বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মুখ বিষণ্ণ আব্দুর রহমান আরিয়েহর।
তার অফিস রুমের পাশেই বসার ঘরে একটা সোফায় গা এলিয়ে বসে আছে সে।
বলছিল ডেভিড ইয়াহুদ, ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ড. আরিয়েহ। আপনি সন্দেহ ঠিকই করেছিলেন। আপনি ঠিক সময়ে সরে আসার সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে সর্বনাশ হয়ে যেত!’
‘সর্বনাশ হয়েছে কিনা কে বলতে পারে?’ সোফায় সোজা হয়ে বসল ড. আবদুর রহমান আরিয়েহ।
‘তার মানে?’ বলল ডেভিড ইয়াহুদ। সেও সোফায় সোজা হয়ে বসেছে।
‘তাড়াহুড়া করে আমাদের সেখান থেকে আসতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব আমরা সরিয়ে এনেছি বটে, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় কিছু সেখানে পড়ে আছে এবং আমাদের FSDD-এর স্থাপনার চিহ্ন সেখানে রয়েছে যা থেকে এর ডিজাইন সম্পর্কে একটা ধারনা হতে পারে। তেমনিভাবে অপ্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে এমন কিছু থাকতে পারে যা থেকে কোন গবেষণার প্রকার-প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যেতে পারে।’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘আপনার কথা ঠিক। একটা ধারণা তারা পেতে পারে। তবে সে ধারণা দ্বারা তারা অবশ্যই আমাদের FSDD সম্পর্কে কোন কিছুই আঁচ করতে পারবে না বলেই আমি মনে করি। কিন্তু আমি ভাবছি বাড়িটার ঠিকানা তারা কিভাবে পেল? দ্বিতীয়ত বাড়িটার লোকদের কারও সম্পর্কে তারা কিছু জানতে পেরেছে কিনা, বিশেষ করে আপনার নাম?’ ডেভিড ইয়াহুদ বলল।
‘তা পারবে না। বাড়িটা রেজিস্ট্রি করা আছে পদার্থ বিজ্ঞানের গবেষণাকারী একটা এনজিও’র নামে। এনজিওটা আমার নাম ব্যবহার করেছিল। কিন্তু এ দ্বারা বাড়িটা আমার তা প্রমাণিত হবে না। কারণ রেজিস্ট্রেশনের পরবর্তী রেকর্ডে আমার নাম নেই।’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে, শুরু থেকেই আমরা এতটা সতর্ক ছিলাম। কিন্তু এখন আমাদের সতর্ক হতে হবে। এক এক করে আমরা পেছনে হটে এই শেষ অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছি। আমাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থানকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।’ ড. ডেভিড ইয়াহুদ বলল।
‘কিন্তু কিভাবে সেটা আমরা পারব? পাম ট্রি গার্ডেনের ঘাঁটিটাকে আমরা সবচেয়ে নিরাপদ মনে করেছিলাম। কিন্তু সেটাও তো ওদের নজরে পড়ে গেল।’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘নিশ্চয়েই অসাধ্য সাধন করেছে খালেদ খাকান নামের শয়তান আহমদ মুসা। সে ইস্তাম্বুলে আসার পর থেকেই আমাদের পিছু হটা শুরু হয়েছে। তার মতো বড় শয়তান আর নেই। তাকে পথ থেকে সরাতে না পারলে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব হবেনা।’ বলল ড. ডেভিড ইয়াহুদ।
‘কিন্তু কিভাবে? চেষ্টা তো কম হয়নি!’ ড. আরিয়েহ বলল।
ড. ডেভিড ইয়াহুদ ভাবছিল। সংগে সংগেই সে ড. আরিয়েহর কথার জবাব দিল না।
একটু ভেবে ডেভিড ইয়াহুদ বলল, ‘তাকে পথ থেকে সরাবার আমরা কোন চেষ্টাই বাকি রাখিনি। হত্যাই তাকে আমাদের পথ থেকে সরাবার একমাত্র পথ। সে চেষ্টা অতীতে বহুবার করা হয়েছে, এবারও কয়েকবার করা হয়েছে। কিন্তু তার ক্ষেত্রে কোন চেষ্টাই সফল হয়নি।’ একটু থামল ড. ডেভিড ইয়াহুদ।
‘তাহলে?’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘আমি একটা নতুন চিন্তা করেছি। আমাদের কর্মী স্মার্থা প্রেসিডেন্ট হাউজে আমাদের অত্যন্ত বিশ্বাসী একজন লোককে অনেকদিন আগে সেট করেছে। স্মার্থা আমাকে গতকাল জানিয়েছে, ট্রান্সমিটার সেট করতে গিয়ে প্রোটোকল পদে নিয়োগ করা আমাদের লোক ধরা পড়ার পর বিপর্যয়ের মধ্যে আমরা পড়েছিলাম, সেটা কাটিয়ে ওঠা গেছে। প্রেসিডেন্টের ব্যবস্থাপনা বিভাগে লোক থাকায় খাদ্য তৈরি বিভাগে দু’জন লোক ঢোকানো গেছে। এরা দু’জন আগে ইস্তাম্বুল সেনা গ্যারিসনের কুকিং-এ কাজ করত। সুতরাং অসুবিধা হয়নি।’
থামল আবার ডেভিড ইয়াহুদ।
‘এখন কি করতে চান?’ জিজ্ঞাসা ড. আরিয়েহর।
‘এবার বড় ঘটনা ঘটাতে চাই। স্বয়ং প্রেসিডেন্টকে কিডন্যাপ করবো এবার আমরা। একমাত্র তাঁকে কিডন্যাপ করলেই আহমদ মুসাকে আমাদের হাতে তুলে দিতে বা বহিস্কার করতে বাধ্য করা যাবে। তাকে হাতে পেলে বা বহিষ্কার করতে পারলে ওদের সোর্ড-এর ফর্মুলা উদ্ধার ও বিজ্ঞানীদের হাতে পাওয়াও সহজ হয়ে যাবে।’ বলল ডেভিড ইয়াহুদ।
‘কিন্তু প্রেসিডেন্টকে কিডন্যাপ করা কি সম্ভব হবে? সফল হলে তার ফল হবে অকল্পনীয়, কিন্তু ব্যার্থ হলে তার কুফলও হতে পারে...।’
ড. আরিয়েহর কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে বলল, ‘স্যার, খারাপ কিছু ভাবার দরকার নেই। এছাড়া আমাদের হাতে আর কোন বিকল্প নেই। দেয়ালে আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে। আমাদের বিজয়ী হতেই হবে। আর...।’
মোবাইল বেজে উঠল ডেভিড ইয়াহুদের। কথা থামিয়ে মোবাইল তুলে নিল।
‘হ্যাঁ, ওয়েলকাম স্মার্থা। বল।’ বলে স্মার্থার সাথে কথা বলতে শুরু করল ডেভিড ইয়াহুদ। কথা বলতে বলতে আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল ড. ডেভিড ইয়াহুদের মুখ।
স্মার্থাকে ‘ধন্যবাদ’ দিয়ে কথা শেষ করেই ডেভিড ইয়াহুদ ফিরে তাকাল ড. আরিয়েহর দিকে। বলল, ‘একটা সুখবর ড. আরিয়েহ। আমার চিন্তার সাথে এই সুখবরটা পরিপুরক। স্মার্থা জানাল, প্রেসিডেন্ট ইস্তাম্বুলে থাকার যে সময় নির্ধারিত ছিল, তার আগেই তিনি আংকারা চলে যাচ্ছেন। তাঁর অফিস ও পার্সোনাল স্টাফের অগ্রবর্তী দল ইতিমধ্যেই আংকারা চলে গেছে। দু’একদিনের মধ্যে তিনি চলে যাবেন। একটা মিনিমাম স্টাফ নিয়ে তিনি আছেন।’
থামল ড. ডেভিড ইয়াহুদ।
‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। আপনি যে সুযোগ চাচ্ছিলেন, মনে হয় ঈশ্বর সে সুযোগ আপনাকে দিয়েছেন। এখন দেখুন সুযোগ কিভাবে কাজে লাগাবেন।’ বলল বিজ্ঞানী ড. আরিয়েহ।
‘সেজন্যে আরও তথ্য আমাদের দরকার। আমাদের বেন গালিব গিদন প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ব্যবস্থাপনা বিভাগে এবং আরও দু’জন কুকিং বিভাগে থাকলেও তাদের টেলিফোন-মোবাইল ব্যবহার করতে না পারা এবং প্রাসাদের বাইরে বেরুতে বিধি-নিষেধ থাকার কারণে তাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা পাওয়া কঠিন। তবে স্মার্থা চেষ্টা করে বেন গালিব গিদনের সাথে যোগাযোগ করতে। তাছাড়া সে খবরটা জেনেছে ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির শিক্ষকদের কাছ থেকে। শিক্ষকরা গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা প্রোগ্রামে নিয়ে আসার জন্যে।’
থামল ড. ডেভিড ইয়াহুদ।
‘প্রেসিডেন্ট কি তাদের দাওয়াত গ্রহন করেছেন? গ্রহন করলে খুব ভাল হয়।’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘কেন বলছেন এ কথা?’ ড. ডেভিড ইয়াহুদ বলল।
‘প্রেসিডেন্ট দাওয়াত কবুল করলে শিক্ষকদের সাথে তাঁর আরও যোগাযোগ হবে। স্মার্থা এই সুযোগ নিতে পারবে। আমি সেই কথাই বলছিলাম।’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘ঠিক বলেছেন ড. আরিয়েহ। প্রেসিডেন্ট দাওয়াত গ্রহন করেছেন। স্মার্থা নিশ্চয় এ সুযোগ গ্রহন করতে পারবে।’ ড. ডেভিড ইয়াহুদ বলল।
‘স্মার্থা কতটা পারবে, সেটাই চিন্তার কথা।’ বলল ড. আরিয়েহ।
‘সেটা চিন্তার কথা বটে, তবে স্মার্থা শিক্ষক হিসেবে খুব পরিচিত। তার ওপর ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে নিউক্লিয়ার বিষয়ের ওপর স্মার্থা একটা কোর্স করছে। সেই সূত্রেও স্মার্থা শিক্ষকদের সাথে পরিচিত এবং তাদের সাথে ব্যাপক ওঠাবসা আছে।’ ড. ডেভিড ইয়াহুদ বলল।
‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। সত্যই স্মার্থা বড় একটা সুযোগ করে দিতে পেরেছে। ঈশ্বর আমাদের সাহায্য করুন!’
বলেই হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে বিজ্ঞানী ড. আরিয়েহ উঠে দাঁড়াল। বলল, দেরি হয়ে গেছে। ওরা ল্যাবে বসে আছে। যাই।’
ড. ডেভিড ইয়াহুদও উঠে দাঁড়াল। বলল, ‘মি. আরিয়েহ, ওদের সোর্ড-এর পাওয়ারের পরিমাপ করাটা কি সম্ভব হয়েছে? আমাদের ‘ডাবল ডি’ ওদের ‘সোর্ড’-এর ডিফেন্স ভাঙতে না পারলে আমাদের সব প্লান-পরিকল্পনাই তো মাঠে মারা যাবে!’
‘হ্যাঁ, মি. ডেভিড ইয়াহুদ, ওদের ‘সোর্ড’-এর ডিফেন্স পাওয়ার যে এত উঁচু মানের তা আমি ভাবতেই পারিনি। আমাদের ডেমন ‘ডাবল ডি’ যে ৯০ ভাগ অংশ সরাসরি ‘সোর্ড’-এর মুখোমুখি হয়েছিল তার সবটাকেই ‘সোর্ড’ ভয়ংকর ব্ল্যাক হোলের মতো শুধু গিলেই ফেলেনি, আমাদের অ্যাটাকিং ফোটন পার্টিকেলগুলোকে রূপান্তরিত করে তার সহযোগী বানিয়ে ফেলেছে। সোর্ড-এর আওতার বাইরে থাকা মাত্র দশ ভাগ ডাবল ডি গিয়ে ওদের নৌবাহিনীর একটা অস্ত্র ডিপোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ ধ্বংসটুকুই আমাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক আক্রমণ মিশনের ফল।
থামল ড. আরিয়েহ মুহূর্তের জন্যে। পর মুহূর্তেই আবার মুখ খুলেছিল কথা শুরুর জন্যে। কিন্তু তার আগেই ড. ডেভিড ইয়াহুদ বলে উঠল, ‘আপনার সহযোগী বিজ্ঞানী আইতানের কাছে এ ভয়ংকর খবর আমি শুনেছি মি. আরিয়েহ। কিন্তু, ‘সোর্ড’-এর ব্ল্যাক হোলের মতো এমন ভয়ংকর গ্র্যাভিটেশনাল ক্ষমতার কথা তিনি বলেননি। ‘সোর্ড’-এর পাওয়ার কি সত্যিই এতটা ভয়ংকর?’
থামল ড. ডেভিড ইয়াহুদ। তার মুখ উদ্বেগ-আতংকে ভরা।
ড. আরিয়েহর মুখ ভয়ানক বিমর্ষ। সোফায় আবার সে বসে পড়ল। মনে হলো যেন আছড়ে পড়ল তার দেহটা সোফার ওপর। বলল, ‘বিস্ময় আমাদের হতবাক করে দিয়েছে! সর্বোচ্চ শক্তির আলোক পার্টিকেল তারাও ব্যবহার করেছে, আমরাও ব্যবহার করেছি। কিন্তু সেই পার্টিকেল শক্তিকে অতটা মাল্টিপ্লাট করল কি দিয়ে, কিভাবে? অলৌকিক এই গ্র্যাভিটেশনাল পুল (চৌম্বক আকর্ষণ শক্তি) এলো কি করে তাদের পার্টিকেলে? এই শক্তি বলেই সোর্ড যে কোন চলন্ত মরনাস্ত্র বন্দী করে ধ্বংস করতে পারে। আমার মনে হয় আজকের দিনে এটাই বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় বিস্ময়!’
‘আপনারা বিষয়টার পরীক্ষা ও পরিমাপে কতটা এগোতে পেরেছেন?’ জিজ্ঞাসা ড. ডেভিড ইয়াহুদের।
ওটা দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপার। ওটার ওপর কোন সিদ্বান্ত আটকে রাখা ঠিক হবে না। এখন আমাদের হাতে যে অস্ত্র আছে তাকেই কাজে লাগাতে হবে। সোর্ড-এর প্রতিরক্ষা সব কিছুকে বা গোটা দেশকে রক্ষা করতে পারে না। আমাদেরকে এই সুযোগ নিতে হবে। আমাদের শক্তি ছোট নয়। একদিনেই আমরা এদের অস্ত্রাগার, শিল্প-কারখানা, পরিবহন ব্যবস্থা ইত্যাদি ধ্বংস করে দেশকে বিরান ভূমিতে পরিণত করে দিতে পারি। ওদের ষ্টিল ফ্রেমের আকাশচুম্বি বিল্ডিংগুলো চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি মনে করি এরপর তারা আমাদের পায়ে পড়ে আমাদের দাবি মেনে নেবে।’
থামল ড. আরিয়েহ।
ওটা আমাদের সর্বশেষ সিদ্বান্ত। ওদিকে এখন যাওয়া যাচ্ছে না। কারণ সকল প্রকার আন্তর্জাতিক জানাজানি ও প্রতিক্রিয়া আমাদের এখন এড়িয়ে চলতে হবে। আমাদের সব পরিকল্পনা ফেল করলে শেষ সিদ্বান্ত আমাদের নিতে হবে, তখন পশ্চিমের সাথে আমাদের ‘গিভ এন্ড টেক’- এর ভাগাভাগিতে যেতে হবে। এতে আমাদের মনোপলি থাকবে না এবং আসল লক্ষ্যও আমরা অর্জন করতে পারবো না। সুতরাং আমাদেরকে অন্য উপায়ে লক্ষ্য অর্জনে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে। আমরা যে পরিকল্পনা নিয়েছি, সেটা সফল হবে বলে আমি মনে করি।’ বলল ড. ডেভিড ইয়াহুদ।
‘ঈশ্বর আমাদেরকে সাহায্য করুন!’ বলে আবার উঠে দাঁড়াল ড. আরিয়েহ। তার চোখে আশার আলো।
ড. আরিয়েহ ও ড. ডেভিড ইয়াহুদ দু’জনেই বেরিয়ে এলো ঘর থেকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now