বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভয়ানক প্রহরী
পর্ব : ০১
-----------------
"ক্যাপ্টেন ওই ক্যাপ্টেন "
"জ্বি ম্যাডাম ( দৌড়ে তানহার রুমে ডুকে হাপাতে হাপাতে) "
"গাড়ি বের করো আমি সেখানে যাবো "
ক্যাপ্টেন : কিন্তু ম্যাডাম এখন তো রাত?
তানহা :কোনো কিন্তু না।
ক্যাপ্টেন চলে গেল।
"এখন কি করবো হিটলার জানলে সমস্যা হবে "
তানহা :ক্যাপ্টেন কই গেলে, গাড়ি বের করছো।
ক্যাপ্টেন :জ্বি ম্যাডাম।
"ক্যাপ্টেন গাড়িতে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে আছে, কালো একটা শাড়ি পরছে চাদের আলো তানহার খোলা চুলে পরছে,চিক চিক করছে শাড়ির স্টোন গুলো থেকে আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে,ঝোছনা মাখা চাঁদ পরী "
তানহা :হা করে কেনো আছো চলো।
ক্যাপ্টেন :হুমমম চলুন।
"আরে তানহা তো কালো শাড়ি পরছে।আরে এটা তো জেছে বিপদ "
তানহা :ক্যাপ্টেন ( দাতে দাত চেপে রেগে)
ক্যাপ্টেন :কি হলো আপনার?
তানহা :এটা কি সাইকেল চালাচ্ছো,দেখো সাইকেলও তোমার আগে চলে যাচ্ছে ( কটমট করতে করতে)
ক্যাপ্টেন :ম্যাডাম ১মিনিট।গাড়ি থামিয়ে তানহার দিকে ঝুকে সিট বেল্ট বেদে দিল।
তানহা :হা করে আছে।মনে হচ্ছে ঘুষি মেরে নাক ফাটিয়ে দেই।
রায়হান :আমার ড্রাইভিং নিয়ে কথা,আরে আমি তোমাকে মিনিটে নিয়ে যেতে পারি।"মনে মনে ভাবছে আর গাড়ি ফুল স্পীডে চালাচ্ছে ৩০ মিনিটের রাস্তা ৮মিনিট ১৫ সেকেন্ড এ পৌছে গেছে।
তানহা :এত স্পিডে কেউ চালায়? (হাপাতে হাপাতে)
ক্যাপ্টেন :এই নিন পানি খান।(পানির বোতল এগিয়ে দিয়ে)
তানহা :ঢক ঢক করে সব পানি খেয়ে ফেলল।
ক্যাপ্টেন :"কি করে বুজাবো এই জায়গাটা নিরাপদ নয়, "
তানহা :জানো ক্যাপ্টেন এখানে কেনো আসি।
ক্যাপ্টেন :না ম্যাডাম "তানহার কথায় ভাবনা রেস কেটে গেলো "
তানহা :এই এখানে আব্বু, আর আম্মু রাতে accident করছিল,তখন আমি খুব ছোট,আর ফিরে আসেনি তারা,তারপর থেকে দাদুর কাছে থাকতাম,কিন্তু পোড়া কপাল দাদুও চলে গেল, তখন আমি অনেকটা বড় সবে মাত্র বুজতে শিখছি।(বলেই কাদতে লাগল)
ক্যাপ্টেন :ম্যাডাম কাদবেন না,আপনি কাদলে,আমার খুব কষ্ট হয়।দেখুন ম্যাডাম কতগুলো জোনাকি।
তানহা :জায়গায় টা বেস নিস্তব্ধ, মাঝখানে রাস্তা,দুই পাশে ভয়ংকর জঙ্গল।দেখলেই ঘা শিওরে উঠে,তবুও এখানে আসি,কারন এখান থেকেই সবকিছু শেষ হয়ে যায়।
এদিকে,হিটলার খবর পেয়ে গেছে রাত্রে তানহা বাড়ির বাহিরে,খুব রেগে আছে,
অনেক রাত হয়েছে,দুজনের মাঝে কোনো কথা নেই,চারপাশ জুড়ে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে,শিতল হাওয়ায় শরীর হিম হয়ে গেছে।
ক্যাপ্টেন :ম্যাডাম , একি তানহার তো জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে।ম্যাডাম, শুনছেন।"কাদ ধরে ধাক্কা দিতেই এলিয়ে পড়ে যেতে নিল,কোনো হুশ নেই "নাহ গাড়িতে নিতে অনেক সময় লাগবে,পাজকোলে নিয়ে দৌড় দিতেই মিনিট ৫ এর মধ্যে বাসার সামনে এলো,গেট দেয়াই থাক,জানালা দিয়ে ডুকে নিজের রুপ বদলে নিল।বিছানায় শুয়ে,তানহার মামা কে ডাক দিল।
ক্যাপ্টেন :মামা।
বুড়ো মামা ( কাজের লোক) :তোমাকে বলতে হবে না তুমি যাও।
ক্যাপ্টেন ছাদে চলে গেলো,ভাবতে লাগল মামা কি করে জানলো,মনে হয় বুজতে পারছে,তানহা কে তো অনেকদিন ধরে মেয়ের আদর দিয়ে আগলে রাখছে,রুপ বদলে নিজের রুপে ফিরে।বেরিয়ে গেলো,
শেষ রাতে
to be continue......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now