বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শ্রদ্ধা -1

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Kush Gayen (guest) (০ পয়েন্ট)

X অফুরন্ত ভালোবাসার মধ্যে যেমন একটুখানি ভালোবাসাকে কেউ গুরুত্ব দেয়না ঠিক তেমনি ফুরন্ত ভালোবাসার মধ্যে একটু ভালোবাসার আশায় মানুষ দুয়ার খুলে দেয়, সকল কিছু ভুলে ভালোবাসার উৎসকে আকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। কিন্তু কোনোভাবে এই উৎস তাকে কষ্ট দিলে সেটা বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে দেয়। ময়ূরাক্ষী নামটা খুব সুন্দর। মনে হয় নামটা কেউ খুব ভালোবেসে রেখেছে। কিন্তু জন্মের আগেই তার মা নামটা রেখেছিল, তিনি অনুমান করতে পারেনি যে তার মেয়ে এত কালো বর্ণের হবে। জানতে পারলে নামটা বোধ হয় অন্য কিছু হত । তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তাভাবনা তার মা-বাবার থেকে পাড়াপ্রতিবেশীর বেশী ছিল ।কথায় কথায় বর্ণ নিয়ে কথা শোনানো, তার যে অনেক গুন আছে সেগুলো তাদের চোখে কোনোসময়ই পড়ে না। তার বাবা মা তাকে কোনো না কোনো সময় মন থেকে ভালোবেসে মেনে নিতো কিন্তু প্রতিবেশীরা তাদের দুঃখকে যেন বারবার মনে করিয়ে দেয় । তাদের মনে করায় এ মেয়ের বিয়ে দিতে কষ্ট হবে। ময়ূরের একটা সুপ্ত প্রতিভা আছে। সে ভালোবাসতে পারত সকলকে, কারণ সে ভালোবাসা পায়নি কারো থেকে তাই ভালবাসার যে মোহহীন শক্তি আছে যা না পেলে মানুষ কষ্ট পায় সেটা সে বুঝতে পারত।ময়ূর তাই ভালোবাসত সকলকে। যদিও ভালোবেসে কষ্ট পেতো। কারণ তাকে কেউ মূল্য দিতে না। যাদের শেষ গন্তব্য সমাজ বিয়েতে ঠিক করে রেখেছে তাদের পড়াশোনা মেট্রিক অথবা কলেজ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। ময়ূর এবার নবম শ্রেনীতে পড়ে। বাড়ির বেশীরভাগ কাজ ময়ূরই সামলায় কারণ ওর মা ইদানীং খুব বেশীই অসুস্থ। ওর মা ওকে ভালোবাসে না একথা সঠিক নয় ,ওর বাবাও ওকে ভালোবাসে কিন্তু দরিদ্র পরিবারে মা বাবা সন্তানের প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশের কোনো মাধ্যম পায় না। ময়ূরের সবচেয়ে কাছের ছিল ওর ছোট ভাই আকাশ। আকাশও ওর দিদিকে খুব ভালোবাসে। ময়ূর ওর দিন বাড়ির কাজ আর আকাশের সঙ্গে কথা বলেই কাটায়। ময়ূরদের পাশের বাড়ির এক কাকিমা ওকে খুব ভালোবাসত মাঝেমাঝে বলত ময়ূর তোর অনেক বড় ঘরে বিয়ে হবে দেখিস। ময়ূর এই কাকিমার অনেক কাজে সাহায্য করে এই আর্শীবাদ দেওয়ার কারণ বোধ হয় এটাই। ‎ময়ূরের জন্য পাত্র খোজা হচ্ছে। যে কাকিমা ময়ূরকে বলেছিল তোর ভালো পাত্র জুটবে তার ভাইপোর কথা ময়ূরের বাবা জিঙ্গেস করল কিন্তু তিনি বললেন আমার পক্ষে সম্ভব নয় কারণ আমার সুজয়কে দেখতে সুন্দর ওর সাথে ময়ূরাক্ষীকে মানাবে না। ‎বড়ই অদ্ভুত এবং স্বার্থপর এই সমাজ নিজেকে ছাড়া অন্য কারো কথা ভাবেনা।অনেক প্রত্যাখ্যানের পর অবশেষে এক দিনমজুরের সাথে বিয়ে হলো ময়ূরের।ময়ূরও ভাবল এবার বোধ হয় একটু শান্তি পাব কিন্তু লড়াই ছাড়া শান্তি সম্ভব না ময়ূরের জীবনে। তাই নতুন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে ময়ূরকে সেই লড়াইয়ে তার জীবনসঙ্গী তার পাশে থাকবে। ‎ গন্তব্য সমাজ বিয়েতে ঠিক করে রেখেছে তাদের পড়াশোনা মেট্রিক অথবা কলেজ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। ময়ূর এবার নবম শ্রেনীতে পড়ে। বাড়ির বেশীরভাগ কাজ ময়ূরই সামলায় কারণ ওর মা ইদানীং খুব বেশীই অসুস্থ। ওর মা ওকে ভালোবাসে না একথা সঠিক নয় ,ওর বাবাও ওকে ভালোবাসে কিন্তু দরিদ্র পরিবারে মা বাবা সন্তানের প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশের কোনো মাধ্যম পায় না। ময়ূরের সবচেয়ে কাছের ছিল ওর ছোট ভাই আকাশ। আকাশও ওর দিদিকে খুব ভালোবাসে। ময়ূর ওর দিন বাড়ির কাজ আর আকাশের সঙ্গে কথা বলেই কাটায়। ময়ূরদের পাশের বাড়ির এক কাকিমা ওকে খুব ভালোবাসত মাঝেমাঝে বলত ময়ূর তোর অনেক বড় ঘরে বিয়ে হবে দেখিস। ময়ূর এই কাকিমার অনেক কাজে সাহায্য করে এই আর্শীবাদ দেওয়ার কারণ বোধ হয় এটাই। ‎ময়ূরের জন্য পাত্র খোজা হচ্ছে। যে কাকিমা ময়ূরকে বলেছিল তোর ভালো পাত্র জুটবে তার ভাইপোর কথা ময়ূরের বাবা জিঙ্গেস করল কিন্তু তিনি বললেন আমার পক্ষে সম্ভব নয় কারণ আমার সুজয়কে দেখতে সুন্দর ওর সাথে ময়ূরাক্ষীকে মানাবে না। ‎বড়ই অদ্ভুত এবং স্বার্থপর এই সমাজ নিজেকে ছাড়া অন্য কারো কথা ভাবেনা।অনেক প্রত্যাখ্যানের পর অবশেষে এক দিনমজুরের সাথে বিয়ে হলো ময়ূরের।ময়ূরও ভাবল এবার বোধ হয় একটু শান্তি পাব কিন্তু লড়াই ছাড়া শান্তি সম্ভব না ময়ূরের জীবনে। ‎ ‎তাই নতুন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে ময়ূরকে সেই লড়াইয়ে তার জীবনসঙ্গী তার পাশে থাকবে। বিয়ের দিন থেকেই ময়ূর লক্ষ্য করেছিল সবাই কেমন একটা অদ্ভুতভাবে তার দিকে তাকাচ্ছিল, সে জানে সে কালো কিন্তু ক্ষনে ক্ষনে তা মনে করানোর কি দরকার । ছেলের মার নাকি তাকে পছন্দ হয়নি তাই তিনি কান্নাকাটি করছেন। সবাই যার যার নিজের অবস্থান থেকে ঠিক পলাশ মানে ময়ূরের বর বিয়েতে রাজি হয়েছে কারণ তার কিছু টাকার দরকার ছিল যেটা ময়ূরের বাবা দিয়েছে,পলাশের বাবা এবং মা ঠিক একই কারণে রাজী হয়েছে। পলাশের মা জানত মেয়েকে দেখতে বেশী ভালো না কিন্তু তিনি রাজী হয়েছিলেন ছেলের কথা ভেবে। মানুষের কষ্টকে অনুভব করতে নয় ,সামনে থেকে সেটা স্বীকার করতে বেশী কষ্ট হয়। তাই পলাশের মায়ের দুঃখ ময়ূরকে দেখে যেন বেড়ে গেল ।ময়ূরেরও কোনো দোষ নেই তাকে সৃষ্টিকর্তা এভাবে সৃষ্টি করেছেন। অবশেষে ময়ূর ওর শশুরবাড়িতে পর্দাপন করল।নতুন গল্প তৈরি করতে। ‎


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শ্রদ্ধা-2
→ শ্রদ্ধা-3
→ শ্রদ্ধা-4
→ শ্রদ্ধা-1
→ শ্রদ্ধা-2
→ শ্রদ্ধা
→ শ্রদ্ধার দাম
→ শিক্ষকের প্রতি ছাত্রের সম্মান ও গভীর শ্রদ্ধা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now