বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খুব বেশিদিন আগেকার কথা নয়। হবিগন্জ জেলার প্রতন্ত এক গ্রামে বাস করতেন শিমুল নামের এক ব্যাক্তি। তাঁর বয়স ৫০~৫৫ হবে। তিনি ছিলেন বন্ড ও কুসংস্কারচন্ন এক ব্যাক্তি। তিনি বেশ কিছুূূদিন ধরে ক্যান্সারজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর জন্য কিছুূূদিন পূবে তিনি ভারত থেকে সাময়িক চিকিৎসা করে এসেছিলেন। পাপের জন্যই বোধ হয় তাঁর এই অবস্থা! যখনই পৃথিবীজুড়ে নেমে আসত কোনো প্রকার মহামারী তখনি তিনি নিজের লাভের সুযোগ বুঝে ভিন্নতর গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষদের আতঙ্কিত করে বিপদে পেলে দিতেন। সাম্প্রতিক সময়ে মহামারী আকারে ধারন করা করোনাভাইরাস এর গুজব ছড়াতেও তিনি ব্যাতিক্রম হন নি। তাঁর একটি গ্রামীণ চিকিৎসালয় ও একটি টুনিমানকুনির পাতার জমি আছে । তাকে কেন্দ্র করে তিনি নানা রকম গুজব ছড়াতে থাকেন। তিনি গ্রামের সবাইকে বলেন যদি টুনিমানকুনির পাতা খাও তাহলে কখনো করোনাভাইরাস হবে না। তাঁর কথা শুনে সবাই তাঁর নিকট থেকে ৫ টাকা আটা দামের আটি ২০টাকা দিয়ে নিতে লাগল। এবং নিমিষেই তাঁর জমি খালি হয়ে গেল। তাঁর পাশের বাড়ির একজন বয়স্ক ব্যাক্তি কিছুূূদিন ধরে জ্বর,সদ্বি, ও কাশিতে ভুগছিলেন। তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে তিনি ডাক্তার এর কাছে যাবেন বলে রওনা দিলেন। রাস্তায় দেখা হয় বন্ড ও কুসংস্কারচন্ন ব্যাক্তির সাথে কোথায় যাবে জানতে চাইলে বয়স্ক লোকটি সব কথা কোলে বলেন। কিন্তু তিনি ডাক্তার এর কাছে যেতে না করলেন। তখন কেন জানতে চাইলে লোকটি বলে যদি তোমি ডাক্তার এর কাছে যাও তাহলে তোমাকে করোনা আক্রান্ত রোগী বলে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলবে। তিনি বলেন তাঁর কাছে থেকে নিয়ে ঔষধ খেলে নাকি অসুখ ভাল হয়ে যাবে। তাঁর কথায় ভয়ে ভিতু হয়ে বয়স্ক লোকটি বাড়ি পিড়ে যায় এবং তাঁর ঔষধ খেতে লাগলেন। কিন্তু কোনো কাজ না হওয়ায় কিছুূূদিন পর বয়স্ক লোকটি মারা যান। এভাবে তিনি সবাইকে ভয় দেখিয়ে শহর এর ভালো চিকিৎসা থেকে বন্চিত করে তাঁর সাধারণ চিকিৎসায় সাধরণ মানুষদের বিপদে ফেলে দিতেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর ক্যান্সারজনিত সমস্যার অবনতি হয়। তাঁর ফুসফসজনীত সমস্যা ও বৃদ্ধি পায়। তাঁর সেই চিকিৎসা করানোর জন্য থাকে ঢাকা আসতে হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস এর জন্য দেশে লকডাউন চলায় থাকে ঢাকায় যাওয়া হলো না এবং তিনি মৃত্যুর কোলে ঠলে পরেন। তখন তিনি তাঁর পাপের প্রতিফলন বুঝতে পারলেন। তখন তিনি তাঁর মতো গুজব ছড়ানো ও কুসংস্কারচন্ন ব্যাক্তিদের উদ্দেশ্য কিছু কথা বলেন। তিনি বলেন ডাক্তারদের উদ্দেশ্য কোনো খারাপ মতামত করবেন না কারন মুক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান যেমন অপরিসীম তেমনি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ডাক্তারদের অবদান অপরিসীম। আমার মতো ব্যাক্তিরা গুজব না ছড়িয়ে সাধরণ মানুষদের করোনা মোকাবিলায় সাহায্য করি। আমাদের সবার একটু একটু প্রচেষ্টাই করতে পারে করোনা মোকাবিলা। সবশেষে তিনি বলেন এখন বুঝেও কী দেশের জন্য কিছু করতে পারলাম না! এই বলে তিনি মারা গেলেন•••••
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now