বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রজেক্ট প্যালিড্রম-০২

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X কিন্তু কাজটা কী? আপনার প্রিয় বিষয় মানে সংখ্যা নিয়ে কাজ করা আর কি..। আপনাকে একটি বিশেষ সংখ্যা খুঁজে পেতে হবে যা সামনে থেকে আর পিছন থেকে একই রিডিং দেয়.... ভিক্ষুর মতো হলেও ভদ্রলোকের শব্দ চয়ন আর উচ্চারণের পরিশীলতা নজার এড়চ্ছিল না সাইদুলের। ....ওহো! সরি! আমার পরিচয়টা আসলে আগেই দেয়া বিধেয় ছিল- আমি ধর্মাত্মা ত্রয়োদশ। পড়াশোনা চিটাগাং আর ক্যামব্রিজে। তুলনামূলক ধর্মশাস্ত্রে ডক্টরেট করেছিলাম একসময়। একটু ধাক্কাই খেল যেন সাইদুল। হাইলি কোয়ালিফায়েড ভিক্ষু দেখা যাচ্ছে! আবার বাস্তবে ফিরল সাইদুল। ভদ্রলোক প্যালিন্ড্রমের কথা বলছিলেন। এটা একটা মজার বিষয় ওর কাছে। কিছু সংখ্যা আছে যা সামনে আর পেছন থেকে পড়লে একই পাঠ দেয়। যেমন ১২১। সাধারণত কোনো সংখ্যার সাথে তার বিপররীত সংখ্যা যোগ করলে প্যালিন্ড্রম পাওয়া যায়। ওই ১২১ যেমন এসেছে ৮৩ আর ৩৮ এর যোগফল থেকে। এই যোগ করার কাজটি একটি ধাপেই সম্পন্ন হতে পারে বা লাগতে কয়েকটি থেকে শত শত হাজার হাজার ধাপ! প্যালিন্ড্রম বের করার চাকরি! চাকরি মনে করলে চাকরি ফান ভাবলে ফান। তবে এজন্য আপনাকে কম্পিটিটিভ স্যালারি অফার করছি আমরা। এরপর ভদ্রলোক একটা সংখ্যা বললেন। আবার বিষম খেল সাইদুল। স্বীকার করতে ওর দ্বিধা হওয়ার কথা নয় যে এত স্যালারি নিজের জন্য ও কখোনোই ভাবেনি। এখন আপনি বলুন আপনি আমাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী কি না.. আপনারা ঠিক কী করছেন তা না জেনে তো কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারিনা। এমনওতো হতে পারে আপনার বেআইনী কোনো কাজ করছেন বা উগ্রবাদী কোনো সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতা আছে আপনাদের..... রাইট! কোনো দায়িত্বের নেয়ার আগে অবশ্যই সবকিছু ভেবে নেয়া দরকার। তবে এটুকু বলতে পারি আমরা কোনো উগ্রবাদী সংগঠন নই। ধর্মীয় সংগঠন তা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আর প্রকৃত ধর্মের ভেতর উগ্রপন্থার আসলে কোনো স্থান নেই। আমাদের এই সার্কেল অব ব্রাদারহুড এর নাম আপনি হয়তো শোনেননি। আসলে গৌতম বুদ্ধের সময় কাল থেকেই আমাদের এই এই সার্কেল টিকে আছে। যদিও খুবই সীমিত আকারে। পৃথিবীর প্রায় স্থানে আমাদের মতাদর্শী কিছু লোক জন আছেন। তাদের অনেকে আবার বেশ অর্থ বিত্তশালী। তো তাদের আর্থিক সহায়তাই কাজ চলে যায় এর। ভগবান বুদ্ধের সমসাময়িক আরেক মনীষি ধর্মাত্মা প্রথম এর প্রবর্তক। আমরা তাঁকে বলি প্রভু ধর্মাত্মা। তো তিনি অনেক ধ্যান করে বের করলেন যে মহাপ্রভু বা পরমাত্মা এই বিশ্ব ভ্রহ্মান্ড তৈরী করেছেন সংখ্যার ইট দিয়ে। অর্থাৎ সংখ্যার পর সংখ্যা বসিয়ে তৈরী করা হয়েছে জীব- জড়ের সমস্ত কিছু। গ্যালক্সির বিন্যাস থেকে শুরু করে ক্রোমোজেমের ডিএনএর সিকুয়েন্স সবই সংখ্যার সাম্যে তৈরী। তাই প্রভু ধর্মাত্মা বললেন তোমরা সংখ্যার ভেতরেই পরমপ্রভুকে খুঁজবে। সেই থেকেই একটা দল অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে থেকেই সংখ্যা নিয়ে কাজে নেমে পড়ল। সংখ্যার হরেক রকম বিন্যাস আছে। সবই আমরা বিন্যাস করছি গত তিন হাজার বছর ধরে। শেষে এসে আটকালাম ওই প্যালিন্ড্রমের মধ্যে। আমাদের বিভিন্ন দল বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করছে। তো আমার ওপর দায়িত্ব বর্তেছে প্যালিন্ড্রমের সমাধান করা। আমি তো আর প্রোগামার বা সংখ্যা বিশেষজ্ঞ নই। আপনার সিভি দেখে আমার ধারণা জন্মেছে যে আপনিই আমার সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now