বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অশুভ আত্মার ডাক আর তার পরিণতি

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md.Swit islam (০ পয়েন্ট)

X আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগের কথা৷শিমুলতার এলাকায় বাস করত রহিম আর নয়ন৷তারা দু'জন ছিল ভালো বন্ধু ৷এক কথায় বলতে গেলে মানিক জোড়৷তাদের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট্ট নদী৷বৈশাখ মাস নদীতে হাঁটু পানি আর যেন মাছ ধরার উত্তম সময়৷দিনটি ছিল শনিবার সন্ধ্যার সময় তারা দু'জন মাছ ধরার পরিকল্পনা করছে আর ঠিক করল মাছ ধরবে৷রহিম নয়নকে বললো আমাকে ভোর সকালে ডাক দিবি আমি জাল নিয়ে প্রস্তুত থাকব৷তুই ডাক দিলে আমরা দুই জন মিলে জাল দিয়ে মাছ ধরব৷তারা দুই জন আলাপ আলোচনা করে বাড়িতে চলে গেলো৷সেই দিন রাতের আকাশে জোসনা ছিল৷ চারিদিক জোসনার আলোতে খক খক করছে ৷আনুমানিক রাত তখন ৩টা বাজে৷এমন সময় রহিমের বাডির সামনে থেকে নয়ন ডাকতেছে রহিম ওঠ মাছ ধরতে যাবি না৷রহিম নয়নের কণ্ঠ শুনে বলে সকাল হইছে কী? নয়ন বলে হ ৷তুই বাইরে এসে দেখ ৷আযান দিয়েছে তাড়াতাড়ি যেতে হবে তা না হলে সবাই আগে চলে যাবে আমরা পেছনে পড়ে যাবো আর মাছ ধরা হবে না৷এ কথা শুনে রহিম তাড়াহুড়া করে বের হয় এবং তার মাকে ডাক দিয়ে বলে আমি মাছ ধরতে গেলাম৷নয়ন সামনে সামনে যাচ্ছে আর রহিম পেছন পেছন ৷রহিম নয়নকে বলে দাড়া ভাই এক সাথে যাই ৷নয়ন বলতাছে তাড়াতাড়ি চল সবাই মনে হয় চলে গেছে আর মাছ ধরতাছে৷রহিম এ কথা শুনে তার পেছন পেছন হাঁটা শুরু করলো৷তারা অনেকক্ষণ হাঁটার পর এক সময় নদীর ধারে চলে আসলো ৷রহিম দেখল তারাই সবার আগে চলে এসেছে৷তখন রহিম বলে কয়েক জন আসুক তারপর পানি নামি মাছ ধরতে৷তখন নয়ন বলে চল মাছ ধরতে থাকি লোকজন আসতে থাকুন৷ নয়ন এ বলে পানিতে নেমে গেলো আর রহিম তার পেছনে নেমে গেলো ৷নয়ন সামনে এগিয়ে যাচ্ছে আর বলছে এদিকে আয় ৷রহিম তার কথা শুনে এগিয়ে যাচ্ছে ৷যাচ্ছে তো যাচ্ছে হঠাৎ রহিম লক্ষ করলো পানি যেনো তার কোমর পযর্ন্ত ওঠে গেছে তখন বলতাছে নয়ন পানি বেশি এদিকে আয়৷আর নয়ন বলতাছে না পানি বেশি না তুই এদিকে আয় এদিকে কম আয় তুই আর দেখ মাছ লাফাছে ৷রহিম দেখে অনেক মাছ লাফাছে,তা দেখে রহিম তার দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো এক সময় রহিম লক্ষ করলো পানি যেনো তার গলা পযর্ন্ত ওঠে গেছে৷তখন সে ভাবলো এতো নয়ন না আমি কার পেছনে আসলাম ৷যেই ভাবা সেই দৌড় আর চিৎকার শুরু করে দিলো৷আর তখন নয়ন চোখ দু'টো বড় করে লাল চোখে তার দিকে এগিয়ে আসতে শুরু করলো আর তার মুখ যেনো অন্য রকম হয়ে গেলো৷ যে রকম এক জন মানুষের মুখ পুঁড়ে গেলে যেমন দেখায়৷আর তার মুখের ভেতর থেকে দুইটা বড় দাঁত বেরিয়ে আসলো৷যেরকম আমরা শুনি ডাইনির সামনের দুই দাঁত বড় হয় সেই রকম৷সে কোন রকম পাড়ে ওঠবে ঠিক তখন সেই ভয়ানক আত্মার দুই হাত লম্বা হয়ে তার পা টেনে ধরে আর সে চিৎকার দেয়৷তখনই মসজিদের মাইকে আযান শুরু হয় আর তখন সেই ভয়ানক বলে তর মা লাউয়ের পাতা বিলাইছে বলে তুই বেঁচে গেলি তার পর অদৃশ্য হয়ে যায় আর সে বেহুশ হয়ে যায়৷যখন তার হুশ হয় তখন সে দেখতে পায় তার চারপাশে অনেক মানুষ এবং সে তার বাড়িতে৷নয়ন তার সামনে চাঁদর গাঁয়ে দাড়িয়ে আছে৷তার পর সে সবকিছু বলে এবং সে জানতে পারে নয়নের সেই রাতে প্রচণ্ড জ্বর ওঠে ছিল৷আর নয়ন আসে নাই৷রহিমের পা ভেঙ্গে গেছে৷সে আর হাঁটতে পারে না৷দুই দিন পর রহিমের প্রচণ্ড জ্বর হয় আর সে মারা যায়৷ তাই আমাদের উচিত ভালোভাবে লক্ষ করে চলা৷ লেখার মাঝে কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন৷ আর কেমন লাগলো তা মন্তব্য করে জানাবেন৷ সবার সুস্থ্য কামনা করছি...........আমি সুইট ইসলাম


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now