বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই ঘঠনার পর থেকেই আমার মন খারাপ। বাবা বাসা চেন্জ করেছে।সেখানকার স্কুলো ভালো ছিল।মায়ে হাতে বকা খাবার ভয় ছিল।বাবা সামলানোয় বাচঁলাম।যে বাসায় ছিলাম সেটা খোলামেলা ছিল । কিন্তু এ বাসা নির্জন। ।চারিদিকে জঙ্গল।পাশে একটা রাজবাড়ীও ছিল । এত কাছে না,সবাই বলে সেখানে নাকি ভুত আছে । আমি আবার ভুতে বিশ্বাসি নই। রাতে এ পথ দিয়ে কেউ গেলে সে আর ফিরে আসেনা । আমার স্কুল ছিল ঐদিকে।স্কুলে যেতে হলে মা সাথে যেতেন । স্কুলে সেদিন প্রগ্রাম ছিল। সেখানে আমার কবিতা বলার কথা।সারাদিন প্রগ্রাম শেষে বাসায় ক্লান্ত হয়ে ফিরছিলাম।আজকে মা আসতে দেরি করছিল তাই নিজ থেকে রওয়ানা দিলাম।রাজবাড়ীর পথে আসতেই আমাকে কে যেন বাড়ীর ভিতরে টেনে নিল। আমার মুখে কাপড় বেধে দিল । যখন কাপড় খুললো তখন চারাদিক অন্ধকার ছিল।শুধু ২ জন মানুষের কন্ঠ শুনা গেল।তখনই বুঝে গেছি এটা ভুতনা, ক্রাইম।ওরা আমায় একটা চেয়ারের সাথে বেধে রাখলো। ওরা কি নিয়ে কথা বলছিল।কোন মহিলার লাশ ,বোরখা পরা মেয়ে পুলিশকে সব বলে দিবে,কি বস টস আসবে ৫:০০টায় এসব।এবার বুঝতে পারলাম ঐ আগের কেইস।আমার মনে হলো ওরা বোধহয় কিডনাপার।তখন আমার মাথায় বুদ্ধি এলো । ওদের বললাম :- ভাইয়া আমার মুখের কাপড়টা খুলে দাওনা শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।বলে আঃ উঃ শব্দ করতে লাগলাম ।ওদের মধ্য থেকে একজন দ্রুত এসে খুলে দিল । খুলেই দেখলাম পুরোনো রাজবাড়ীতে আমি।চারিদিকে কিছু পুরোনো জিনিস পত্র রাখা।ভাগ্যিস আমার সাথে ফোন ছিলো। ওদের পানি খাবার কথা বলে বাইরে পাঠিয়ে দিলাম।এই সুযোগে হাতে বাধন খুলে ফোন নিয়ে পুলিশে ফোন দিয়ে সব প্লানিং করে নিলাম।ওরা পানি নিয়ে এসে পাশের ঘরে চসে গেল।কিছু সময় পর একটি গাড়ির শব্দ শোনা গেল। পরে ঐ ঘরে কিসে কথার্বাতা শোনা গেল।পরে আমার ঘরে কে এসে আমায় একনজর দেখে গেল, কিরকম চেহারা । ভাবসাব বসের মতো। ওচলে যাওয়ার পর ফোন হাতে নিয়ে পুলিশকে কল দিলাম। হঠাত ঐ ঘরে কিসে ধস্তাধস্তির শব্দ শোনা গেল।পরে একজন পুলিশ এসে আমায় উদ্ধার করে নিয়ে গেলেন। সাথে মা-বাবাও ছিলেন।তারা আমাকে পেয়ে খুশিতে আত্নহারা হয়ে উঠলেন।মা রেগে বললেন আমার অপেক্ষা করলি না কেন? । পরে পুলিশ আমাকে খুশি হয়ে বললেন:- আমরা শত চেষ্টা করেও আসামীকে ধরতে পারিনি।তুমার মতো বুদ্ধিমতি আমি আর দেখিনি । বলে বাবাকে বললেন:- ঐ বোরখা ওয়ালি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমি বেতন পাই বস জানিনা সোজা আমার কাছে বেতন আসে । পরে তিনি আসামী নিয়ে চলে যান।পরে আমরা বাসায় চলে যাই।কয়েক ঘন্ঠা পর ফোনে খবর জানলাম ঐ আসামীর বউ ছিল ঐ মহিলা । মহিলাটি ঐ বাড়ি ভাড়া নিয়ে প্রত্যকদিন একেকটা খুন করত।সাইকো টাইপের।একদিন নেশার ঘোরে আসামী ওখানে গিয়ে ওকে হত্যা করে। আর রাজবাড়ী হলো ওদে পাচারের জায়গা।
এসব শোনে আমার খুব ভয় হলো, সেখান থেকে বেচে আসায় মনে শান্তি এলো,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now