বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
read untill finish
♦একদিন একটি ছোট্ট শিশু স্কুল থেকে এসে তার মাকে একটি চিঠি দিয়েছিল।
সে তার মাকে বলল "মা, শিক্ষক এই চিঠিটা তোমাকে দিতে বলেছে, কি লেখা আছে আমাকে একটু পড়ে শোনাও" ।
চিঠিটা পড়ে মার চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল। তারপর তিনি চিঠিটা জোরে পড়তে লাগলেন তার ছেলের জন্য।
আপনার ছেলে অনেক জিনিয়াস। তাকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার জন্য আমাদের স্কুল অনেক ছোট। দয়া করে আপনি ওকে নিজেই শিক্ষা দিন।
এবং তার মা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই কাজই করেছিলেন।
মা মারা যাওয়ার অনেক বছর পর তিনি শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ উদ্ভাবক হয়েছিলেন।
একদিন তিনি মায়ের পুরাতন জিনিসগুলো দেখছিলেন এবং সেখানে স্কুলের সেই চিঠিটা পেয়েছিলেন।
যা তাঁর শিক্ষক মায়ের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন।
"আপনার ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ। আমরা তাকে আমাদের স্কুলে রাখতে পারছি না। তাকে বহিষ্কার করা হল" ।
এই চিঠি পড়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছিলেন এবং তাঁর ডায়েরীতে লিখেছিলেনঃ "আমি ঘাটতিসম্পন্ন শিশু ছিলাম, সেখান থেকে মা আমাকে সর্বশ্রেষ্ঠ উদ্ভাবক বানিয়েছেন।"
তিনি আর কেউ নয়, বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক ~ থমাস আলভা এডিসন"।
একটি ইতিবাচক কথা এবং অনুপ্রেরণা কারো পুরো জীবন পাল্টে দিতে পারে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now