বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আয়না:::এক রহস্যময় শত্রু

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:::ভূতুরে MH2 আয়নার সামনে দাড়িয়ে আছে আনিকা।বিরবির করে কিছু পড়ছে,কি পড়ছে সে?সে বিরবির করে বলছে লুসিফার, লুসিফার অাস।লুসিফার হলো একটা শয়তানের নাম।সে মূলত চায় প্রমাণ করতে যে আয়না কোনো রহস্যময় বিষয় নয় আর জ্বীন বলে কিছু নেই।এটা সে চ্যালেঞ্জ নিয়েছে রাহিনের কাছ থেকে।রাহিন ওর কলেজেই পড়ে,কিছুটা পাগলাটে স্বভাব,সবসময় কোথাও না কোথাও ঘুরে বেরায়।সে একবার এসে আনিকাকে বলল,"জানিস আমি জ্বীন ডেকে আনার নতুন উপায় পেয়েছি"। আনিকা:::আরে ধুরর...,তুই সবসময় এইরকম বলিস,কই কোনো জ্বীন হাজির হয়েছে কখনও? রাহিন:::আগে হতো না কিন্তু এখন হয়েছে,তুই বিশ্বাস না করলে চেষ্টা করে দেখ। আনিকা:::আচ্ছা তোর চ্যালেঞ্জ নিলাম,দেখিয়ে দিব কোনো জ্বীন ভূত বলে কিছু নেই। সেই চ্যালেঞ্জ এর পর রাহিন কয়েকটা কার্যক্রমের কথা বলে যার পর সে এখন আয়নার সামনে।তার বাড়িতে আজ মূলত কেউ নেই,সবাই বেড়াতে গেছে,এই সুযুগে তাই সে চ্যালেঞ্জ পূরণ করছে।যদিও ভয় লাগছে কিছুটা কিন্তু পাত্তা দিচ্ছে না,যা আছে কপালে!!!প্রমাণ করেই ছাড়বে যে ভূত বলে কিছু নেই।সে ডাকছে আর ডাকছে লুসিফার এসো এসো,দেখা দাও। অাধঘন্টা ডাকার পর বুঝল কেউ আসবে না।তাই বাদ দিয়ে ওয়াশরুমে গেল,রাতের খাবার খেয়ে হাত মুখ ধুতে ওয়াশরুমে গেল।আয়নার দিকে তাকাতেও ও মারাত্মক ভয় পেল,সেখানে দেখাচ্ছে ওর সামনে দাড়িয়ে আছে একটা নারী,মুখটা অর্ধেক ঝলসানো, আগুণে পুড়লে যেমন হয়।তার চোখের জায়গায় কিছু নেই,একটা কোটর হয়ে গেছে,ঝলসানো মুখে একটা নিষ্ঠুর হাসি।আনিকা আয়নায় ওই মহিলাকে দেখে এতো ভয় পেল যে চিৎকার করতে পারছে না,আয়না হতে দুটো আগুণে পুড়ে যাওয়া হাত বের হচ্ছে,লক্ষ্য ওর গলাটা ধরে টিপ দিবে।আনিকার হঠাৎ হুস হলো,জোরে দৌড় দিল ও।নিজের রুমে এসে খাটে বসল,পানি খেল,ওর ড্রেসিংরুম এর আয়নায় আবার ওই মহিলা হাজির,মুখে নিষ্ঠুর হাসি।আনিকা আর সহ্য করতে না পেরে ওর বাবার রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ল,ওইখানে কোনো আয়না নেই।সে কখন যে ঘুমাল সে জানে না,ঘুমের মধ্যে দেখল ওই নারীটা ওর দিকে কটমট করে চেয়ে আছে,মুখে নিষ্ঠুর হাসি,ও কেমন যেন মাতাল হয়ে গেছে,নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই,আয়নার দিকে সে এগিয়ে চলছেই,একদম আয়নার সামনে আসতেই ওই মহিলা ওর গলা টিপে ধরল আর ওকে টেনে আয়নার ভিতর নিয়ে যেতে চাচ্ছে,ওর দম বন্ধ হয়ে আসছে,আর শ্বাস নিতে পারছে না এমনসময় ধরফর করে ওর ঘুম ভাঙ্গল। কলেজে আসার পর,রাহিনকে ও কেমন যেন মনমরা হয়ে থাকতে দেখল।জিজ্ঞেস করতেই বলল "কাল তোর সাথে মজা করেছিলাম রে,ওইটা এমনি মজা,কিন্তু গতকাল রাতে অর্ধঝলসানো এক মেয়ে মুখ আমাকে টেনে নিতে চাইছিল আয়নায়"।"আরে কী বলিস,আমিও তো এইটাই দেখলাম"। ও কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পেল না।রাতে আবার সে ওয়াশরুমে গেল,গিয়ে দেখল আজও ওই নিষ্ঠুর মহিলা তার দিকে অপলক ভাবে শীতল দৃষ্টি হেনে তাকিয়ে আছে।হাতটা বারাচ্ছে,ও কী করবে আর কিছু খুঁজে পাচ্ছে না।আজ কেমন যেন শব্দ করছে ওই মহিলা,ওর কানে বাজছে শব্দ,কী করবে ও?পালবে?পালাতে চাইল ও,কিন্তু পালাতে পারছে না।হঠাৎ ওর মনে হল আয়াতুল কুরসি পরলে সব ঠিক হয়,সে পড়তে শুরু করা মাত্রই সব গায়েব হয়ে গেল। মাঝরাতে আবার ওর ঘুম ভাঙ্গল,কেমন যেন শব্দ হচ্ছে,চোর নয়তো??? সে গেল পাশের রুমে,দেখল ওই নারীটা আজ আবার আয়নায় এবং তার দিকে নিষ্ঠুর হাসি নিয়ে অর্ধঝলসানো মুখ নিয়ে তাকিয়ে অাছে।ও পালিয়ে আসে।পরেরদিন ওর বাবা মা আসে,ও সমস্যাটা বলে,হুযুর নিয়ে আসেন তারা,হুযুর আল্লাহর রহমতে সমস্যাটা সমাধান করেন। আজ ৭ বছর হয়ে গেছে,এখনও প্রতিরাতেই ওর মনে হয় আয়নার ভিতর দিয়ে একটা রাস্তা চলে গেছে,সে আয়নায় হাত দিলেই সে চলে যেতে পারবে সেখানে।কিন্তু সে সাড়া দেয় না। আজ মাঝরাতে ওর ঘুম ভাঙ্গল,সে বাড়িতে একা,পাশের রুমে ওই মহিলাটার ওই অদ্ভূত আওয়াজ আসছে,এখন ও কী করবে??? [গল্পটা কেমন লাগল?এটা আমার নিজের লেখা নতুন ভূতের গল্প, আপনাদের ভয় দেখানোটা উদ্দেশ্য,দয়া করে রাতের বেলা আরেকবাড পড়বেন,তাহলে আসল মজাটা উপলব্ধি করতে পারবেন।আচ্ছা রাতের বেলা আপনি যদি আয়নায় এমন একটা মেয়েকে দেখেন যার অর্ধেক মুখ আগুনে পুড়া,তাহলে কী করবেন?] আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now