বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ...................
উৎসর্গঃ সকল জিজেবাসী
হিমু এখন কলেজে পড়ে।সে পড়া-লেখায় ভালো কিন্তু তার একটা দোষ আছে আর সেটা হলো কেউ যদি হিমুকে ১ টা কথা বলে তাহলে হিমু তাকে ১৯৯ টা কথা শুনিয়ে দেয়।এজন্য কেউ তার কোল ঘেষতে চায়না।এভাবে কয়েক সপ্তাহ যাওয়ার পরে, একদিন হিমু কলেজে ঢুকলো ক্লাস করার জন্য, এমন সময় তার চোখ আটকে গেলো সামনের মেয়েটির দিকে।হিমু একভাবে তাকিয়েই আছে, হঠাৎ মেয়েটি হিমুকে দেখে বলে, এই আপনি কে আর আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছেন কেনো???
হিমু বললঃ মানে, ইয়ে.....ইয়ে না মানে ঐ আর কি।
মেয়েটিঃ কি সব ইয়ে মিয়ে করেন, আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন কেনো??? বলেন না হলে কিন্তু সবার সামনে বলে দিবো।
হিমুঃ আসলে হয়েছে কি, মা মা মানে তুমি খুব সুন্দর।তাই জন্য।
মেয়েটিঃ আজব তো, আপনার মতো পাজি ছেলেদের সাথে কথা বলে আমার কোনো লাভ নেই, আমি গেলাম।
হিমুঃ এই কোথাই যাচ্ছেন, আসলে আমি বলতে চাচ্ছিলাম, আমরা কি বন্ধু হতে পারি।
মেয়েটিঃ দেখুন!!! আপনার মতো পাজি ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করে কি হবে।আমি গেলাম।
হিমুঃ প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ।
মেয়েঃ এবার কিন্তু আমার রাগ হয়ে যাচ্ছে।
হিমুঃ হোক রাগ হোক, তাতে আমার কি, আমিতো শুধু বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিলাম।আচ্ছা ঠিক আছে আমি গেলাম।
মেয়েটিঃ মুখ ঘুরিয়ে চলে গেলো।
হিমু তার সৌন্দর্য দেখে প্রায় আধ-পাগল হয়ে গেছে, সে বুঝতে পারলো যে, তাকে সে ভালোবেসে ফেলেছে।হিমু আজকে অল্প কিছু ক্লাস করে বাড়ি চলে গেলো আর সেই মেয়েটির কথা ভাবতে লাগলো।সে ভাবলো, আমিতো মেয়েটির নামই জানতে পারলাম না।তাই সে ভাবলো কাল আমি তার নাম জিজ্ঞাসা করবো।পরের দিন হিমু কলেজে গিয়ে দেখে সেই মেয়েটি কলেজের বারান্দায় দাড়িয়ে আছে।
হিমুঃ আমি আপনার নামটা কি জানতে পারি???
মেয়েটিঃ কেনো আমার নাম নিয়ে আপনার কি হবে???
হিমুঃ শুধু নামই তো জিজ্ঞাসা করেছি, বেশী কিছু তো আর না।
মেয়েটিঃ আমার নাম হিমি, আর কালকের আচরণের জন্য দুঃখিত।
হিমুঃ আমি তো আগেই আপনাকে মাফ করে দিয়েছি।
হিমিঃ কিইইইই!!! এই পাজি, আমি কি আপনার কাছে মাফ চেয়েছি নাকি???
হিমুঃ ওহ, সর্যি!সর্যি! আপনি কিসে পড়েন???
হিমিঃ আমি আপনার ক্লাসে পড়ি।
হিমুঃ কিন্তু, আমি তো আপনাকে কোনোদিন দেখলাম না।
হিমিঃ আপনার চোখে সমস্যা আছে, দুই চোখ এক্সট্রা লাগাবেন।
হিমুঃ আমারো তাই মনে হয়, চোখে দিন দিন কম দেখছি।
হিমিঃ এবার আপনি যান এখান থেকে।
হিমুঃ ওকে আমি গেলাম।
এভাবে হিমু ও হিমির প্রায়ই কথা হয়, আর আস্তে আস্তে এটা তাদের ভালোবাসাতে পরিণত হয়।তাই এখন হিমু আর হিমি সারাদিন একে অপরের সাথে চ্যাট করে।এভাবে বেশ কিছুদিন যায়, কিন্তু হিমু তাকে(হিমিকে) ভালোবাসার কথাটা বলতে পারে না।তাই হিমু আজকে মনকে অভয় দিয়ে বললো, আজকে যেভাবেই হোক না কেনো হিমিকে তার ভালোবাসার কথা বলবে।তাই হিমু দোকান থেকে একটা গোলাপ কিনে আনলো আর কলেজে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলো।কলেজে গিয়ে হিমিকে বললোঃ একটু ঐ ফাকা জায়গায় যাবেন???
হিমিঃ কেনো???
হিমুঃ আসলে আপনার সাথে কিছু কথা আছে।
হিমিঃ ওহ, আচ্ছা আপনি যান আমি আসছি।
হিমুঃ আচ্ছা।
হিমু সেখানে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো।কিছুক্ষনের মধ্যেই হিমির আগমন।
হিমিঃ বলেন এবার কি বলবেন???
হিমুঃ (গোলাপটা দিয়ে) আমি তোমাকে ভালোবাসি, আপনি কি চান সারা জীবন আমার পাশে থাকতে???
হিমিঃ (হিমি তাকে[হিমুকে]কষে একটা চড় মারলো আর বললো, পাজি ছেলে এই কথা বলার জন্য এতো সময় নিলেন কেনো???)
হিমুঃ (নিজের মুখে হাত দিয়ে[যেখানে চড় মেরেছে]) আসলে আমি ভাবছিলাম যদি আপনাকে সারা জীবনের জন্য হারিয়ে ফেলি।
হিমিঃ (হিমি তাকে আরো একটা কষে দিলো) এই পাজি এখনো তুমি আমাকে আপনি আপনি করে কথা বলছো, দাড়াও তোমার একদিন কি আমার একদিন কি.........
হিমু দিলো এক ভ্যাচকা দৌড় এক দৌড়ে কলেজের বারান্দায়।হিমু ঐস্থান থেকে দ্রুত চলে গেলো, আর ভাবলো যা হওয়ার হয়েছে, নিজের প্রেমিকার কাছে এই কয়টা মার খেলে কোনো সমস্যা হবে না।এভাবে কয়েক মাস যাওয়ার পরে.................
আজ হিমু অনেক খুশি কারণ সে হিমিকে কাছে পেয়েছে।কিন্তু তার এখনো মনে আছে যেদিন হিমি চড় মেরেছিলো সেদিন থেকে দুই সপ্তাহ ভালো করে কথা বলতে পারিনি কারণ তার মুখ ফুলে এত্ত বড় আলু হয়েছিলো।
(বিঃদ্রঃ গল্পটি পুরোপুরি কাল্পনিক, এই প্রথম রোমান্টিক গল্প লিখলাম)&কেমন হয়েছে???সেটা কমেন্টে জানাবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now