বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
..........দিতির কথাগুলোই ভাবছে। দিতি কিভাবে চলে যেতে পারে আমাকে না বলে। অর পরিবারকে ও তো খুব দেখেছি খুব ভালো ছিল। দ্বীপ কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছে বিষয়টি। দ্বীপ খুজ নিতে দিতির সহপাঠীদের শরণাগত ও হয়। কিন্তু তারাও কিছু জানে না!
দ্বীপ মনে মনে ভাবতে থাকে সে কি আমাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবেসেছিল নাকি আমার ক্যারিয়ারকে! এভাবে কিছু দিন কাটার পর সে নিজেকে খুব শক্ত করে এবং নিজেই নিজেকে বলে দ্বীপ সামনে তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এখন তোমার ক্যারিয়ার গঠন করার সময় তোমাকে ভেঙ্গে গেলে চলবে না। এভাবে দ্বীপ বিষয়টাকে তলানিতে ফেলে দেয় এবং ক্যারিয়ার গঠন করতে শুরু করে। এভাবে আরও আট বছর কেটে গেল.........
এখন দ্বীপ একটি বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা। ব্যাংক থেকে একটি চিঠি আসল ব্যাংকের একটি কাজের জন্য থাকে ঢাকা যেতে হবে। সে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল তখন হঠাৎ ভাগ্যক্রমে দেখা হয়ে যায় দিতির মার সঙ্গে।
দ্বীপঃ আন্টি আপনি এখানে!
দিতির মাঃ তোমি কে বাবা চিনলাম না যে?
দ্বীপঃ আন্টি আমি দিতির স্কুল বন্ধু!
দিতির মাঃ তোমিই সেই দ্বীপ যে আমাদের বাড়িতে দিতির সঙ্গে প্রায়শ যেতে।
দ্বীপঃ এ আন্টি।
দিতির মাঃ তোমাকেই এতটা বছর খুঁজেছি!
দ্বীপঃ কেন? দিতি এখন কি করে।
দিতির মাঃ আস আমার সঙ্গে আমার বাড়িতে তাহলেই সব বুঝতে পারবে।
এই কতা বলেই দ্বীপ কে নিয়ে তিনি তার বাড়িতে চলে এলেন। তিনি একটি চিঠি বের করে দিলেন তার ড্রয়ার থেকে আর বললেন...
দিতির মাঃ এই নাও চিঠি।
দ্বীপঃ চিঠি দিয়ে কি করব! দিতি কোথায়?
দিতির মাঃ এটা পড়লেই সব বুঝতে পারবে। সেই চিঠিটা দেওয়ায় জন্য আমি অনেকটা দিন অপেক্ষা করেছি।
দ্বীপ চিঠি খুলল এবং চিঠির অংশটুকো পড়তে লাগল.....
প্রিয় দ্বীপ
আজ যখন তোমি চিঠিটা পড়ছ তখন তোমি ক্যারিয়ার পূর্ণ এক যুবক। আর আমি এখন না ফেরার দেশে। আমি তোমার থেকে অনেক দূর চলে এসেছিলাম তোমার ভালোর জন্য। আমি
যখন এস.এস.সি পরীক্ষা দিয়ে বাড়িতে তখন আমার বুকে খুব সমস্যা করছিল তার পর টেস্ট করিয়ে দেখি আমার ব্লাড ক্যান্সার। তার ফল অঘুম মৃত্যু জেনে আমি তোমাকে ভালো দেখতে চলে এসেছিলাম ঢাকায়। কারন যদি আমি তোমাকে সেটি বলতাম তাহলে তোমি সেটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারতে না এবং তোমার ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যেত। আমি জানি তোমি আমাকে খুব ভালোবাস। তোমি বুদহয় আমাকে খুব অবিশ্বাস করেছিলে। কিন্তু আমি জানি তোমি একদিন আমার চিঠিটা পড়বে এবং চেরে আসার কারনটাও জানতে পাড়বে। কারন আমাদের ভালোবাসা ছিল কাটি যার মধ্যা কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। আমাদের প্রেমের পূর্নমিলন ঘটেনি বুদহয় নিয়তির জন্য।এই নিয়তিই বুদহয় চায়নি আমাদের এক হতে। এই নিয়তিই সমাজকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায়। তাই নিয়তির সমাজকে বিশ্বাস করে আমার অঘুম মৃত্যুকে চাপা দিয়ে আমাদের বালোবাসাকে বিশ্বাস রেখে তোমি তোমার সামনের সময়গুলোকে ভালোভাবে সফল কর। ইতি
তোমার প্রিয়
দিতি
সেটি পড়ে দ্বীপ কাঁদতে থাকে.................(শেষ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now