বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার আমিকত্ব।

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)

X আমার সপ্নের দোহার যেন গ্রীষ্মের বাসাতে খিলখিল করছে। অভয়ারণ্যের কারন বসত সপ্নগুলো যেন অধরামৃতই রয়ে যায়! [আমার পরিবার] আমার পরিবারে মা-বাবাসহ আমরা চার ভাইবোন। আমার বাবা একজন সারবিয়ার(যিনি যায়গা-জমি সংক্রান্ত কাজ করে থাকেন)। আমার মা একজন গৃহিণী। সবার বড় বোন জয়ন্তী যিনি ডিগ্রী চতুর্থ বর্ষের ছাএ। আমার বড় ভাই শিমূল যিনি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাএ। আমার পরিবারে সবচেয়ে কনিষ্ঠ যে সদস্য সে হচ্ছে আমার ছোট ভাই অপূর্ব। সে বিজ্ঞান বিভাগে নবম শ্রেণিতে পড়ে এবং সে গত বছর জে.এস.সি পরীক্ষায় এ প্লাস পায়। [শিক্ষাগত যোগ্যতা] আমি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করি নিজ গ্রাম পশ্চিম তিমিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। আমি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হই গ্রাম থেকে এক কিলোমিটার দূরে নবীগঞ্জ শহরের বিখ্যাত স্কুল নবীগঞ্জ জে,কে মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে। সে স্কুল থেকে আমি জে.এস.সি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৯৫ পেয়ে নবম শ্রেনিতে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হই। তারপর এস.এস.সি পরীক্ষায় আমি ৪.৩৯ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা জিবন শেষ করি। আমি এখন হবিগন্জের একমাত্র রাজনীতিমুক্ত শচীন্দ্র কলেজ এ একাদশ শ্রেনিতে অধ্যয়নরত। আমার বাড়ি থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে কলেজ থাকা সত্বেও আমি শচীন্দ্র কলেজে ভর্তি হই। কারন আমি রাজনীতিমুক্ত শিক্ষা গ্রহন করতে চাই। [সংক্ষিপ্ত জিবনের কালো অধ্যায় ] আমার জিবনে ও একটি কালো অধ্যায় বহন করতে হয়েছে আমাকে। তখন ২০১৪ সাল আমি জে.এস.সি পরিক্ষার্থী পরিক্ষা ও সন্নিকটে সেই সময় ঘটে যায় এক দুর্ঘটনা। আমার বাবা আমাদের শহরে একটি চালের দোকানের সমনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি দেখতে পেলেন দোকানি ও ক্রেতার মধ্যে জগড়া তিনি তামাতে গেলেন তখন দোকানি ওজনের পাতর দিয়ে ক্রেতাকে নিক্ষেপ করলেন তখন তার ওপর না পড়ে পড়ে যায় বাবার ওপর। তার জন্য বাবাকে প্রায় সাত মাস বিশ্রাম নিতে হয়েছে। সেই সময় একদিকে আমার পরীক্ষা একদিকে বাবার অসুস্থতা। তিনিই আমাদের একমাত্র সম্বল যার অক্লান্ত পরিশ্রমে এক মুটো ভাত জুটে। সেই যখন অসুস্থ তখন! ভাষায় বুঝাতে পারবনা তখনকার অবস্থার। [ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা] আমার কখনো মন চাইত পাইলট হব যখন আকাশে উড়তে দেখতাম। ছোট বেলা যাই দেখতাম তাই হতে মনে চাইত। ক্রিকেটার ও হতে ছেয়েছিলাম। কিন্তু সবকিছুই তো আর হওয়া যায় না! আমি যখন বড় হলাম তখন সিদ্ধান্ত নিলাম দেশের জন্য কাজ করব। তাই ডাক্তার হওয়ার সপ্ন জাগে। কিন্তু সপ্ন কি পূরন হবে! [আমার পছন্দ ] আমি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি ক্রিকেট খেলতে ও গান শুনতে ও গাইতে। আমার আধুনিক গান খুব প্রিয়। আমার প্রিয় শিল্পী হাবিব,বালাম ও এস.এম টুটুল যাদের বাংলাদেশের আধুনিক গানের জনক বলা চলে। আমার একজন প্রিয় ক্রিকেটার ও আছেন তিনি হলেন সৌম্য সরকার। [শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি] আমার বাবা হচ্ছেন আমার কাছে শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি। কারন যার অক্লান্ত পরিশ্রম ও উৎসাহে আমার এখানে আসা। আরও একটি কথা যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন তখন আমি চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তিনি আমাকে হারতে দেননি। তিনি হচ্ছেন এক জিবন যোদ্ধের যোদ্ধা। বাবার মধ্যই আমি আমার আমিকত্বকে খুঁজে পাই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now