বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
জ্বীনের ধর্ম গ্রহণ
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Samir♥ (০ পয়েন্ট)
X
তিনি একজন প্রখ্যাত আলেম ও দ্বীনের বিষয়ে ভালো জ্ঞান রাখেন। তার প্রতিটি কথা সকল শ্রোতাদের মন কেড়ে নেয়। তার প্রত্যেকটি কথাই খুবই গোছানো। তার প্রত্যেকটি কথার মধ্যে সুন্দর সুন্দর মনোভাব ও চারিত্রিক গুনাবলি ফুটে ওঠে। আসলে যাকে নিয়ে এতো প্রশংসা করছি সেই ব্যক্তটি কে তা আপনারা হয়তো ভাববেন, আসলে তিনি একজন মসজিদের ইমাম। সকলেই তাকে খুবই ভালোবাসে।
তার কথা শোনার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে অসংখ্য ব্যক্তিবর্গ। তো একদিন সে এশার নামায পড়ানোর জন্য ঘরের বাইরে বের হয়। মসজিদটা যদিও কিছুটা দূরে ছিলো আর পাশে ঘন জঙ্গল ছিলো কিন্তু তিনি হেঁটে হেঁটেই চলে যেতেন। তিনি যখন যাচ্ছিলেন তখন পাশের জঙ্গল থেকে কিছু একটা নড়ে ওঠে। কিন্তু তিনি এসব বিষয়কে তোয়াক্কা করে দোয়া-কালাম পড়ে হাঁটতে থাকেন।
হাঁটতে হাঁটতে যখন প্রায় মসজিদের কাছাকাছি চলে আসলেন তখন তিনি দেখতে পেলেন একটা আগুনের কুন্ডলী তার মাথার উপর দিয়ে দ্রুত বেগে চলে গেলো। তিনি ঐ জ্বীনের বিষয়টা বুঝতে পারলেন তাই তিনি আর কিছু করলেন না। তিনি এশার নামায যখন পড়াচ্ছিলেন তখন তার মনে হচ্ছিলো পেছনে কে যেনো দাড়িয়ে আছে কিন্তু তিনি যখনই সালাম ফেরালেন তখনই সেটা অদৃশ্য হয়ে গেলো। বাড়ি ফেরার পথে কোনো সমস্যা হলো না।
তারপরের দিন ঠিক এমনই সময় এশার নামায পড়াতে গেলেন। আজকে পাশের জঙ্গলের থেকে একটা বড় বিড়াল এসে ইমামের সামনে এসে হাজির হয় তার সামনে এবং পথ আটকে দাড়ায় কিন্তু ইমাম কোনোরূপ বিচলিত হননি। কারন এটির পায়ের পাতা উল্টা তাই তিনি বুঝলেন এটি একটি জ্বীন। যাইহোক তিনি চুপ করে দাড়িয়ে থাকলেন। হঠাৎ সেটি উধাও হয়ে গেলো।
তাই তিনি আবার পথ চলতে থাকলেন। তখনই একটা মানুষের মতো কিছু একটা জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে তার সামনে দাড়ালো। ইমাম লক্ষ্য করলেন যে ব্যক্তিটির শারীরিক গঠন অন্যদের থেকে আলাদা। তাই তিনি বুঝলেন এটিই সেই জ্বীন। তিনি এবার একটু সামনে এগিয়ে যান ভালোভাবে দেখার জন্য।
তখনই জ্বীনটি বলা শুরু করে, আমি আজ আপনার হাতে ইসলাম গ্রহণ করতে চায়, আমি আপনার মধুর কন্ঠে নামাযে কুরআন তিলাওয়াত ও আপনার সহিহ আকিদাহ দেখে সত্যিই মুগ্ধ, আপনাকে নামাযের সময় বিরক্ত করার জন্য আমি খুব দুঃখিত। ইমাম তাকে কালেমা পড়িয়ে ইসলামে ধর্মে দিক্ষা দিলেন। আর সেই জ্বীনটাই এখন মাগরিব ও এশার সময় ইমামের পেছনে নামায আদায়ে নিত্যসঙ্গী।
{বি,দ্র, গল্পটি কল্পনা থেকে বললাম, আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে}
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now