বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাসায় ফিরে এলাম।বকুল ভাইয়ার কাছে গেলাম।
"ভাইয়া কি করিস?"
"পড়ছি।দেখিস না?"
"দেখেছি ভাইয়া।"
"যা পড়।"
"কেবলই বাইরে থেকে এলাম।রাতে পড়বো।"
"ঠিক আছে যা।"
রাতে পড়তে বসলাম।বকুল ভাইয়া আমার পাশে এসে বসলো।আমি যেন পড়া বাদ দিয়ে অন্যকিছু না করি এইজন্য ভাইয়া আমার পাশে বসে পড়ে।
"ভাইয়া।"
"হুমম বল।"
"এই ভাইয়া।"
"হুমম বল!"
"দেখ কি সুন্দর চাঁদ উঠছে।চারদিকে চাঁদের আলোয় বাইরে কি সুন্দর দেখাচ্ছে।"
ভাইয়া বাইরে তাকালো।তারপর বইয়ের দিকে তাকিয়ে বলল,"হুমম খুব সুন্দর।"
"ভাইয়া নে তুই আর আমি ছাদে যায়।"
ভাইয়া এখনো বই থেকে চোখ ফেরায়নি।বলল"যেয়ে কি করবো?"
"তুই কি কিছুই বুঝিস না ভাইয়া!!"
ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে বলল,"না কি বলতে চাস বল।"
"ভাইয়া ছাদে যেয়ে তুই বাঁশি বাজাবি আর আমি গান বলবো।"
"না।"
"ভাইয়া চল।এই ভাইয়া চল।"
"না ইভা।"
"ভাইয়া আমি তোর ছোট বোন না?"
"তাতো অবশ্যই।"
"চল ভাইয়া।প্লিজ ভাইয়া।দেখ কি সুন্দর চাঁদ কি সুন্দর চারদিক।তুই সুন্দর বাঁশি বাজাতে পারিস।চল ভাইয়া।প্লিজ ভাইয়া।এই ভাইয়া।ওই ভাইয়া।ভাইয়াআআআআআআআআআআআআ।"
"ঠিক আছে চল।"
হিহিহি আমি আর ভাইয়া ছাদে গেলাম।ভাইয়া বাঁশি বাজাচ্ছে আর আমি আমি গান বলছি।এক ঘন্টার মতো কাটালাম।তারপর চলে এলাম ঘরের ভেতর।
পরদিন
নদীর কাছে যেয়ে দেখলাম প্রজাপতি আপু একা একা বসে আছে।এই একা দেখে "তুমি হিনা" গান মনে হলো।
"একলা একা প্রজাপতি ভুলে যায় উড়ার কথা,ডানায় তার ভর করেছে বিষণ্ণ এক নীরবতা....।"
প্রজাপতি আপু আমার দিকে তাকালো।বলল"আরে ইসরাত তুমি?"
আমি দৌড়ে কাছে যেয়ে আপুকে জড়িয়ে ধরে বললাম,"হাপ্পু গাপ্পু কাপ্পু ওরে আমার প্রজাপতি আপ্পু দাও তো পাপ্পু।"
আপ্পু হেসে হেসে আমাকে পাপ্পি দিলো।
"হিহিহিহিহিহিহিহিহি আপ্পু।এখানে কেন?"
"তুমি এখানে একা কি করো?"
"আমি আর কি করি সারাদিন কি করলাম আর কি করবো এসব ভাবি।"
"খালি ফাজলামির চিন্তা ভাবো না?"
"ভাবিতো।সুখ দুঃখ সব কথা।"
"এমা তোমার দুঃখ কি?"
"জানি না আপ্পু কিসের দুঃখ।হাসিখুশিতে দিন কাটাচ্ছি।সারাদিন ফাজলামি আড্ডা এসব করেই তো দিন কাটাই।"
"হুমম হাশিখুশির থাকার জন্য তোমাকে পুরুষ্কার দেওয়া উচিত হিহিহিহি।তোমার মনে কোনো দুঃখ নেই হাসিখুশি থাকো সবসময় এইজন্য।"
"হিহিহিহি আপি।আপু এখন আমি যাই।অনেক কাজ আছে।"
"কি কাজ?"
"কিছু না ফাজলামি করবো হিহিহিহি।"
রেহনু আপুদের বাড়িতে এলাম।বড় আপুদের দেখেই বললাম"হাপ্পু গাপ্পু কাপ্পু ওরে আমার মিম,রেহনু,রুবা,শাহী,তুবা আপ্পু দাও তো পাপ্পু।"
সবাই হেসে ফেলল এই কথা শুনে।সবাই এক এক করে পাপ্পি দিলো।ছোটদের দেখলাম।
"হাই গুলুমুলু তাহা, পুষপু ,সুস্মি,ইরু।"
সবাই একসাথে বলল,"হাপ্পু গাপ্পু কাপ্পু ওরে ইসরাত আপ্পু দাও তো পাপ্পু।"
এরা সবাই আমার থেকে এ ডায়লগ শিখছে।এটা আমি নিজে বড় আপুদের হাসানোর জন্য বানিয়েছিলাম।সবাইকে এক এক করে পাপ্পি দিলাম।
"আপ্পু চা খাবো চা।"
কিছুক্ষন পর চা এসে গেল।
এ বাড়ি থেকে হলাম।মফুর সাথে দেখা হলো।
"এ মফু শোন কি সুন্দর লাগছে আজকে তোকে গুলুমুলু।"
"তাই নাকি আপ্পি!!"
"হুমম দ্বারা তোর সাথে সেলফি তুলি।আগে তোর ফটো তুলি।সুন্দর করে দাঁড়িয়ে যা।"
মফুর একটা ফটো তুললাম।মফুর সাথে সেলফি তুললাম।আরেকটা তুলতে যাবো আর ক্যামেরার ভেতর দেখি মফুর সাথে ফারহান ,ইস্কান্দার আর রাহীন।
"এতজন কোথা থেকে এলো!!"
পিছনে তাকিয়ে দেখি সত্যি।
রাহীন বলল"আপু তুমি খালি মফুর সাথেই সেলফি তুলবে?আর আমাদের সাথে?"
"ও এই ব্যাপার!!!আয় তোদের সবার সাথেই সেলফি তুলবো।"
আমাদের সেলফি তোলা শেষ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now