বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জ্ঞান-বুদ্ধিতে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বলেই তাঁরা বিজ্ঞানী।
তাঁদের অসাধারণ বুদ্ধির জোরেই পৃথিবী এত আধুনিক
হয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোই মাঝে
মাঝে অদ্ভুত সব কাণ্ড করে বসেন। কিছু কিছু কাণ্ড
হয়তো অতি বোকারাও করবে না। কিছু অদ্ভুত কাজ আবার
স্বজ্ঞানেই করেন স্রেফ মজা করার জন্য। নিউটন কত
বড় বিজ্ঞানী, কত বড় মানুষ! কিন্তু তাঁর আচরণ ছিল হিংসুটের
মতো। খুব ছোটবেলায় নিউটনের বাবা মারা যান। মা
আরেকজনকে বিয়ে করে নিউটনকে ছেড়ে চলে
যান। ভীষণ একা হয়ে পড়েন তিনি। এর প্রভাব পড়ে তাঁর
ব্যক্তিজীবনে। হিংসুটে ও বদমেজাজি হয়ে ওঠেন। গান,
সিনেমা, নাটক, কবিতা ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তিনি ঘৃণা
করতেন। তাই এসব থেকে নিজেকে সযত্নে সরিয়ে
রাখতেন। তিনি কাউকে বিশ্বাস করতেন না, বন্ধু আর
সহকর্মীদের সন্দেহের চোখে দেখতেন। নিউটন
‘না’ শব্দটা একেবারেই পছন্দ করতেন না। কেউ তাঁর
বিরোধিতা করলেও খেপে যেতেন।
নিউটনের বিখ্যাত বই প্রিন্সিপিয়া অব ম্যাথমেটিকা । এটা
পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বই বলে মনে
করেন বিজ্ঞানীরা। জন ফ্লামস্টিড অনেক তথ্য দিয়ে
নিউটনকে এই বই লিখতে সহযোগিতা করেন। বইয়ের
প্রথম সংস্করণের তথ্যসূত্রে একাধিক জায়গায়
ফ্লামস্টিডের নাম ছিল। সেই ফ্লামস্টিডকেই নানাভাবে
হেনস্তা করেন নিউটন।
বিজ্ঞানী সমাজে নিউটনের তখন বিরাট ক্ষমতা। লন্ডনের
রয়্যাল সোসাইটিতে তাঁর দাপট ছিল। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমির
তথ্য-উপাত্ত বিভাগে নিযুক্ত ছিলেন ফ্লামস্টিড। নিউটন তাঁর
কাছে ব্যক্তিগত গবেষণার জন্য কিছু তথ্য চান। কিন্তু এসব
তথ্য কাউকে দেওয়ার অনুমতি ছিল না। তাই ফ্লামস্টিড
সেগুলো দিতে অস্বীকার করেন। এতে নিউটন ভীষণ
চটে যান। নিজের ক্ষমতাবলে তিনি রয়্যাল মানমন্দিরে
পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন। ফ্লামস্টিডকে আবারও চাপ
দেন তথ্য প্রকাশের জন্য। তিনি রাজি হননি। তখন নিউটন
ফ্লামস্টিডের ব্যক্তিগত কিছু গবেষণাপত্র কেড়ে নেন।
তারপর সেগুলো জার্নালে প্রকাশ করেন এডমন্ড হ্যালির
নামে। হ্যালি ছিলেন ফ্লামস্টিডের জাতশত্রু। ফলে
ফ্লামস্টিডও ভীষণ খেপে যান। নিউটনের বিরুদ্ধে
গবেষণাপত্র চুরির অভিযোগে মামলা করেন। এতে আরও
ক্ষুব্ধ হন নিউটন। প্রিন্সিপিয়া অব ম্যাথমেটিকা বইয়ের
দ্বিতীয় সংস্করণে যেখানে যেখানে ফ্লামস্টিডের নাম
ছিল, সেগুলো সব বাদ দেন।
Collected
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now