বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূতুরে গুহা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক ::: ভূতুরে MH2 আমি তখন পুরাতত্ত্ব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়তাম।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি ডেনমার্কের একটি পুরনে শহরে অবস্থিত। শহরে পুরনো অনেক বাড়ি আছে।ডেনমার্কে অনেক অতি পুরনো স্থাপনা বিদ্যমান। মূল ঘটনায় আসি। আমাদের পরীক্ষায় থিসিসে কাজ পড়ে,আমাদের গ্রুপের কাজ ছিল কোনো পুরনো একটা গুহা বিষয়ে রিপোর্ট তৈরী করা।আমাদের গ্রুপ মেম্বার ৫ জন,আমি,এন্ড্রু,মাইকেল,রবিন,রশীদ। খৃষ্টান তিনজন কিছুটা নাস্তিক টাইপের ছিল।আমরা আমাদের থিসিসের কাজের জন্য আমাদের কাছের একটা গুহার সন্ধান পেলাম,গুহাটা হাজার বছর ধরে পরিত্যক্ত।অনেকে বলে যারা ওই গুহায় যায় তারা পাগল হয়ে যায়।গ্রুপের বাকি ৩ জন নাস্তিক হওয়ায় তারা ব্যাপারটাকে গুরুত্ব দেয় না। আমরা পরের দিনই রওনা হয়ে যাই।গুহায় পৌছাতে প্রায় ৯ ঘন্টা সময় লাগে আমাদের।গুহার ভিতর দিকটা ছিল অন্ধকার।আমরা টর্চ জ্বালিয়ে ভিতরের দিকে ঢুকলাম।কোনে কিছু চোখে পড়ল না। আরও ভিতরে ডুকলাম।কয়েকটা জিনিস তখন আমরা দেখলাম,দেখলাম শিলালিপি যুক্ত কয়েকটা পাথর আর মানুষের হাড়েরর টুকরা আছে।আমরা পাথরগুলো সঙ্গে নিলাম কারণ এগুলোর প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য আছে আর থিসিসে কাজে লাগবে।এন্ড্রু কেন জানি না কয়েকটা হাড় নিল।সকলকে জোড় করে একটা করে হাড় দিয়ে দিল, বলল এগুলোও কাজে লাগতে পারে।আমার ভয় লাগছিল হাড়গুলো রাখতে,তাই বাইরে আসার পর আমি চুপিচুপি হাড়গুলো ফেলে দিই।বাড়ি আসার সময় একটা পাথর খন্ড নিয়ে আসি টেস্ট করব বলে।বাড়ি এসে আমায় অবাক হতে হয়,কারণ দেখি আমার ব্যাগে হাড়গুলো আছে।ওই হাড়গুলোই যা আমি ফেলে দিয়েছিলাম।আমি ভাবলাম এন্ড্রু মনে হয় দুষ্টুমি করে হাড়গুলো আমার ব্যাগে আবার রেখেছে সে রাতে আমি অনেকরাত পর্যন্ত থিসিসের কাজ শেষ করে যখন শুলাম,মাঝরাতে আমার ঘুম ভাঙ্গল।ঘরের হালকা আলোয় দেখলাম সারা ঘরে অসংখ্য গলা কাটা মাথা ভরে আছে,রক্তে সারা ঘড় ভেসে যাচ্ছে।আমার দুইপাশে দুইটা লাশ শুয়ে আছে।আমি ভয়ে জোরে চিৎকার দিলাম।সবাই আসল,দেখলাম কিছুই নেই। পরেরদিনই আমি হাড়গুলো ফিরত দিই ওদের,কিন্তু কী করে যেন আমার কাছে চলে আসে।প্রতিরাতেই একই ঘটনা ঘটছে। আমি আর সহ্য করতে পারছি না।আমার গ্রুপমেট এন্ড্রু আত্মহত্যা করেছে।বাকিরা সবাই পাগল হয়ে যাচ্ছে আমার মতো। প্রতিরাতে ঘুমাতে পারছি না।পড়াশোনা আর শরীর দুটোই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।কী করতে পারি এখন আমি??? [গল্পটা কেমন লাগল???আমার লেখা এই ভূতের গল্পটা আশা করি ভালোই লেগেছে আপনার,পড়ার জন্য ধন্যবাসা দিলাম] আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now