বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক:::ভৌতিক MH2.
খাবিব, রোহিনী,ম্যানেজার আর ওই চা বাগানের শ্রমিক লোকটি,সাথে আরও ১০ জন লোক নিয়ে রওনা হলো।তারা ওই বাড়ির পাশে আসতে আসতেই দুপুর হয়ে গেল।যখন তারা বাড়ির কাছে আসল মনে হতে লাগল খুবই স্বাভাবিক একটা বাড়ি,কিন্তু তাদের জন্য ভিতরে কী অপেক্ষা করছে তারা কী জানত???
তারা ভিতরে ঢুকল,দরজার শব্দও এই নিস্তব্ধতারর মাঝে কেমন যেন অদ্ভূত লাগছিল।তারা ভিতরে ঢুকেই দেখল চারিদিকে মাকড়শার জালে ভরা আর অন্ধকার হয়ে আছে।তারা মূল হল ঘরে কাওকে পেল না।হারিয়ে যাওয়া মেয়েটির নাম ধরে তারা ডাকতে লাগল।কোনো প্রতিউত্তর মেয়েটির কাছ থেকে আসছে না বরং তাদের শব্দেরই প্রতিধ্বনি আসছে।খাবিব তার সাথে রাইফেল এনেছিল।সে তা তাক করে রাখল।তারা যেহেতু হল ঘরে কিছুই পেল না তাই তারা ভেতরের ঘরগুলো দেখতে লাগল।সব ঘরই কেমন যেন ভূতুরে হয়ে আছে,সাথে কেমন যেন খারাপ গন্ধ।বাড়িটা বিশাল,খুঁজতে খুঁজতে বিকেল শেষ প্রায় এখনও কোথাও মেয়েটিকে পাওয়া যায় নি।
তারপর তারা বাড়ির যে দিকটা একদম নির্জন সে দিকে চলল,যদিও অনেকে যেতে চাইছিল না,কিন্তু খাবিবের চাপে তাদের যেতে হলো।সেখানে যাওয়ার পর তারা দরজা খুলল,সাথে সাথেই তাদের চমকে উঠতে হলো,তাদের দিকে লাল রংয়ের দুটো চোখ তাকিয়ে আছে।চোখ দুটোতে ঘৃণা এবং রাগ মিশ্রিত আছে।তারা ওই অদ্ভূত জীবের দিকে তাকিয়ে আছে,খানিকটা নেকরের মতো হলেও আকারে বড়,এবং সারা গায়ে ঘন লোম এবং রাগী চেহারা তাকে আরও ভয়ঙ্কর করে তোলেছে।সকলকে চমকে দিয়ে বিস্ময়ের চরমে তুলে ডেকে উঠল জীবটি,মনে হলো যেন শয়তান তার সমস্ত শক্তি এক করে চিৎকার করে উঠল।খাবিব তার সকল বিস্ময় দূরে ফেলে তার বন্দুক থেকে গুলি করল,মূহুর্তে জীবটির অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল,সে যেন মরনপ্রায় সিংহ।তার হাত পা ছুড়ে সে সকলকে আহত করে তোলল,খাবিব সহ সকলে তাকে মারতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ,সব দিকে মারাত্মক ভাবে আক্রমন করতে লাগল ওই জীব,ম্যনেজারের বুকে উঠে আসল জীবটি,তার গলায় তার পায়ের থাবা বসিয়ে দিচ্ছিল,কিন্তু একটা গুলির শব্দ সব কিছুকেই নিথর করে দিল,খাবিব ওই জীবকে দ্বিতীয় গুলি করেছে।জীবটি পালিয়ে গেল এবার।এবার খাবিব সব দিকে তাকাল,খুঁজতে লাগল মেয়েটিকে,তারা ওই ভয়ঙ্কর ঘরের কাছে আসল(যেখানে যক্ষের ধন আছে)।সেখানে তারা ওই মেয়েটিকে পেল।খাবিব ওকে ওই বাড়ি থেকে বাইরে আনল,জ্ঞান আসার পর জিজ্ঞেস করলে বলল:::
সন্ধ্যার দিকে আমি চা তুলতে তুলতে ওই বাড়িটার কাছে চলে আসলাম,সেখানে একটা মেয়ে কাঁদছিল,আমি তাকে আগে কখনও দেখি নি,তাকে যখন ডাকলাম ও মুখ তোলে তাকাল,দেখলাম ওই মেয়েটার পুরো মুখ ফ্যাকাশে এবং পঁচে গেছে,হঠাৎ ঘন কুশাসা আমায় ঘিরে ধরল,আমার গায়ে কেউ হাত দিল আর আমি জ্ঞান হারালাম।
তারপর সবাই চলে আসল ওইখান থেকে।খাবিব তার সকল কর্মচরীকে নির্দেশ দিল যেন আর কক্ষণও ওইখানে না যায়।
কিন্তু ওই আত্মাটাকে আজও সকলে কাঁদতে শুনে,কিন্তু কেউ যায় না।এক জন্তুর বিরাট গর্জন শুনে, কিন্তু কেউ দেখতে যায় না এটা কী,কারণ এটা সেই রহস্যময় জীব,জোজো।
[গল্পটা কেমন লাগল,পূর্বের পর্বগুলোও পড়ুন,]
আল বিদা,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now