বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক: ভুতুরে MH2
"আজও একটা লাশ তোলা হলো ওই পুকুর থেকে।কী হচ্ছে কিছুই বুঝছি না।"
"সাহেব,আমার মনে হয় ওরা কিছু করছে না তো???"
"ওরা কারা???"
"ওই পুকুরে যারা থাকে বলে শুনা যায়।মানে জ্বীনদের কথা বলছি।"
" নির্বোধ,তোমরা সবাই নির্বোধ।আরে আমরা ইংরেজ।আমাদের গুলিকে জ্বীনরাও ভয় পায়।"
"ভয় পায় না স্যার।জ্বীনদের গায়ে গুলি লাগে না।"
"তুমি চুপ কর তো।আর এখন যাও এখান থেকে।আমায় ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে দাও।"
"আচ্ছা স্যার।"
" আচ্চা স্যার বলে দাড়িয়ে আছ কেন??? যাও এখান থেকে।"
"আসলে স্যার একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম।"
"বল"
"স্যার, ওই পুকুরে নামবেন না কখনও।"
সময়টা তখন ১৮৩০ সাল।এই ইংরেজ সাহেবটার নাম হলো ক্যাপ্টেন হারিস।সে মূলত এই এলাকার ইংরেজ সেনাদের ক্যাপ্টেন।আর ওই বাঙ্গালি লোকটা হলো বাদল।
সারাদিন ক্যাপ্টেন হারিস চিন্তা করলেন এসব কী হচ্ছে ওই পুকুরে।এর পিছনে কোনো গভূর ষড়যন্ত্র আছে কিনা তিনি তা ভাবছেন।ভেবে ভেবেও কিছু বের করতে পারছেন না।এই নিচিনপুরের মতো অজপাড়া গায়ে কোথা থেকে শত্রু আসবে
।তবে বিশ্বাস নেই কারও।এভাবে ইংরেজ সেনারা মারা গেলে তার তো চাকরী চলে যাবে।দিনশেষে ঠিক করলেন,তিনি নিজেই নামবেন ওই পুকুরে।
পরের দিন,,,
পুকুরটা কিন্তু অনেক বড় আর বিশাল।কিন্তু কেউ ব্যাবহার করে না।কারণ ওরা বিশ্বাস করে এখানে জ্বীনরা থাকে।বছর দশেক আগে, নূর মোল্লা নামক এক ব্যাক্তি ওই পুকুরে মাছ মারতে যায়।ও দেখে পুকুর হতে কিছু বিশাল বিশাল মানুষ দাড়িয়ে আছে।ওরা পানির নিচে চলে গেল।ও অবাক হয়ে দেখছিল সব।কানের পাশে একটা মেয়ে কন্ঠের কান্নার শব্দে পর হৃৎপিন্ড গলার কাছে চলে আাসার উপক্রম হলো।পাশে ফিরে দেখল একরা মেয়ে ওর নৌকায় মুখ ঢেকে কান্না করছে।ও বলল,কে তুমি??? মেয়েরা ওর দিকে ফিরল আর নূর মোল্লা দেখল ওই মেয়েটার মুখ গুটি বসন্তের রোগীদের মতো হয়ে গেছে।নূর মোল্লা অজ্ঞান হয়ে যায়।পরের দিন ওকে উদ্ধর করা হয়।সে সবকিছু খুলে বলে।কয়েকদিন পর গ্রামের বেশকয়েকজন লোক মাছ মাড়তে গিয়ে মারা গেল।সবাই হুজুরের কাছে গেল।হুজুর সবাইকে নিয়ে পুকুর পাড়ে গেল।নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওনি বললেন ওই পুকুরে নাকি ৭ টা জ্বীন থাকে।ওরা মারাত্মক শক্তিশালী।ওরা চায় কেউ যেন এই পুকুর ব্যাবহার না করে।গ্রামের মানুষ ব্যাবাহার করত না।কিন্তু ইংরেজরা তা শুনে না।তারা তাদের ময়লা আবর্জনা পুকুরে ফেলে আর গোসলও করে।একের পর এক ইংরেজ মারা গেল।মোট ৩০ জন সৈন্য মরেছে ওই পুকুরে।এবার ক্যাপ্টেন হারিস নামল ওই পুকুরে।তিনি মাঝবরাবর গেলেন।বললেন, "কই কিছুই তো নেই??? অযথা গুজব এগুলো।" বলে তিনি তীরের দিকে আসতে লাগলেন।কিন্তু কে যেন তার পায়ে টেনে ধরল।আর এগুতে পারেন না তিনি।নিচের দিকে কেউ একজন তাকে টেনে নিয়ে গেল।হারিয়ে গেল আরেকজন ইংরেজ।
হুজুর বলে উঠলেন," মানল না তো আমার কথা।তাই মরতে হলো।এরা শক্তিশালী জ্বীন।এরা এখানেই থাকবে।কেউ কখনও এই পুকুরে নেম না।"
[ গল্পটা কেমন লাগল??? কমেন্টে জানাবেন।ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন]
আল বিদা,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now