বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রথম ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান চৌধুরী সাহেব (০ পয়েন্ট)

X আগে শুনেছি যে যদি কারো প্রেমে পরা যায় তাহলে নাকি তার বাড়ির সামনে আসলেই নাকি হৃদযন্ত্রের কাপুনি বেড়ে যায় যা আমি এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। আর এই কাপুনি যে কত ভয়াবহ হতে পারে তাও আন্দাজ করতে পারছি। একেবারে ভূমিকম্পের চেয়ে কমকিছু বলে মনে হচ্ছে না। তাহলে শুরু থেকেই শুরু করা যাক। আমি নয়ন এবার ক্লাস টেন এর ছাত্র। আমার প্রায় সব বন্ধুরাই প্রেম করে যেটা আমার দ্বারা আজ পর্যন্ত করে ওঠা সম্ভব হয় নাই। কিন্তু হঠাৎ করেই একটা মেয়ে কে দেখার পরে আমার প্রেম করতে ইচ্ছে হয়। যা আজ পর্যন্ত কখনো ঘটেনি আমার সাথে তাই ঘটা শুরু হয়ে যায়। মেয়েটির বান্ধবিদের কাছে থেকে অনেক কাঠ কয়লা পুড়িয়ে তার নাম জানতে পারি মেঘলা। নাম টাও আমার দারুন পছন্দ হয়। মেয়েটির মতই মিষ্টি। কিন্তু ওই যে অভিজ্ঞতা বলে তো একটা কথা থেকেই যায় যেটার ভিসন অভাব ছিল আমার। কিছুতেই বলতে পারছিলাম না যে মেয়েটাকে আমি ভালবাসি। কিছু বুদ্ধি নেওয়ার জন্য আমাদের ক্লাসের প্রেমের উপর পিএইচডি ধারী বন্ধুদের ধরলাম। কিন্তু তারা যে অব্যর্থ বুদ্ধি গুলো আমাকে গেলানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছিলো তা তারা বেশ বুঝতে পারল। অবশেষে তাই আমাকেই কিছু একটা করতে হবে বুঝতে পারলাম। কিন্তু কি করব আমার দ্বারা কিছু সম্ভব বলেও তো মনে হয় না। স্কুল ছুটি হলে মেয়েটার পিছু পিছু যাওয়ার জন্য আমার সাইকেলটাও আর আনতাম না। প্রতিদিন তার পিছে যাওয়ার জন্য হয়ত সন্দেহ করেছিলো মেয়েটা। তাই একদিন ছুটির পরে আমাকে আটকে দিলো মেয়েটা। কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই বলে উঠলো -প্রতিদিন আমার পিছু নেন কেন বলেন তো? - ক্ক ক কই ন না তো( একটু তুতলিয়ে গেছিলাম) -আবার মিথ্যাকথাও বলছন! আপনার কি মনে হয় পুরো দুনিয়ায় আপনি একাই সুধু চালাক আর সবাই বোকা? -আমি কি তা বলেছি নাকি? -বলেন নি কিন্তু আপনার কথা শুনে তো তা-ই মনে হয়। -আসলে আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। -কিছু যে বলতে চান তা তো আমি আগেই বুঝে গিয়েছি। এখন কি বলতে চান বলে সামনে থেকে যান। -আসলে আমি..... আমি তোমাকে....... আমি.... -কি আমি তুমি করছেন? যা বলবেন তারাতাড়ি বলেন। -আসলে আমি.....আম..... দিলাম ভো দৌড়। সেদিন একটা সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া হয়ে গেলো। যার জন্য আজ আমি পুরা মন মানসিকতা নিয়েই আসছি। তাও আবার তাদের বাসার সামনেই। যার ফলাফল হল আমার বুকের কাপুনি। মেঘলা ওদের বেলকনিতে একবার আসলেই হয়। হাতের সামনে ধরে রাখা বড় কাগজে বড় করে লিখে রাখা ভালবাসি দেখিয়েই দৌড় দিব। তারপর যা হয় হব। যেই ভাবা সেই কাজ। ও বাইরে আসলেই তুলে ধরলাম কাগজখানা যেখানে বিছ্রি হাতের লেখা গুলো রয়ছে। কিন্তু কপালে না থাকলে ঘি ঠকঠকালে হবে কি। মেঘলার সাথে যে ওর বড়ো ভাইও এসেছে সেটা তো আমি দেখিইনি। ওর ভাই তো খেপে আগুন। এখন আরো কিছু পোলাপান জোগাড় করে ধাওয়া করার উপক্রম। আমিও পা দুটোকে চালানোর জন্য রেডি। এমন সময় দেখতে পেলাম মেয়েটার মায়াভরা সেই মুখের হাসিখনি। মনটা আনন্দে ভরে উঠলো। আপাতত কিছুটা কষ্ট সয়ে নিলে কোনো সমস্যা নাই। কারণ আমি জানি এখন এই মায়াভরা হাসিখানি প্রতিদিন দেখতে পাবো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রথম ভালোবাসা
→ আমার প্রথম ভালোবাসা
→ জীবনের পাওয়া প্রথম ভালোবাসা☺☺
→ ভালোবাসার প্রথম প্রহর।
→ প্রথম ভালোবাসা কখনও ভোলা যায় না - শেষ পর্ব
→ প্রথম ভালোবাসা কখনও ভোলা যায় না পর্ব 1
→ প্রথম ভালোবাসার চিঠি
→ আমার প্রথম ভালোবাসা
→ একটি মেয়ের গল্প-"আমার প্রথম ভালোবাসা "
→ জীবন এর প্রথম ভালোবাসা
→ প্রথম ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now