বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সহধর্মিণী (পর্ব-৪)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আনিছুর রহমান লিখন (guest) (০ পয়েন্ট)

X সুখের ঘরে বসত করে মনের মানুষ হায়! জীবন যেন যাচ্ছে চলে উদাসী হাওয়ায়। আমি ও অপরাজিতা। একে অপরের এক বিরামহীন দৃষ্টিতে চেয়ে থাকি। যেন পলক পড়ে না। চোখ জল জমার দৃশ্য দেখি। পরে তা টপটপ করে পড়তে থাকে। আমি অপরাজিতার চোখের জল মুছে দেই। অপরা আমার হাতটি তার গালে রেখে ও ধরে আরো কাঁদতে থাকে। - তুমি কি আজো অভিমান করে থাকবে? আমি তো বলেছি, আমার ভুল ছিল। আমাকে ক্ষমা করা যায় না কি? - আমি যেদিন চলে আসলাম। সেদিন তো বলতে পারতে অপরাজিতা তুমি যেও না। আমি কি চলে আসতাম। - আমি না হয় রাগে কিছু বলি নি। তাই বলে তুমি কি আমাকে একা ফেলে চলে আসবে? - আমি চলে আসলেও তোমাকে প্রতিটি ক্ষণে মনে করেছি। - আমি জানি তুমি আমাকে আজো একই রকম ভাবে ভালবাসো। - এতো কিছু জানো, তাহলে আমাকে ফিরিয়ে নিতে আসো নি কেন? - আমার ভুল হয়েছে। আজ আমি অনুতপ্ত! বিষন্ন মনের কথা বলা হয় নি। বলা হয় নি তোমাকে ছাড়া আমার এক মুহূর্তও চলবে না। ফিরিয়ে নিতে আমার মনটা হু হু করে কেঁদে ওঠে। - চুলে পাক ধরিয়েছো ঠিকই, কিন্তু মনে পাক ধরেনি, আগের মতোই আছে। সেই চপলা, চঞ্চলতা, আমার মিষ্টি বউটা! অপরাজিতা। - ভাল কথাই শিখেছো। আমি এত সহজেই ধরা দেব না। - জানি আমি তোমাকে ধরতেও পারব না। তবুও তোমায় ভালবাসি। যদি আমি চলে যাই আমাকে শেষ দেখাটা দিও। অপরাজিতা তার হাতে আমার মুখটা চেপে ধরল। আর বলল, - এত কিছু কি করলাম এমনিতেই? আমি তোমার অস্তিত্বেই মিশে আছি, এটা কি ভুলে গেলে? আমি অপরাজিতাকে বিশটি বছর পর আলিঙ্গন করলাম। ওকে কিছু বলার সুযোগই দিলাম না। ও চুপটি করে আমার বুকের সাথে মিশে রইল। ক্ষত হৃদয়টা যেন আজ তার স্পর্শে ভাল হয়ে যেতে লাগল। - বিশ বছর এর জন্য অপেক্ষা করেছিলাম, তুমি আমাকে এভাবে জড়িয়ে রাখবে, আনিছ। - আদনান কি আমাকে চিনতে পারবে? - তোমার ছেলে তোমাকে চিনবে না? - আমার আবরার এসেছে এখানে ভর্তি হতে। - তাই! আবরার কি ওর মা কে চিনবে? বিশ বছর পর আবারও আমরা একই বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। অপরাজিতা ও আমি। বুকের ভেতর জমানো সব কথাই যেন ভালবাসার স্পন্দন হিসেবে প্রকাশ পেল। ফিরে পেলাম আমার মধুর সংসার। আমার মনের সহধর্মিণীকে। যে আমাকে বিশটি বছর এভাবেই মনে রেখেছে। আর আমার আসার প্রহর গুনেছে। আজ আমি আমার অপরাকে আমার অস্তিত্বে জড়িয়ে রেখেছি। যেন সে হারিয়ে না যায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now