বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি জানি আমি পূর্ণাকে সাগরের বিষয়ে জিঙ্গেস করলে ও কখনো হ্যাঁ বলবে না। কিন্তুু জিঙ্গেস করতে কেমন অসস্থি লাগছিল তাই আমি বললাম
আমি-আমি পারব না আর তাছাড়া দেখ আমি ওকে পড়াতাম এখন কিভাবে এসব জিঙ্গেস করি পূর্ণার খারাপ লাগতে পারে।
কিন্তু নাহিদ নাছোরবান্দা (আমি বলি যার বিয়ে তার হুশ নেই পাড়াপড়শীর ঘুম নেই।)
নাহিদ-তোর সাথে জান্নাতের সেটিং কিন্তু আমরা করিয়েছিলাম। এখন তুই পাল্টি মারছিস। ও কি কারো সাথে প্রম করে?
আমি-জানি না। দেখি কি করা যায়।
আমি পরেরদিন সকালে অনেকটা লজ্জা, সংকোচ নিয়ে পূর্ণাদের বাড়ি গেলাম বাহানা ছিল শিশিরের সঙ্গে দেখা করা উদ্দেশ্য ছিল নাহিদের আদেশ পালন ও পূর্ণার মুখে না শোনা।
শিশিরের সাথে অনেকক্ষণ কথা বললাম এরপর পূর্ণার পড়ার টেবিলে গেলাম ওর পড়াশুনার খবর নিলাম। আমাদের মধ্যে আগে যে সংকোচ ভাবটা ছিল তার অনেকটাই কমেছে কারণ আমি ভার্সিটিতে পড়ি, ওর মতে যারাই ভার্সিটিতে পরে সবাই নাকি প্রেম করে। ও হয়তো ভাবছে আমি অন্য কারো প্রমিক,ওর প্রতি আমার কোনো অনুভূতি নেই। তাই ওর মধ্যে আমি এবার অসস্থি বোধটা কম দেখছি।
অনেকক্ষণ পড়ার কথা বলার পর পূর্ণাকে জিঙ্গেস করলাম
আমি-পূর্ণা তুমি কালকে আমার সাথে আসা আমার বন্ধুদের তো দেখেছো তাই না।
পূর্ণা-দেখেছি তবে চেহারা আপনার ছাড়া কারোটাই মনে নেই।
আমি-আমার তিন বন্ধুর মধ্যে একজনের নাম সাগর ব্যার্নাজী। তোমার সাথে ও একটু কথা বলবে। তুমি আমার যাওয়ার পর একটু আমাদের বাসায় আসতে পারবে?
পূর্ণা-কী কথা বলবে?
আমি-আসবে তাহলেই তো শুনতে পাবে ।
পূর্ণা-ঠিকাচ্ছে।
সাগর ,নাহিদ বসে আছে আলভি জানালার পাশে দাড়িয়ে ওর ভবিষ্যতের সাথে কথা বলছে। পূর্ণা আসল আমি পূর্ণার সাথে সাগরের পরিচয় করিয়ে দিলাম।
নাহিদ-পূর্ণা তুমি তো সবই বুঝতে পারছো তোমায় সাগর কি বলবে।
পূর্ণা-ঠিক কি বলবে আই লাভ ইউ টাইপের কিছু ?
সাগর-আমি আপনাকে ঠিক আই লাভ ইউ বলার জন্য ডাকিনী। ডেকেছি উইল ইউ বি দা মাদার অফ আওয়ার চিল্ড্রেন আফটার ফাইভ ইর্য়াস, বলার জন্য।
(আমরা সাগরের কথা শুনে হতবাক যে আসার পর থেকে পূর্ণার বিষয়ে একটা কথাও বলেনি,হঠাৎ করে সরাসরি বিয়েতে চলে যাওয়া বুঝলাম ছেলের দম আছে। )
পূর্ণা-আমার উত্তর তিন বছর পর আপনার বাবা, মাকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে আমার বাবা মাকে জিঙ্গেস করবেন।
সাগর-ঠিকাচ্ছে। কিন্তু মাঝের তিন বছর কি আপনার সান্নিধ্য পেতে পারি?
(সান্নিধ্যের কথা শুনে আমি, নাহিদ,আলভি হাসতে হাসতে শেষ)
পূর্ণা-ভেবে বলি।
সাগর-ঠিকাচ্ছে।
আমার ফোনে পূর্ণার বাবার নাম্বার আছে সাগর সেটা নিল। বিকেলের দিকে নাহিদ,সাগর,আলভি ওদের যার যার বাড়ি রওনা হল।
পরেরদিন সাগর আমায় ফোন করল এবং জিঙ্গেস করল পূর্ণার উত্তর কি।
আমি বললাম জানি না।
অস্থিরতা আমায় ঘিরে রেখেছি ঠিক কি করব বুঝতেই পারছি না আমি জানি আমাকে যে ভালোবাসে না তাকে ভালোবাসা উচিত না কারণ সেই একতরফা ভালোবাসায় শুধু কষ্ট পাওয়া যার।
আমি চাই না আমার আর সাগরের সম্পর্ক খারাপ হোক তাই কোনো উপায় ভাবতে হবে অথবা সব কথা বলে দিতে হবে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now