বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমরা রাতে কিছু খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।হটাৎ রাতে কিসের একটা শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো।মনে হলো বড়ো কোনো একটা জন্তু।পাশে তাকিয়ে দেখলাম আমরা তিনজনই জেগে গিয়েছি।আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে, কি হয়েছে!! তোমরা জেগে আছো কেনো?? তারা বললো, আমরা একটা শব্দ শুনেছি।আমরা সবাই smg22 নিলাম আর সাথে টর্চ নিলাম।আমরা তাবু থেকে বাইরে গিয়ে দেখলাম, চারপাশে খুব নিস্তব্দ, মনে হচ্ছে এখানে কারোর শব্দ করার কথা না।
চাঁদটা দেখলাম আকাশে উকি দিচ্ছে, বেশ আলো দিচ্ছে, মনে হচ্ছে কেউ আসলে দেখা যেতো কিন্তু আমাদের কিছুদূর খুজেও কিছু চোখে পড়লো না, তাই আমরা আবার তাবুতে ঢুকে পড়লাম।যখন আমার প্রায় ঘুম চলে এসেছে ঠিক সেই সময় আবার সেই শব্দ হলো।এবার স্পষ্ট শব্দটা শুনতে পেলাম।আমার বন্ধুরাও শুনতে পেলো।আমি রাফিকে বললাম যে, তোমার ক্যামেরাটা নিয়ে চলো।রাফি ক্যামেরাটা সাথে নিলো।শব্দটা মনে হলো আমাদের তাবুর পাশেই হলো, তাই আমরা দ্রুত smg22 আর টর্চটা নিয়ে বাইরে গেলাম।
বাইরে গিয়ে দেখলাম আবার সেই নিস্তব্দতা বিরাজ করছে।আমরা চারপাশে খুজতে লাগলাম।কিন্তু কিছুই চোখে পড়লো না।হঠাৎ আমার চোখ পড়লো, পুকুরে।আমার মনে হলো কে যেনো পুকুরে সাঁতার কাটছে।আমি ভাবলাম এটা মনে হয় আমার চোখের ভুল।কিন্তু যখন আমি আমার বন্ধুকে বললাম যে, দেখো তো, ঐখানে কিছু দেখা যাচ্ছে কিনা!! তারাও বললো, মনে হচ্ছে কেউ পুকুরে সাঁতার কাটছে।
আমি আরো একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম যে, পুকুরে সাঁতার কাটছে অথচ কোনো শব্দ হচ্ছে না।আমার এটা দেখে মনে হলো ঐ ব্যক্তিকে একবার ডেকে দেখা উচিত যে সাড়া দেয় কিনা!! কিন্তু আমার আবার মনে পড়ে গেলো, এখানে তো কেউ থাকার কথা না।আমি কিছুটা হতভম্ব হয়ে গেলাম।আমি ভাবলাম যে, আমরা মনে হয় জ্বিনের খোজ পেয়ে গেছি।আমি ভাবলাম যে এটার একটা ভিডিও করলে ভালো হয়।তাই আমি রাফিকে বললাম, তুমি ক্যামেরা এনেছ তো, ক্যামেরাটা অন করো।
রাফি ক্যামেরাটা অন করলো।রাফি বললো যে কিছুই ভালো-ভাবে দেখা যাচ্ছে না।আমি বললাম, আরে ক্যামেরার নাইট ভিশন অন করো তাহলে দেখা যাবে।রাফি বললো, ওহ! তাইতো আমি ভুলে গিয়েছিলাম।রাফি নাইট ভিশন অন করলো আর যেই আমরা পুকুরের দিকে ক্যামেরা ঘুরালাম সেই দেখলাম কেউ নেই।আমরা আরো ভালো-ভাবে দেখার চেষ্টা করলাম, কিন্তু কোনো কিছু আর চোখে পড়লো না।তাই আমরা আবার তাবুতে ফিরে ঘুমিয়ে গেলাম।
এবার আর কোনো শব্দ হলো না।তাই ঘুমটা ভালোই হলো।আমরা সকালে দ্রুত উঠে পড়লাম।অন্যসব বন্ধুরা বললো যে, জ্বীন দেখা তো হয়ে গেছে, এবার আমরা সবাই বাড়ি ফিরে যাই।আমি বললাম ক্যামেরা যখন সাথে এনেছি, ছবি অথবা ভিডিও করে নিয়ে যাবো।তারা এবার রাফিকে দোষা-রোপ করতে লাগলো আর বললো, তোমার জন্য আমাদের আর আজকে বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না কারন তুমি এই ভিডিও ক্যামেরা এনেছো তাই।আমি তাদের থামিয়ে দিলাম।
আমরা সব কিছু গুছিয়ে বাড়ির দরজা খুজতে লাগলাম।অনেক ঘুরা-ঘুরি করে শেষে দরজাটা দেখতে পেলাম।দরজাটা দেখেই আমার বুকে ধক করে উঠলো।দরজাটা দেখলাম অনেক লম্বা আর দরজায় কেমন একটা ছবি আঁকানো।আমরা দরজাটা খোলার চেষ্টা করলাম।কিন্তু দরজাটা কিছুতেই খুলছে না।আমরা অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু শেষে খুলতে না পেরে, আমরা খুটিয়ে খুটিয়ে দরজাটা দেখতে লাগলাম।
হটাৎ আমার চোখে পড়লো দরজার একেবারে উপরে তালা লাগানো আছে।আমরা তালা খুলার চেষ্টা করলাম কিন্তু আমরা অত উপরে স্পর্শ করতে পারলাম না।তাই আমরা একটা মই বানালাম।মইটা নিয়ে উপরে উঠে দরজাটা খুললাম।দরজা খুলার সাথে সাথে ভেতর থেকে ঠান্ডা বাতাস আসলো।আমার শরীর কাপুনি দিয়ে উঠলো।আমরা ভেতরে ঢুকলাম।ভেতরে কিছুই দেখা যায় না।তাই টর্চটা জ্বালিয়ে দেখতে লাগলাম।
আমরা নিচের ফ্লোরে দেখলাম, একটা বড় মাঠের মতো জায়গা আছে এবং ৭ টা রুম আছে।আমরা এই বড় জায়গাটা দেখতে লাগলাম।হঠাৎ দেখলাম একটা নীল রংয়ের বাক্স।আমরা বাক্সটা ছুরি দিয়ে খুলে দেখলাম, একটা কংকাল এবং সেই কংকালের ভেতরে সোনার তৈরী কয়েকটা মালা দেখলাম।আমরা ক্যামেরা দিয়ে একটা ছবি যখন ছবি উঠাবো, তখনই দেখলাম কংকালটা নেই।আমার আবার বুকের ভেতরে মোচড় দিয়ে উঠল।চলবে.................
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now