বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এটি ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একটি ঘটনা। বসফরাসের পাশে চানাক্কাল নামক এক স্থানে উসমানীয় বাহিনী ও ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ চলছে। ১ম দিনের যুদ্ধ শেষে দুই বাহিনীই যুদ্ধ বিরতি দিলো। সারারাত বিশ্রাম নেয়ার পর উসমানীয় বাহিনীর কমান্ডার তায়ার পাশা আদেশ দিলেন যে, তার বাহিনীর মধ্যে যার আযানের গলা খুব ভালো তিনি যাতে একটি বাঙ্কারের উপর উঠে আযান দেন। তার আদেশমতো একজন সৈন্য বাঙ্কারের উপর উঠে খুব জোরে সুমধুর গলায় আজান দিলেন। আযান শেষ হওয়ার সাথে সাথেই ইংরেজ বাহিনীর এলাকা থেকে উসমানীয়দের এলাকায় কয়েকটি পাথর এসে পড়লো। পাথরগুলোতে ফার্সি ভাষায় কিছু কথা লিখা ছিলো -
ফার্সিতে লেখা ছিলো ‘ আমরা ভারতীয় মুসলিম সৈনিক। ইংরেজরা আমাদের বলেছিলো যে, আমরা অটোম্যানদের সাথে একসাথে জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যাচ্ছি। কিন্তু এখন দেখছি আমাদেরকেই উসমানীয় খিলাফতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা আপনাদের আযান শুনেছি। অপেক্ষায় থাকুন, আমরাও আপনাদের সাথে যোগ দেবো’।
ফার্সিতে লেখা ইংরেজদের এই মহাপ্রতারণায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলো পুরো উসমানীয় শিবির। কুটচাল চেলে ইংরেজরা শেষ পর্যন্ত আপন জাতির ভাইদেরই বিরুদ্ধেই একে অপরকে যুদ্ধে নামিয়ে দিয়েছে। এরপর উসমানীয়রা পাথরে লিখলো ‘ আমরা উসমানীয় সেনা। সুলতান আব্দুল হামিদের সৈনিক। তোমাদের জন্য আমাদের দরজা খোলা। ‘ পরবর্তীতে বহু ভারতীয় মুসলিম সেনা উসমানীয়দের সাথে যোগ দিয়েছিলো। যার অপরাধে যুদ্ধক্ষেত্রে ইংরেজদের হাতে ধরা পড়া অনেক ভারতীয় মুসলিম সৈনিকদের ফাঁসি দিয়েছিলো ইংরেজরা।
ভেবে দেখুন তো, ইংরেজরা আমাদের মুসলিম ভাইদের বিশ্বের অর্ধেক পথ সেইসময় সফর করিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো মুসলমানদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করাবার জন্য। অথচ মুসলমানরা সে সম্পর্কে অবগতই ছিলো না। এখন তাহলে কিরুপ ষড়যন্ত্র পরিচালিত হচ্ছে!!!
source: Ottoman Dynasty Foundation
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now