বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পঃ ভুতের সাথে বিয়ে
লেখকঃ মোঃ নূরনবী
তাসমিয়াহ কলেজ গেট থেকে বের সোজা গেল তার বান্ধবীর বাসায়। তার বান্ধবী তৃশা আজ কলেজ যায় নি, তাই তাকে কলেজের ইমপর্টেন্ট নোট গুলো দিবে। ওখানে গিয়ে তার অনেক দেরি হয়ে গেল। সন্ধ্যা ৭ টা বেজে গেছে। সে তাড়াতাড়ি করে বের হয়ে গেল তার নিজের বাসার উদ্দেশ্যে। আঁকা বাঁকা ইটের রাস্তা পেরিয়ে এগিয়ে চলল সে। চারদিকে বেশ শুনশান নিরবতা কোনো সাড়াসশব্দ নেই। তাসমিয়ার একটু একটু ভয় ভয় করতে লাগল। তারপরো কোনো দিকে নজর না দিয়ে পথ চলতে লাগলো। হঠাৎ তার পেছনে কারো দৌড়ে যাওয়ার শব্দ হয়। তাসমিয়াহ ভয় পেয়ে দ্রুত পিছনে তাকায়, কিন্তু কাউকেই দেখতে পায় না। এক পরিচিত ভয় তাকে আকড়ে ধরে, যে ভয় সে একবার তার শৈশবে পেয়েছিল যা সে আজও ভুলতে পারেনি। তার মনের মধ্যে আজও নিদারুণ ভয় জেগে ওঠে সেই স্মৃতি মনে পড়লে। আজও কি সেরকমই কিছুর পুনরাবৃত্তি ঘটবে? চারদিকে একটু তাকিয়ে মনে ভীষন ভয় নিয়ে সে চলতে শুরু করে। সে যে রাস্তায় হাটছে তার দুপাশেই গাছগাছালির জঙ্গলে ঘেরা। সেখানে গাছ এতই ঘন যে বৃষ্টি পড়লে তা মাটিতে পড়তে অন্তত আধ ঘন্টা তো লাগবেই। তাসমিয়াহ তার হাটার গতি বাড়িয়ে দেয়। একটু জোরে বাতাস বইছে আর তাই গাছে ঘেরা বনটা থেকে বেশ ভালোই শব্দ আসছে। তা তাসমিয়ার ভয়টাকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাসমিয়াহ যেতে যেতে হঠাৎই তার সামনে পড়ে ভয়ংকর রকমের সাদা কুকুর। তা দেখে তার ছোটবেলায় দাদির কাছে শোনা ভুতের গল্পের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। তার দাদি বলেছিল অতিরিক্ত সাদা বা কালো প্রাণীর ওপর নাকি ভুতে ভর করে। সে ওটাকে সামনে দেখে একবার ভাবে যেখান দিয়ে এসেছে সেখান দিয়েই ছুটে পালাবে। পরঃক্ষণে ভাবে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফিরে যাওয়ার চেয়ে বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটাই বেশ কাছে আছে। তাই সে ভয় পেলেও ধীরে ধীরে সামনে এগোয়। আচমকা তার পাশের ঝোপ থেকে মুরগী ডাকার শব্দ শুনতে পায়। একেতো সামনে এই কুকুর আবার এই সময়ে মুরগী কোত্থেকে ডাকছে? মারাত্মক রকমের ভয় পেয়ে সে কোনো মতে কুকুরটাকে পেরিয়ে সোজা দৌড় দিল আর এক দৌড়ে তার বাড়ির সামনে গিয়ে থামলো। বাড়িতে ঢুকেই তার রুমে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কাথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে রইল আর মনে মনে ভবতে লাগলো আর কোনোদিনও রাতের বেলা বাইরেও বেরোব না। সব ভুত রাতেই কেন আসে? একটা দিনের বেলায় আসতে পারে না! তখন দেখিয়ে দিতাম তাকে যে আমি কে, আমাকে ভয় দেখানো!
ফোনের রিংটোন বাজছে। ফোন হাতে নিয়ে দেখে রাতুল ফোন করেছে।
-- হ্যালো!
-- কেমন আছেন তাসমিয়াহ ম্যাডাম?
-- এটা আবার কেমন প্রশ্ন? কলেজেই তো দেখা হলো, কথা হলো। এখন আবার জিজ্ঞেস করছেন কেমন আছি?
-- না এমনি জিজ্ঞেস করলাম আরকি! আপনাকে তো আবার ভুতে ধরে বেশি। তাই ভালো নাও থাকতে পারেন। তাই জিজ্ঞেস করলাম।
-- দেখুন এটা নিয়ে কিন্তু একদম মজা করবেন না। এমনিতেই ভয় পেয়েছি। আপনি আবার এসব কথা বলতেছেন!
-- ভয় পাইছেন কেন? রাস্তায় কি ভুতে ধরছে নাকি? হিহিহি।
-- রাস্তায় ভুতে ধরছে মানে? ওই আপনি কিভাবে জানেন আমি রাস্তায় ছিলাম!
-- ওও সত্যিই রাস্তায় ছিলেন? জানি না তো!
-- সত্যি করে বলুন আপনি কিভাবে জানলেন আমি রাস্তায় ছিলাম? নাহলে!
-- নাহলে কি ম্যাম?
-- নাহলে নাহলে আপনার সাথে কথাই বলবো না।
-- রাগ করতেছেন কেন? আমি সত্যিই জানি না। এমনে আন্দাজে বললাম আর সঠিক হয়ে গেলে আমি কি করবো বলুন!
-- আচ্ছা সত্যি তো?
-- হুম একশ পঞ্চাশ পার্সেন্ট সত্যি।
-- ঠিক আছে। তো কেমন আছেন?
-- এটা কোনো প্রশ্ন হলো? কলেজেই তো দেখা হলো।
-- আপনি! আপনাকে আমি পেলে দেখুন কি করি।
-- হাহাহা সরি। এখন রাখি পরে কথা হবে।
-- হুম।
রাতুল ওদের কলেজের ভারসিটিতে অনার্স ফোর ইয়ারে পড়ে। ওর সাথে আচমকায় পরিচয় হয়ে গেল।
রাতুলের সাথে কথা বলে তাসমিয়ার মনটা একটু হালকা হয়ে গেল। হবে নাই বা কেন, কলেজে বাড়িতে ওর মনের মতো বন্ধু শুধু একজনই আছে। তাসমিয়ার স্বভাব তাদের কলেজ বা বাড়ির কারোরই তেমন একটা ভালো লাগে না। কারণ মেয়েটা একটু ভিতু টাইপের আর অতটা মিশুকে না। আর রাতুলের ঠিক এই কারণেই তাসমিয়াকে ভালো লাগে। তাসমিয়ার মন থেকে ভয়টাও একটু দূর হয়ে গেছে। রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ে সে। আর ভাবে আজকে আবার কি স্বপ্ন দেখবে। প্রতি রাতেই সে ভুতের স্বপ্ন দেখে। কখনো দেখে গাছের ওপরে রাতের অন্ধকারে সাদা কাপড় পড়ে কেউ বসে আছে, আবার কখনো দেখে আম গাছে কাঠাল ঝুলছে। স্বপ্নে কখনো কখনো পাশের বাসার মন্টুকেও দেখে। মন্টুকে দেখে তাসমিয়ার কেমন ভয় ভয় করে। লোকটাকে সে কখনো হাসতে দেখেনি। অদ্ভুত একটা মুখ করে থাকে সবসময়।
তাসমিয়া ঘুমিয়ে পড়ে। হঠাৎ সে দেখে তাদের বাড়িতে কালো কিছু অবয়ব গুলো ঢুকে পড়ছে আর তারা তার দিকেই এগিয়ে আসছে। তাসমিয়া ভয় পেয়ে পেছতে থাকে তখনি তার ঘুম ভেঙে যায়। সে উঠে প্রথমে ভাবে এটা কি স্বপ্নই দেখলো নাকি সত্যি? না এটা স্বপ্নই ছিল। কিন্তু কি ভয়ংকর ছিল সে অবয়ব গুলো। এখনো গা ছমছম করছে ওর। আবার ঘুমিয়ে পড়ে ও।
পরদিন সকালে ওর ঘুম থেকে উঠতে ওর দেরি হয়ে গেল, তাই আর কলেজে গেল না। কিন্তু উঠে দেখে ওদের বাড়িতে কেমন একটা সাজানো গোছানোর তোড়জোড় চলছে। ও কিছুই বুঝতে পারে না। তাই ওর মাকে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে এত আয়োজন কিসের?
-- তোকে আজ দেখতে আসবে। পাত্র বিদেশে থাকে। বিরাট বড় সড় মানুষ। বুঝলি?
তাসমিয়ার বুকে ধক করে উঠল। কি শুনছে ও?
-- মা আমি বিয়ে করবো না। কিছুতেই না।
-- মানে? কি বলছিস এসব? এরকম ছেলে খুব ভাগ্য হলে পাওয়া যায়। আর তুই বলছিস বিয়ে করবি না? তোর কোনো কথাই শুনছি না। চুপ করে বসে থাক এক্ষুনি এসে তোকে সাজিয়ে দিয়ে যাবে।
তাসমিয়া মনমরা হয়ে বসে আছে। সে এমন কাউাে বিয়ে করতে চলেছে যাকে চেনে না জানে না। কেমন হবে লোকটা?
এমন সময় ওর ফোন বেজে ওঠে।
-- হ্যালো!
-- কি হলো আপনার কতবার ফোন দিলাম আর এখন ধরলেন? ঘুম থেকে উঠতে দেরি করছেন নিশ্চয়!
-- হুম।
-- কি হুম? আপনার গলা এমন লাগছে কেন? সব ঠিক আছে তো?
-- আসলে আজ বাসায় ছেলেপক্ষ আসছে নাকি আমাকে দেখতে। তাই একটু.....
-- কি???
-- হুম।
--
-- হ্যালো!
--
--হ্যালো!!
টু টু টু। ফোনটা কেটে গেল।
কি হলো ফোনটা কেটে দিল কেন?
বাসায় বিউটি পার্লারের লোক এসে তাসমিয়াকে সাজিয়ে দিয়ে যায়। আর কিছুক্ষণ পর ছেলে আসে ওকে দেখেই পছন্দ হয়ে যায়। তাসমিয়ার মা বাবার তো খুশির শেষ নেই। এদিকে তাসমিয়ার মন খুবই খারাপ। অজানা কোনো কারণে সে এই বিয়ে করতে চাইছে না। কিন্তু কি সেই কারণ?
যথারীতি বিয়ের তারিখ ঠিক হয়ে গেল। এমাসেই বিয়ে পরের সপ্তাহে।
আজ শুক্রবার। সন্ধ্যাবেলায় বিয়ে হওয়ার কথা। এদিকে তাসমিয়া সারা দিন মন খারাপ করে বসে আছে। ছেলে দেখতে খারাপ না, অনেক বড়লোকও। তারপরো সে এই বিয়ে মানতে পারছে না।
সন্ধ্যা বেলা বিয়ের আসর বসল। তাসমিয়ার ইচ্ছে করছে ছুটে পালিয়ে যেতে। কিন্তু কোথায় যাবে?
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। আবছা আলোয় সবাই দেখে কিছু কালো পোশাক পড়া লোক এসে ঢুকছে বিয়ের আসরে। কিন্তু তাসমিয়াহ দেখছে অনেক গুলো কালো অবয়ব ঢুকতেছে। সে ভয় পেয়ে একটা টেবিলের নিচে লুকিয়ে পড়ে। আর একটা অবয়ব ওর কাছে এসে ওকে মাথায় তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে। ও চিৎকার করে বলছে, আম্মু বাচাও আমাকে ভুতে আমায় নিয়ে যাচ্ছে। বাচাও। আম্মু আমি বিয়ে করবো। আমি রাজি আছি তবুও আমাকে বাচাও।
সবাই কিছু বুঝে ওঠার আগেই কালো পোশাক পরা অবয়ব গুলো তাসমিয়াকে নিয়ে চলে গেল। ভয়ের চোটে তাসমিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরলো ও দেখে অন্ধকার কোথাও ওকে রাখা হয়েছে। ও মনে মনে ভাবে ভুতে আমায় এ কোথায় নিয়ে এল? ভুতগুলো এখন আমার সাথে কি করবে?
দরজা খুলে কেউ ভেতরে এল। দেখে সেই কালো অবয়ব গুলোই ওর সামনে। ও প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়। তোতলাতে তোতলাতে বলে আমায় এখানে কেন নিয়ে এসেছেন ভুত দাদারা? আমি কি করেছি?
-- কি আমি ভুত? এত বড় কথা! আমায় কোন দিক দিয়ে আপনার ভুত মনে হলো শুনি?
গলাটা কেমন একটু চেনা চেনা লাগল তাসমিয়ার। কোথাও শুনেছে ও।
-- আপনারা ভুত না?
-- ভুত হতে যাবো কোন দুঃখে। জলজ্যান্ত মানুষটাকে ভুত বানিয়ে দিলো! একবার আপনাকে বিয়ে করে নিই তারপর বলবো ভুত কাকে বলে?
-- বি বি বিয়ে! বিয়ে করবেন মানে? আমি ভুতকে বিয়ে করবো না। কখনো না। এর চেয়ে তো ওই বিদেশি পটকাটাই ভালো ছিল।
-- বিদেশি পটকা মানে?
-- আমি ভুতকে বিয়ে করবো না!
-- আজকে আপনাকে ভুতকেই বিয়ে করতে হবে। আর কোনো উপায় নেই।
-- না না প্লিজ এরকম করবেন না ভুত দাদারা। আমার কোনো ভুল ক্ষমা করে দেন।
-- কোনো কথা শুনছি না। এই ওনাকে ডেকে আনতো!
তাসমিয়াকে ঘাড় মটকানোর ভয় দেখিয়ে বিয়ে করলো কালো পোশাকের একটা অবয়ব।
তাসমিয়াহ কান্না করতে লাগলো আমার বিয়ে একটা ভুতের সাথে হয়ে গেল। এখন আমার বাবু হলে সে কি ভুত হবে না মানুষ হবে? উহু হুহু।
-- এই চুপ। এই ভুতের মানে যাকে আপনি ভুত বানালেন তার আসল চেহারা দেখবেন না?
-- না আমি দেখবো না। দাদি বলেছিল ভুতেদের আসল চেহারা নাকি অনেক ভয়ংকর হয়। আমি দেখবো না। এই চোখ বন্ধ করলাম আমি।
কালো পোশাকের অবয়বটা তার মুখোস খুলল আর বলল,
-- এই যে দেখেন আপনার ভুত! কি হলো মুখ থেকে হাত সরান?
-- না আমি কিছুতেই দেখবো না। কিছুতেই দেখবো না। আমার ভয় করে।
-- না দেখলে এক্ষুনি ঘাড় মটকে দিব কিন্তু!
-- না না আমি দেখছি।
মুখ থেকে হাত সরিয়ে তাসমিয়াহ দেখে ওর সামনে রাতুল বসে আছে। আর চেহারায় রাগী রাগী একটা ভাব।
-- আমি ভুত না? আমি ভুত হলে আপনি ভুতনি।
-- আপনি??
তাসমিয়াহ গিয়ে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরল রাতুলকে। আপনি আগে বলেন নি কেন? আমি শুধু শুধু কত ভয় পেলাম।
-- আপনি আমাকে বিয়ে করলেন কেন?
-- কেন ম্যাম আমার ইচ্ছে!
-- আপনার ইচ্ছে হলেই বিয়ে করে নিবেন?
-- হুম দরকার হলে আবার করবো। আপনি এখনো অনেক পিচ্চি ম্যাম। বড় হলে আবার বিয়ে করবো দরকার হলে।
-- কি হলো কিছু বলছেন না কেন?
-- হ্যালো!!
-- এখন বাসায় কি বলবো?
-- ওসব আমি দেখে নেব। আপনি কিচ্ছু চিন্তা করবেন না।
-- হুম।
-- আচ্ছা আপনি ভুতে এত ভয় পান কেন বলুন তো?
-- ছোটবেলায় আমাকে একবার চার চারটে ভুতে ঘিরে ধরেছিল। আম্মু আমাকে বলতো পড়তে বস নাহলো ভুতে ধরে নিয়ে যাবে। ওমা সেদিনই দেখি চারটে সাদা ভুত এসে আমাকে ভয় দেখিয়ে চলে গেল। আমার এখনো ভয় করে ও কথা মনে পড়লে।
-- হাহাহাহাহা আপনাকে কোনো ভুতে নয় আপনার মা বাবারাই ভয় দেখিয়েছে যাতে আপনি পড়তে বসেন। এই যেমন আমাদেরও ভুত মনে করলেন।
-- না ওরা সত্যিই ভুত ছিল।
-- আচ্ছা বাবা ওরা ভুত ছিল। এখন আমাকে তো ছাড়ুন!
-- ওও হুম।
-- একটা কথা বলি কিছু বলবেন না তো? ওয়াদা করেন!
-- হুম। বলুন! কিছু মনে করবো না।
-- সেদিন রাস্তায় আপনাকে আমিই ভয় দেখিয়েছিলাম। হিহিহি
-- কি?????????????? আপনি???? আমি আপনাকে ছাড়বো না। দাড়ান বলছি! দাড়ান!
তাসমিয়াহ দৌড়াতে দৌড়াতে একটা গাছের নিচে বসে পড়লো। গাছের ওপরে চোখ যেতেই দেখে গাছের ওপরে মনে হয় কেউ বসে আছে। তাসমিয়াহ চিৎকার দিকে যাবে অমনি রাতুল এসে মুখ চেপে ধরে ফেলে। এত ভুতকে ভয় পেলে হবে? আপনি যে ভুতকেই বিয়ে করলেন। হুম!!
-- জিবনে প্রথমবার ভুতকে ভয় পাচ্ছি না। হিহিহি।
-- কি?? আমি ভুত? আবারো ভুত বললেন?? দাড়ান! দাড়ান বলছি।
(গল্পটা আমার নিজের লিখা। পড়ে থাকলে কেমন হয়েছে জানাবেন)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now