বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
২০১৭ সাল।হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ,সিলেট, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জের সব হাওর তলিয়ে যায় পানির নিচে।পানির অপর নাম জীবন হলেও সেই সময় পানি মরণ হয়ে এসেছিল। মানুষ তাদের সব চেষ্টা দিয়ে হাওরের বাঁধ রক্ষা করতে ব্যস্ত।সারাদিন মাটি কেটে বাঁধ দেওয়া হয়েছে, কি যে কষ্ট এই কাজ করা! বাঁধটা মোটামুটি শক্ত পোক্তই হয়েছ। সবার মনেই চাপা আনন্দ।আমি আর আমার সমবয়সী চাচা বাঁধের কাজ করে সন্ধ্যার পরে বিশ্রাম নিচ্ছি পুকুরের পাড়ে।কিছুক্ষণ পরে দেখি পশ্চিম আকাশে বিদ্যুৎের ঝলকানি, বুকের ভিতরটা মুচড় দিয়ে উঠল। আমাদের বাঁধটা ও ছিল পশ্চিমমুখী।মিনিট দশেক পরেই শুরু হল কালবৈশাখীর তান্ডব।তখন সবেমাত্র সন্ধ্যা নেমেছে। আধা ঘন্টার ঝড়ে সব শেষ হয়ে গেল।বাঁধের কোনো কুল কিনারা থাকলো না।বাঁধের ভিতরের সব জমিতে বুক পানি।কত কষ্ট করে যে ধান কেটেছে হাওরের মানুষ সেটাতো সারা দেশের মানুষ টিভিতে দেখতেই পেয়েছে।শুধু দেখতে পেল না হাওর ডুবে যাওয়ার আগে মানুষের কষ্ট । কি পরিমাণ কঠিন ছিল তখনকার সময় বলে বুঝানো যাবে না।কারণ সব কৃষকরা তো আর নিজের হাতের জমানো টাকা দিয়ে চাষাবাদ করে না,বেশিরভাগ কৃষকরাই মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now