বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ময়ূরের সাথে পলাশের অনেক কথা হলো।ময়ূররা বাড়িতে এসে পৌছালো।অনেক কিছু রান্না হয়েছে বাড়ি ঢুকলেই বোঝা যায়। ময়ূর আর পলাশের জন্য বাড়ির তিনটা খাটের মধ্যে সবচেয়ে ভালোটা নিবার্চন করা হলো ।কিন্তু ময়ূর তমার সাথে আর পলাশ আকাশের সাথে ঘুমিয়েছে।।
ময়ূর ওর শশুরবাড়ি ফিরে এসেছে ।এবার ময়ূর সংসার গোছানো এবং শাশুরীর মন জয় করার চেষ্টা করতে লাগল।এরেই মধ্যে ময়ূর ও পলাশের অবস্থান বিছানার দুপাশে না হয়ে মাঝে হয়েছে।
বাড়ির আর্থিক অবস্থার অনেকটা অবনতি হওয়ায় পলাশ একটা ভালো কাজের সন্ধান করতে লাগল পেলো তবে তাকে যেতে হবে শহরে।
পলাশের দুই বোন এবং সে বিবাহিত তাই যেতে হলো ।অনেক দিন হয়েছে পলাশ গিয়েছে ।ফোনে বাড়ির সবার সাথে কথা হয় ।
দূরে থাকা ছোট জিনিসগুলো অনেকসময় অমূল্য মনে হয় ।পলাশ আজ ফোন দিয়েছে।
পলাশ-মা ভালো আছেন?
মা-ভালো তুই কেমন আছিস? বাড়ি আসবি কবে ?
পলাশ-দেখি কবে ছুটি দেয় ।
মা-বৌমাকে ফোন দিচ্ছি
ময়ূর-ভালো আছেন?
পলাশ-ময়ূর তুমি কি একা আছো?
ময়ূর-হ্যা আমি তো রান্নাঘরে।
পলাশ-ময়ূর তোমার কথা খুব মনে পরছে।কেমন আছো ।মনে আছে তুমি সেদিন রাতে ঘরের সব কাজ সেরে আমার পাশে এসে বসেছিল সেদিন আমার মনে যে প্রবল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল আজ তা বারবার মনে পড়ছে। হ্যালো ময়ূর শুনতে পারছো।
ময়ূর-হম
পলাশ-তোমার হাতে হাত রাখতেই তুমি সেদিন কেমন লজ্জায় মুখ সরিয়ে নিয়েছিলে।তুমি সেদিন একটা লাল শাড়ি পড়ে ছিলে।আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরতে যাব তখন তুমি বলেছিল লাইটা বন্ধ করুন কেউ দেখতে পাবে ।আমি যেই তোমার বুকের কাপড় সরালাম তুমি তোমার চোখ বন্ধ করে আমার কাজের সুবিধা করে দিলে।আমি অভুক্ত দস্যুর মতো তোমায় চুম্বন করতে লাগলাম।
ময়ূর-আমি কি ফোন কেটে দেব না আপনি চুপ করবেন ।
পলাশ-থামছি ।তোমার কথা খুব মনে পড়ছে ।মনে হয় আগামী মাসের দশ বার তারিখ ছুটি দিতে পারে ।ভালো থেকো সবার খেয়াল রেখো ।ময়ূর?
ময়ূর-হ্যা বলুন ।
পলাশ-ভালো থেকো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now