বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
♥♥
সামান্য কানের দুলের জন্য ঘুম নেই অপূর্বের। যে কোন মূল্যে হোক কানের দুল পাওয়া চাই। সারিকাকে যেভাবেই হোক কানের দুলটি দিতে চায় অপূর্ব। তাই সকাল বেলায় লেপটপে সকল সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ভাল করে লক্ষ্য করছে অপূর্ব। অবশেষে কানের দুল পাওয়া একটি ইঙ্গিত পায় সে। ফারুককে পাঠায় কালুর কাছে। কালু এই রেস্টুরেন্টে ওয়েটার হিসেবে কাজ করে। কালু প্রতিদিনের মতো টেবিলে থালা, বাটি, গ্লাস সাজিয়ে রাখছিল। এসময় মেনেজার ফারুকের প্রবেশ।
কালুঃ আসসালামু আলাইকুম।
ফারুকঃ ওয়ালাইকুমুস সালাম। জুতার ফিতাটা বাঁধেন। বস আপনাকে ডাকে।
কালুর তো ঘাম ছুটে যায় একটি আশঙ্কায়।
ফারুকঃ বস কালু এসেছে।
অপূর্বঃ গতকাল কি পেয়েছিলে?
কালুঃ একটা কানের দুল পাইছি স্যার।
অপূর্বঃ ওটা কোথায় রেখেছো?
কালুঃ স্যার, পরিবারে অভাব, হাতে টাহা নাই, তাই বেচে দিচি স্যার।
ফারুকঃ ওর ন্যাচারটাই এ রকম।
অপূর্ব উঠে কালুর কাছে গেল। কালু ভয় পেয়ে গিয়েছিল। সে হাত তুলে ক্ষমা চাইছিল। আর অপূর্ব বলল,
অপূর্বঃ তোকে ২০ হাজার টাকা দিব। তুই যেভাবে পারিস ওটা নিয়ে আয়।
কালুঃ স্যার অহনই আমি ওটা নিয়ে আইতেচি।
♥♦♥♦♥♦♥♦♥
কানের দুলটি পেয়ে অপূর্ব সারিকাদের বাসায় গেল। কলিংবেল বাজালে সারিকার ছোটভাই এসে দরজা খুলে দিয়ে বলল, আপনি বসুন। আমি আপুকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
সারিকা আসল। আর অপূর্ব তার পকেট হতে কানের দুলটি দিয়ে,
অপূর্বঃ মেম, দেখুন, এটাই মনে হয় আপনার কানের দুল।
সারিকাঃ হ্যা....। এটাই আমার কানের দুল। জানেন এটা আমার মা মৃত্যুর আগে জন্মদিনে এটা গিফ্ট দিয়েছিল। আর একটা কথা, আজও মনে হয় রেস্টুরেন্টে ডিউটি করছেন। আপনি আরো কি করেন?
অপূর্বঃ আমি পড়াশোনার পাশাপাশি এ জবটি করছি। আমি চাই আত্মনির্ভরশীল হতে।
এভাবে কথা চলতে থাকে। সারিকা দূর্বল হতে থাকে অপূর্বের প্রতি। অপূর্বকে ভালবাসতে শুরু করে।
♥♦♥♦♥♦♥♦♥
অপূর্ব প্রায় সারিকার বাসায় সামনে ঘুরঘুর করে সারিকাকে দেখার জন্য। সারিকা তা লক্ষ্য করছিল।
সারিকাঃ এই যে মিঃ, এদিকে বেশি অর্ডার হয় বুঝি।
অপূর্বঃ হ্যা...। এদিকে একটু চাপে থাকি।
সারিকাঃ হুম। দেখে তো তাই মনে হয়।
এগুলো বারবার পুনরাবৃত্তি হয়। অবাক হয় সারিকা। তবে স্বাভাবিকও বটে। হতেও পারে।
♥♦♥♦♥♦♥♦♥
আজ একটি অর্ডার সারিকাদের বাড়ির দুতলায়। তাই অপূর্ব দাঁড়িয়ে আছে। রিক্সায় সারিকা বাসায় ফিরে।
সারিকাঃ কি মিঃ আজ? কিসের অর্ডার?
অপূর্বঃ এই বাসার দুতলার অর্ডার ছিল।
সারিকাঃ এই বাসার দুতলার লোকজন গত তিনমাস হলো দেশের বাইরে। মনে হয় ভুতে অর্ডার করেছে।
অপূর্বঃ ওওও তাই!
এই বলে সারিকাকে গিফ্ট টি দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আর পালিয়ে যাবে কোথায়?
♥♦♥♦♥♦♥♦♥
আমি আবারও হাজির হবো পরের পর্ব নিয়ে। বাই বাই ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now