বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বসন্তের ভোরবেলা। আসলে সেই ভোরবেলায় ঘুম থেকে না উঠলে তার মাহাত্ম্য অনুভব করা যায় না। পাখির কলরব,শান্ত পরিবেশ এই পরিবেশ না দেখলে মনেই হয় না জড়জগৎ কতটা কষ্টের। দিতি অষ্টম শ্রেনিতে পড়ে আজ তার নতুন কোচিংয়ের প্রথম দিন।
দিতির মাঃ এই দিতি বেলা হল যে আজ না তর কোচিংয়ের প্রথম দিন?
দিতিঃ এ মা।
দিতির মাঃ তাহলে শিগগির করে তৈরি হয়েনে আমি নাস্তা তৈরি করে দিচ্ছি।
দিতি তৈরি হয়ে নাস্তা করে কোচিংয়ের চলে গেল। নতুন কোচিংয়ের তার খুব বেশি একটা অনুতপ্ত হতে হলো না। কারন সেই কোচিংয়ের তার কিছু সহপাঠী ছিল। সেই কোচিংয়ের ভাল ছাত্র দ্বীপ। দিতি তার সহপাঠীদের নিকট থেকে তা শুনেছে। পড়া শেষে সবাই বেড়িয়ে যাচ্ছে সেই সময় দেখা হয়ে হয়ে যায় দ্বীপ ও দিতির।
দ্বীপঃ হাই,তোমি বুদহয় নতুন!
দিতিঃ হে আজ প্রথম আসলাম।
দ্বীপঃ স্বাগতম।
দিতিঃ স্বাগতম মানে!
দ্বীপঃ নতুন কেউ আসলে তো স্বাগতই জানাতে হয়।
দিতিঃ ধন্যবাদ।
দ্বীপঃ অনেক কথা হলো কিন্তু পরিচয় ঐ জানা হলো না। আমি দ্বীপ।
দিতিঃ আমি দিতি। নাইস টু মিট ইউ। সি ইউ টুমরো। বাই।
দ্বীপঃ আমারও। বাই।
এভাবেই তাদের পরিচয়। তাদের শুধু কোচিংয়েই দেখা। কারন তারা ভিন্ন স্কুলে লেখাপড়া করে। এভাবেই তাদের বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে ভালোলাগা, তারপর ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা। এভাবে চলতে চলতে তাদের জে.এস.সি পরীক্ষাই চলে এল। শেষ যেদিন অষ্টম শ্রেনির কোচিং হলো সেই দিন উভয়ের মন খুব খারাপ। সেই দিন যেন তারা শহরের অজানা অচেনা মেটুপথ দিয়ে আটতেছে। যে পথ দিয়ে তারা প্রত্যেকদিন কোচিং শেষে হাটে সেই পথ জেন খুব অচেনা।
তারা কেউ কথা বলছে না শুধু হাটছেই। অনেকদূর পর....
দ্বীপঃ দিতি কোনো কথা বলছ না যে।
দিতিঃ কি কথা বলব! আজ শুধু তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছে।
দ্বীপঃ কেন আমাকে কি আজ নতুন দেখেছ?
দিতিঃ তোমাকে আমি যতই দেখি ততই যেন নতুন লাগে। তোমাকে অনেকদিন দেখতে পারব না তাই খুব কষ্ট লাগছে।
দ্বীপঃ আমরও তো।
দিতিঃ এখন মন খারাপ করে লাভ নেই আমাদের পরশু থেকে পরীক্ষা।
দ্বীপঃ তোমি টিক বলেছ। কিন্তু দিতি জড়জগৎ টা খুব হিংসুটে কখনো হাসায় আবার কখনো কাঁদায়। অনেক্ষন কথা বলে দুজন দুজনের পথে চলে গেল। পথ যেন তাদের ডাকছে আর বলছে তোমরা যদি এখন না আস তাহলে আমি কার প্রতিক্ষায় বসে থাকব। তোমাদের খুনসুটি না দেখলে যে আমার দিনই ভাল যায় না। এভাবে পরীক্ষা দিল ফলাফল বের হলো তারা দুজনেই ভালো রেজাল্ট ও করলো। এভাবে চলতে চলতে আরও দুটি বছর কেটে গেল। আজ তাদের এস.এস.সি পরীক্ষার শেষ দিন। আগেই তারা বলেছিল যে শেষ দিন তারা একসাথে যাবে। তারা পরীক্ষা শেষে দেখা করল.....
দিতিঃ দ্বীপ কেমন হলো পরীক্ষা?
দ্বীপঃ ভালই হলো। তোমার?
দিতিঃ ভালই। পরীক্ষা তো শেষ রেজাল্টে পর কোন কলেজে ভর্তি হবা।
দ্বীপঃ কোন কলেজে আবার কি তোমি যে কলেজে।
দিতিঃ তোমি আমাকে না দেখলে কি খুব মিস কর?
দ্বীপঃ অবশ্যই।
দিতিঃ আমি যদি তোমাকে ছেড়ে কখনও চলে যাই!
সেই কথা শুনে দ্বীপ চলে যাচ্ছে তখন তাকে গিয়ে দিতি জড়িয়ে ধরল আর বলল।
দিতিঃ আমি কখনও আর এই রখম বলব না। আমি মজা করছিলাম। আমি দুঃখীত।
এভাবে কিছুূূদিন পর রেজাল্ট বের হলো। দিতি দ্বীপ থেকে খুব ভাল রেজাল্ট করল। তখন দ্বীপ খুব খুশি হলো এবং দিতিকে কংগ্রেচুলেশন জানানোর জন্য ফোন করল কিন্তু ফোন বন্ধ দেখাচ্ছিল। অনেক বার চেষ্টার পরও। দ্বীপ খুজ নিয়ে দেখে তারা নাকি বাসা ছেড়ে ঢাকায় চলে গেছে। তখন তার মন খুব খারাপ হয়। সেই সময়টাকে মেনে নিতে তার খুব কষ্ট হচ্ছিল। তবুও মেনে নিয়ে সে কলেজে ভর্তি হলো। দ্বীপ শুধু....................(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now