বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
[এখানে আমার/আমি কথাটি আত্মহত্যাকারী ব্যাক্তির অর্থে ব্যবহৃত]
আমার এই অবকাশ জীবন যেন অপ্রতুল দেহ। আমার দূরত্ব পৃথিবীর মানুষের দূরত্ব থেকে বিশাল। আমাদের পরিবেশ বান্ধব পৃথিবী থেকে গমন ঘটেছিল অন্ধকার পটভূমি নিয়ে।
কি হয়েছিল সেদিন.......
আমি একটি ভন্ড মেয়েকে খুব ভালোবেসে ফেলেছিলাম আমার জীবন থেকেও। কিন্তু আমাকে ছেড়ে চলেগিয়েছিল সে। আমি মায়ার জালে আবদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম এবং তা সহ্য না করতে পেড়ে ফাঁশি লাগিয়ে আত্মহত্যা করি। আমরা প্রত্যেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন মায়ার জালে আবদ্ধ। তবে তাকে আশ্রয় না দিয়ে সেই যায়গা থেকে সুখ কুজে নিতে হবে। আমি ভেবেছিলাম আত্মহত্যা করলে বুদহয় সবকিছু থেকে মুক্ত হয়ে যাব কিন্তু আমি যে আরও বেশি পাপের ফল লাভের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেলাম। খুব পাপ করেছি সেদিন। এই পৃথিবীতে যদি কোনো নিক্রিস্ট কাজ তাকে তাহলে সেটি আত্মহত্যা।
বেঁচেও মরে যদি মানুষ দোষে
মরেও বাঁচে যদি মানুষ ঘোষে।
এই প্রবাদটি আমাকে খুব তাড়া করে বেড়ায়। আমাদের এই মানবজীবন শুধু খেয়ে বেছে চলে যাওয়ার জন্য নয় আমাদের ছোট্ট ছোট্ট কাজগুলো মহত্ত্বের পরিচয় দিতে পারে। যারা আমার মতো আত্মহত্যা করে মৃত্যুবরন করে তাদের মানুষ মহত্ত্বের বিমুখতার সহিত শরণ করে। এই তো চলে গেল মা দিবস খুব মনে পড়ছে মায়ের কথা। অনেকেই মা হারা কাঙ্গাল কিন্তু আমার মা থেকেও আমি কাঙ্গাল! কারন এখন আমি মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারিনা। এগুলোই হচ্ছে আমার পাপের শাস্তি। আমার মাও তো ছেলে হারা কাঙ্গাল। আমিতো আত্মহত্যা করে কাঙ্গাল মা কি আমার মতো নিক্রিস্ট ছেলেকে জন্ম দিয়ে! আমি শুধু আত্মহত্যাই করিনি আমি আমার পরিবারকে ধংস করে দিয়েছি। আমার মৃত্যুর শোকে আমার বাবা স্টোক করে মারা যান এবং সুনার সংসার পরিবেশের সাথে মিলে যায়। আমি সর্বশেষ সবার উদ্দেশ্য কিছু কথা বলতে চাই....
এক একটি সিদ্বান্ত মানুষের জীবনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায়। আমরা মানুষ আমাদের সিদ্বান্তগুলো কার্জনির্বরশীল হতে হবে। আমারা সবাই মায়ার জালে আবদ্ধ পরিবার ও সমাজ এর মধ্যে মনমালিন্য থাকতেই পারে আমাদের সেই যায়গা থেকে সুখ খুজে নিতে হবে। সেই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য না দিয়ে সুন্দর জীবনকে গড়ে তুলতে হবে। অনেকেই সেই সময়গুলোতে ভাবে বুদহয় মৃত্যুই একমাত্র পথ মুক্তির তা আসলে নয়। এই রকম নিক্রিস্ট কাজ শুধুমাত্র পশুরাই করতে পারে কারন যাদের জ্ঞান বুদ্ধি আছে তারা এই রকম কাজ করতে পারে না। আমি ও পশুর দলেই ছিলাম। পশু ও মানুষের মধ্যে পার্থক্যই জ্ঞান ও বুদ্ধির। পৃথিবীতে চলার পথে নানা বাধাই আসতে পারে কিন্তু মানবজীবনের উদ্দেশ্যকে সফল করতে সেই বাধাগুলো অতিক্রম করতে হবে। আমার মতো নিক্রিস্ট কাজ আত্মহত্যা করলে চলবে না। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন পরিবারকে সুখি রাখুন। সবাইকে মা দিবসের শুভেচ্ছা।
[গল্পটা কাল্পনিক তবুও কি সত্য]
[বিশেষ দৃষ্টব্যঃ আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ আমার নিজের লেখা দয়া করে নাম ব্যাতিত কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now