে এবং অসহায় হয়ে বলতে লাগলো,
আমাকে ছেড়ে দাও।
আমাকে বাসায় যেতে দাও।
তারা বললো,
তোর বাবার কাছ থেকে টাকা না নেওয়া পর্যন্ত
আমরা
তোকে ছাড়বো না।
এক্ষুণি তোর বাবার নাম্বারটা দে।
না হলে তোকে মেরে ফেলবো কিন্তু!
অসহায় হয়ে সে নাম্বারটা দিল।
কারণ তখন তার আর কিছু করার নেই।
তারা নাম্বার নিয়ে তার বাবার কাছে ফোন দিল।
কিছুক্ষণ ফোন বাজার পর আবিরের বাবা ফোনটা
ধরলেন।
কিডনাপার রা বলতে লাগলো,
আপনার ছেলকে আমরা কিডনাপ করেছি।
আজ বিকালের মধ্যে ৩লক্ষ টাকা জমা দিতে না
পারলে
আমরা আবিরকে মেরে ফেলবো।
এই বলেই তারা ফোনটা কেটে দিলো এবং ফোনের
সুইচ অফ করে দিল।
এদিকে তার বাবা ও বাড়ির সবাই এই খবর শুনে
কান্নাকাটি শুরু করেছে।
কারণ তারা তো গরিব।
কিডনাপার দের সেই ৩লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য
তাদের কাছে অতো কাটা নেই।
আর আবির ও তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান।
৩লক্ষ টাকা যোগাড় না হলে তো আবিরকে তারা
মেরে ফেলবে।
এই ভেবে তার বাবা মা কান্নায় বুক ভাসিয়ে ফেলছে।
আর এদিকে কিডনাপার রা আবিরকে নানা রকম
হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে,
টাকা হাসিলের জন্য।
হয়তো ঐ ৩লক্ষ টাকা যোগাড় হবে আর না হয়
আবিরকে তারা মেরে ফেলবে।
.
আমাদের দেশে এমনও অনেক মানুষ আছে যারা এই
অসত্ কাজে লিপ্ত থাকে।
তারা মানুষ নয়,
নিকৃষ্ট জানোয়ার।
তাদের জন্য কত মা-বাবাকে হারাতে হয় তাদের নিজ
সন্তানদের জীবন।
না জানি তাদের তখন কি হয়!
হয়তো কষ্টে জীবন চলে যাওয়ার মতো।
তাই আসুন দুষ্কৃতি কারিদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়।
নতুন সুন্দর এক সমাজ গড়ি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now